দিনের খবর প্রচ্ছদ শেষ পাতা

করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে করোনাভাইরাসে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচজনে। জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানান। গতকাল ফেসবুক লাইভে তিনি এ তথ্য জানান।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আর কারও দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়নি বলে জানান ওই কর্মকর্তা। ফলে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসাবে এখন ৩৯ জন।  

ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৭৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কারও দেহে করোনা শনাক্ত হয়নি।

তিনি জানান, সর্বশেষ যিনি করোনায় মারা গেছেন তিনি বিদেশ থেকে আসা এক রোগীর পরিবারের সদস্য। তিনি করোনা আক্রান্ত বলে শনাক্ত হন গত ১৮ মার্চ। এর পর থেকে তিনি তার এলাকার একটি হাসপাতালে আইসোলেশনে ছিলেন। তাকে সেখান থেকে ঢাকায় আনা হয় গত ২১ মার্চ এবং কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে রাখা হয়। বুধবার সকালে তিনি মারা যান। তিনি একজন পুরুষ এবং বয়স ৬৫ বছর। তার ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশন ছিল।

করোনাভাইরাস ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন’ হয়েছে এখনও বলা যাচ্ছে না জানিয়ে ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বলার আগে আমাকে বিস্তারিত তথ্যের বিশ্লেষণে বলতে হবে, সেটা আমাকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে তথ্য-উপাত্তসহ পেশ করতে হবে। দুটো ক্ষেত্রে আমরা ইনভেস্টিগেশন করেছিলাম, তবে এখন পর্যন্ত সেটার সোর্স অব ইনফেকশন জানা যায়নি। সেক্ষেত্রে এটা লিমিটেড স্কেলে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়ে থাকতে পারে বলে আমরা মনে করছি।

কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা আরও বলেন, ‘লিমিটেড স্কেলে যে এলাকাটি নিয়ে আমরা কথা বলছি, সেখানে লোকাল ট্রান্সমিশন হয়ে থাকতে পারে ভেবে আমরা ওই এলাকাটি সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে প্রতিরোধ করার জন্য কার্যক্রম নিয়েছি।’

অধ্যাপক সেব্রিনা বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশব্যাপী কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়েছে এরকম কোনো পরিস্থিতি হয়নি।’

মঙ্গলবার যে নমুনাগুলো পরীক্ষা করা হয়েছে তাতে পজিটিভিটির হার তুলনামূলকভাবে অনেক কম বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একইসঙ্গে যেসব নিউমোনিয়া আছে যার ডায়াগনোসিস হয়নি কোথা থেকে হলো, সেগুলোর নমুনাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এ রকম দুটি কেস পজিটিভ পাওয়ার পর দেখা গেছে, বিদেশ আসা মানুষের সংস্পর্শে আসার ইতিহাস ছিল। তাই এসব তথ্য বিচার বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশে লোকাল ট্রান্সমিশন হয়েছে এটা এখনও বলা যাবে না। তবে লিমিটেড স্কেলে দুটো জায়গাতে এখনও সোর্স অব ইনফেকশটা আমাদের কাছে নিশ্চিত হয়নি।’

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
ট্যাগ ➧

সর্বশেষ..