শেয়ার বিজ ডেস্ক : আজকাল হৃদরোগ কোনো বয়স মানে না। ছোট থেকে বড় সবাই এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তা নিয়ে সচেতনতার শেষ নেই বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে। খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে লাইফস্টাইল নিয়ে কথা কম-বেশি সকলেই বলে থাকেন।
কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হার্ট অ্যাটাক আটকাতে হলে কী কী করতে হবে তা নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ভিডিও-রিল পাওয়া যায়। কিন্তু উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে কী করতে হবে, তা এতকিছুর পরও অনেকের অজানা।
অনেকেই বলে থাকেন, হঠাৎ করেই বুকে ব্যথা উঠেছিল, বুঝতেই পারিনি। চিকিৎসকরা বলছেন, গ্যাস হয়েছে ভেবে অধিকাংশ মানুষ গ্যাসের ওষুধ খেয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন ব্যথা কমার।এতে উল্টো বিপদ বাড়ে।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথম ১০-১৫ মিনিটের পদক্ষেপ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মাঝরাতে হঠাৎ কারো বুকের মাঝখানটা চেপে ধরল। মনে হতে পারে বুকের মধ্যে একটা পাথর বসেছে।
ব্যথাটা পিঠের দিকে চলে যাচ্ছে, গলার দিকে বা চোয়ালের দিকে আসছে। সে সময় বেশিরভাগ মানুষই গ্যাস ভেবে একটা গ্যাসের ওষুধ খেয়ে নেন।চিকিৎসকদের পরামর্শ, কখনো এমন করা যাবে না। বুকে কিছু একটা আটকে আছে মনে হলেই বাড়ির কাছের হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চলে যান। চিকিৎসককে দ্রুত পুরোটা জানিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন।
চিকিৎসকরা প্রথমেই ইসিজি করে দেখেন হার্টে রক্ত চলাচল করছে কি না। যদি সত্যিই রক্ত চলাচল কম হয়, যেকোনো হেলথ সেন্টারে প্রয়োজনীয় ওষুধ আছে, সেটা খাইয়ে দেয়া হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্লট গলানোর ওষুধও দেয়া হতে পারে।
বারবার চিকিৎসক মনে করিয়ে দেন, প্রথম পদক্ষেপই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ফলে বাড়িতে ফেলে রাখা বা নিজের হলে, বসে অপেক্ষা করা উচিত হবে না। বাড়ির কাছে বা যেখানে আছেন, তার আশপাশে যে হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র আছে সেখানে চলে যান।
এস এস/
প্রিন্ট করুন








Discussion about this post