বিশ্ব সংবাদ

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব অপরিবর্তিত: ডব্লিউএইচও

মৃতের সংখ্যা বেড়ে দেড় হাজার

শেয়ার বিজ ডেস্ক : করোনাভাইরাসে নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ১১৬ জনের। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল এক হাজার ৪৮৮ জনে। এছাড়া আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ৬৪ হাজারে। গতকাল শুক্রবার সকালে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন এ তথ্য জানিয়েছে। হঠাৎ করে চীনের হুবেই প্রদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়ে গেলেও বিশ্বজুড়ে এর প্রাদুর্ভাব অপরিবর্তিত থাকার কথা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এক্ষেত্রে একমাত্র ব্যতিক্রম জাপানে আটকেপড়া ক্রুজ শিপ ডায়মন্ড প্রিন্সেস। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি জাহাজটিতে নতুন করে ৪৪ জন আক্রান্ত হওয়ায় মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৮ জনে। তবে ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের হার বা এর তীব্রতায় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আসেনি। খবর: বিবিসি।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান শহরের একটি বন্যপ্রাণীর বাজার থেকে ছড়িয়ে পড়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। একপর্যায়ে এই ভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি (হেলথ ইমার্জেন্সি) ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও। এখন পর্যন্ত অন্তত ২৮টি দেশে শনাক্ত হয়েছে এই ভাইরাস।

দুই দিন আগেও হুবেই প্রদেশে সংক্রমণ পরিস্থিতিতে কিছুটা স্থিতিশীলতা লক্ষ করা যাচ্ছিল। তবে হঠাৎ মৃতের নতুন এই সংখ্যায় করোনাভাইরাসে মৃত্যুর মোট সংখ্যা এখন এক হাজার ৪৫০-এরও বেশি।  আর মোট আক্রান্তের সর্বশেষ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার জনে। এখন অবশ্য যাদের শরীরে রোগের লক্ষণ প্রকাশিত হচ্ছে, তাদেরও সংক্রমিত হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। চীনে যত মানুষ সংক্রমিত হয়েছে, তার ৮০ শতাংশই হুবেই প্রদেশে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, তথ্য প্রকাশে চীন স্বচ্ছতার পরিচয় দিচ্ছে না। জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের দাবি, তারা ভুল করে মৃতের সংখ্যা দুবার গুনেছিল। সেক্ষেত্রে মৃতের সংখ্যা এক হাজার ৪৮৮ থেকে আরও ১০৮ জন কম হবে। প্রতিনিয়ত এ ভাইরাসে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের শরীরে প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে শ্বাসকষ্ট, জ্বর, সর্দি ও কাশির মতো সমস্যা দেখা দেয়। ভাইরাসটি যাতে ছড়িয়ে না যায়, সেজন্য হুবেই প্রদেশকে পুরো দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে চীন।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..