প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

কীর্তনখোলার ভাঙন রোধে নৌ-বন্ধন

শেয়ার বিজ ডেস্ক: বরিশালে কীর্তনখোলা নদীর ভাঙন রোধের দাবিতে নৌ-বন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগীরা। গতকাল বুধবার কীর্তনখোলা নদীর পূর্ব তীরে চরকাউয়া খেয়াঘাটের কাছে পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা ছাড়াও ভাঙনকবলিত ও বাস্তুভিটাহারাদের পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়। খবর বাংলা ট্রিবিউন।

পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন পরিষদের আহবায়ক ও বরিশাল জেলা পরিষদের সদস্য মুনাওয়ারুল ইসলাম অলির সভাপতিত্বে এ সময় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তৃতা করেন চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও কোতোয়ালি আওয়ামী লীগের সভাপতি মনিরুল ইসলাম ছবি, পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন পরিষদের সচিব মো. মানিক মৃধা, ইউপি সদস্য এনামুল হক সাগর, সফিকুল ইসলাম লিটু তালুকদার, ইকবালুর রহমান বাবুল খাঁ, আবদুল হালিম মুন্সি, সংরক্ষিত ইউপি সদস্য ফিরোজা বেগম, সাবেক ইউপি সদস্য মো. বাদল হোসেন, আলহাজ কেরামত আলি হাওলাদার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কয়েক বছর ধরে কীর্তনখোলা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে চরকাউয়া ইউনিয়নের পাঁচটি মৌজার চারটি গ্রামের কয়েক হাজার একর জমিসহ কয়েকশ’ বাড়িঘর। এখন হুমকির মুখে রয়েছে চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ঐতিহ্যবাহী চরকাউয়া আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, তোফায়েল আহম্মেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সরকারি প্রাইমারি স্কুল, কমিউনিটি ক্লিনিক হসপিটাল, হাট-বাজারসহ মানুষের চলাচলের পথ। এভাবে কীর্তনখোলার ভাঙন অব্যাহত থাকলে শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবত সেতু, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান নদীভাঙনের শিকার হবে।

তারা আরও বলেন, প্রায় দু’বছর আগে বাংলাদেশের নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্প (ডিপিপি) অনুমোদনের জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছে (স্মারক নং-টি ২৯/১৯২৭, তাং ১৭-১২-১৫ইং) পানি উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে আজ পর্যন্ত এ প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় কীর্তনখোলার ভাঙনে চরকাউয়া ইউনিয়ন বরিশালের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাওয়ার পথে।