কলকারখানায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হবে : সালমান এফ রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক: সমন্বিত কাজের মাধ্যমে কলকারখানা, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দুর্ঘটনারোধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

তিনি বলেন, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে প্রথমেই জিজ্ঞেস করা হয়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডাইফি) কী করেছে? ডাইফি তো ইন্সপেকশন করেছে বা করেনি সেটি জানানো হয়েছে। কিন্তু ফায়ারের দায়িত্ব আমার না, অনুমোদন দেয়ার দায়িত্ব আমার না, পরিবেশ দেখার দায়িত্ব আমার না। আমার দায়িত্ব শুধু ইন্সপেকশন করা। এখানেই একটি বড় কন্ট্রাডিকশন রয়ে গেছে। এ জন্যই প্রধানমন্ত্রী জাতীয় কমিটি করেছেন।

গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) মিলনায়তনে তিনি এসব কথা বলেন। কলকারখানা, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দুর্ঘটনারোধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে গঠিত সমন্বিত পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ টিমের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে তিনি বক্তব্য দেন।

কমিটির সদস্যদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনাদের কাজ শুধু তথ্য সংগ্রহ করা। আপনাদের কাছ থেকে তথ্য পেলে সমন্বয় করে কীভাবে তা সমাধান করা যায় সেটা নিয়ে কাজ করব। আমি কনফিডেন্ট যে, এ সমস্যা সমাধান করা যাবে। গার্মেন্টে আমরা সফলতার সঙ্গে সমাধান করতে পেরেছি। এখানেও আমরা পারব।

তিনি আরও বলেন, আমাকে রাজউক বলছে আমরা তো স্ট্রাকচারাল পারমিশন দেই না। আমরা শুধু প্ল্যান পাস করি। বিল্ডিং পড়ে যাচ্ছে … রাজউক বলছে সেটা তো আমি দেখব না। সেজন্য আমি বলছি যে, জাতীয় কমিটির মাধ্যমে আমরা এসব বিষয় দেখবো। আমাদের সঠিক তথ্যটা দরকার। সমন্বিত কাজের মাধ্যমে এই সমস্যা আমরা সমাধান করতে পারব।

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে দেশের শিল্প কলকারখানাগুলোয় বিভিন্ন সময় সংগঠিত অগ্নিকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে শিল্প কলকারখানার অবকাঠামোগত এবং অগ্নি-দুর্ঘটনা ও অন্যান্য-দুর্ঘটনা নিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে প্রধান করে ২৪ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়।

কভিড-১৯ টিকা নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে উল্লেখ করে সালমান এফ রহমান বলেন, সংসদে সমালোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আমরা প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনব। এ সময়ের মধ্যে ১৬ কোটির মধ্যে পাঁচ থেকে ছয় কোটি মানুষকে টিকা দেয়া হবে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহছানে এলাহীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম, সুরক্ষা ও সেবা বিভাগের সচিব মো. মোকাব্বির হোসেন, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন   ❑ পড়েছেন  ৯০  জন  

সর্বশেষ..