বিশ্ব সংবাদ

করোনাভাইরাস না ছড়ালেও আফ্রিকার অর্থনীতি নিয়ে শঙ্কা

শেয়ার বিজ ডেস্ক : আফ্রিকা মহাদেশে করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত একজনেরও আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে অর্থনৈতিকভাবে এশিয়ার পরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সাব সাহারা অঞ্চল। কারণ আফ্রিকার বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার এখন চীন। ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের পর চীনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এর প্রভাব পড়বে সারা বিশ্বের বাজারেই। এতে তেল ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধাতুর চাহিদা এরই মধ্যে নি¤œমুখী। আর আফ্রিকার বহু দেশের অর্থনীতির প্রাণ নির্ভর করে এসব খনিজ দ্রব্য রপ্তানির ওপর। খবর: ব্লমবার্গ।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীন। এ অর্থনীতির শ্লথগতির কারণে এক বছরের মধ্যে তেলের দাম পাঁচ শতাংশ কমে গেছে। এর ফলে সাব সাহারা আফ্রিকা ৪০০ কোটি ডলারের সমান রপ্তানি হারিয়েছে। এ অর্থ এ অঞ্চলের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) দশমিক তিন শতাংশ। এশিয়ার বাইরে যেকোনো মহাদেশের তুলনায় এ ক্ষতি সবচেয়ে বেশি। ওভারসি ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের গবেষণায় এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।

এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান গবেষণা ফেলো দির্ক ভিলেন তে ভেলদে বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যে বহু উন্নয়নশীল দেশের চীননির্ভরতা বাড়ছে। আমদানি ও রপ্তানি উভয় ক্ষেত্রেই তারা ক্রমেই চীনের ওপর অধিকতর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এ কারণেই বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং অনাকাক্সিক্ষত প্রতিকূল অবস্থা সামাল দেওয়ার মতো সক্ষমতা থাকবে, এমন টেকসই প্রবৃদ্ধি চাইলে অবশ্যই বৈচিত্র্যের ওপর জোর দিতে হবে। চীনে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ফলে যা হচ্ছে, এ ধরনের ধাক্কা খেলে এ বৈচিত্র্যের গুরুত্ব বোঝা যাবে। এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) আফ্রিকার শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক দেশ নাইজারের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দুই দশমিক পাঁচ শতাংশ থেকে দুই শতাংশে নামিয়ে এনেছে। এর প্রধান কারণ বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..