সারা বাংলা

কুড়িগ্রামে কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি

 

প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামে গতকাল বৃহস্পতিবার ধরলা নদীর পানি কমে বিপদসীমার ১০৫ সেন্টিমিটার ওপরে, তিস্তার পানি বিপদসীমার ৪২ সেন্টিমিটার নিচে, ব্রহ্মপুত্রের চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ১২৭ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ৯৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার সবকটি নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করলেও পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। বিশেষ করে খাদ্য ও পানীয়জলের জন্য হাহাকার করছে বানভাসিরা।
কুড়িগ্রামে ৪০০ গ্রাম প্লাবিত হয়ে এখনও চার লাখ মানুষ চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। চারদিকে থইথই পানিতে ডুবে এ পর্যন্ত শিশুসহ ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। কুড়িগ্রাম-নাগেশ্বরী সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় ধরলা সেতুপাড়ে আটকে আছে পণ্যবাহী একাধিক ট্রাক।
পানিবন্দি মমেনা, মানিক, মস্তান আলীসহ অনেকে জানান, প্রতিবছরই তাদের এ দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তারা ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তা, বাঁধ, স্কুল ও মাদরাসায় অবস্থান করে অর্ধাহারে-অনাহারে জীবন কাটাচ্ছেন। সঠিকভাবে ত্রাণ বিতরণ না হওয়ায় তারা আরও দুর্ভোগে পড়েছেন।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার জেলা সদরের হলোখানা ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার দুলাল নামে এক ব্যবসায়ীর ঘর থেকে রিলিফের আট বস্তা চাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এলাকাবাসী জানায়, চেয়ারম্যান উমর ফারুক এ চাল ওই ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করতে পারেন।

সর্বশেষ..