মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
৮ বৈশাখ ১৪৩৩ | ৪ জিলকদ ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

শ্রেণিকক্ষের উল্টোপিঠ ‘ফ্লিপড ক্লাসরুম’

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ

Share Biz News Share Biz News
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬.৫:৫০ অপরাহ্ণ
বিভাগ - শিক্ষা ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
4
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

শিক্ষা ডেস্ক: গল্পটা অনিকের। ঢাকার একটি প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (স্টেম) নিয়ে পড়াশোনা করে সে। সকাল আটটার ক্লাস। জ্যাম ঠেলে, ক্লান্ত শরীরে অনিক যখন ক্লাসে পৌঁছায়, তখন তার শিক্ষক ডায়াসে দাঁড়িয়ে লেকচার দেওয়া শুরু করেছেন। প্রজেক্টরে সøাইড চলছে। সøাইডগুলো অন্তত দশ বছরের পুরোনো। শিক্ষক একনাগাড়ে থিওরি বুঝিয়ে যাচ্ছেন, যা বইতেই লেখা আছে। অনিকের চোখের পাতা ভারী হয়ে আসে। পেছনের সারিতে বসে সে ভাবে, ‘যে থিওরি আমি গুগলে খুঁজলে এক সেকেন্ডে পেয়ে যাব, ইউটিউবে যার চমৎকার থ্রিডি অ্যানিমেশন আছে, তার জন্য কেন আমি প্রতিদিন দুই ঘণ্টা জ্যাম ঠেলে এই ক্লাসে আসছি?’
অন্যদিকে, গল্পটা হতে পারত ফারিহার। সে-ও একই বিষয়ের শিক্ষার্থী, তবে অন্য একটি সমান্তরাল মহাবিশ্বে বা উন্নত কোনো দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে। ফারিহার ক্লাসটি একটু অন্যরকম। গত রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সে তার ল্যাপটপে শিক্ষকের দেওয়া একটি দশ মিনিটের ভিডিও দেখেছে। সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সাহায্যে অত্যন্ত চমৎকারভাবে আজকের পাঠের মূল ধারণাটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে ছিল একটি ছোট অনলাইন কুইজ। আজ সকালে ক্লাসে এসে ফারিহা আর তার শিক্ষককে লেকচার দিতে দেখল না। শিক্ষক পুরো ক্লাসকে কয়েকটি দলে ভাগ করে দিলেন। ফারিহার দল গত রাতের শেখা থিওরিটা ব্যবহার করে একটি বাস্তব সমস্যার সমাধান বের করার চেষ্টা করছে। শিক্ষক পুরো ক্লাসরুমে ঘুরে ঘুরে প্রতিটি দলের সঙ্গে কথা বলছেন, আটকে গেলে পথ দেখিয়ে দিচ্ছেন।
ফারিহার এই ক্লাসরুমের ধারণাকেই আধুনিক শিক্ষাবিজ্ঞানে বলা হয় ‘ফ্লিপড ক্লাসরুম’ বা উল্টানো শ্রেণিকক্ষ। আমাদের বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোরÑতা সরকারি হোক বা বেসরকারিÑবর্তমান যে জরাজীর্ণ, একপাক্ষিক শিক্ষাদান পদ্ধতি, তার খোলনলচে পাল্টে দেওয়ার জন্য এই ফ্লিপড ক্লাসরুমই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর যুগান্তকারী এক মডেল।
ফ্লিপড ক্লাসরুম আসলে কী: খুব সহজ কথায়, প্রথাগত শিক্ষাব্যবস্থায় যা ক্লাসে হয়, ফ্লিপড ক্লাসরুমে তা হয় বাড়িতে। আর যা বাড়িতে হোমওয়ার্ক হিসেবে করার কথা, তা হয় ক্লাসে শিক্ষকের সামনে।
আমাদের প্রচলিত নিয়মে শিক্ষক ক্লাসে লেকচার দেন, আর শিক্ষার্থীরা বাড়ি গিয়ে সেই লেকচার মুখস্থ করে বা বাড়ির কাজ করে। কিন্তু ফ্লিপড ক্লাসরুমে শিক্ষক ক্লাসে আসার আগেই পড়ার মূল বিষয়বস্তু ডিজিটাল কনটেন্ট (ভিডিও, পডকাস্ট বা এআই জেনারেটেড রিডিং ম্যাটেরিয়াল) হিসেবে শিক্ষার্থীদের দিয়ে দেন। শিক্ষার্থীরা নিজেদের সুবিধামতো সময়ে, নিজেদের গতিতে বাড়িতে বসে সেটি পড়ে বা দেখে ক্লাসে আসে। ফলে শ্রেণিকক্ষের মহামূল্যবান সময়টুকু বেঁচে যায়। সেই বেঁচে যাওয়া সময়টুকুতে ক্লাসে হয় গ্রুপ ডিসকাশন, বিতর্ক, প্রোজেক্ট তৈরি এবং সরাসরি সমস্যা সমাধান। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা আর প্যাসিভ বা নিষ্ক্রিয় শ্রোতা থাকে না, তারা হয়ে ওঠে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী। আর শিক্ষকের ভূমিকা ‘সবজান্তা বক্তা’ থেকে বদলে গিয়ে হয় ‘মেনটর’ বা পথপ্রদর্শকের।
আমাদের অচল হয়ে পড়া শিক্ষকরা: বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতÑএই স্টেম বিষয়গুলোর মূল ভিত্তি হলো নতুনত্ব এবং উদ্ভাবন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনেক শিক্ষক আজ ক্লাসে ঠিক সেই ম্যাটেরিয়াল বা নোট ব্যবহার করে পড়াচ্ছেন, যা তারা নিজেরা এক বা দুই দশক আগে ছাত্রাবস্থায় পড়েছিলেন।
প্রযুক্তির দুনিয়ায় যেখানে প্রতি ছয় মাসে আমূল পরিবর্তন আসে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই যেখানে পুরো পৃথিবীর হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিচ্ছে, সেখানে পনেরো বছরের পুরোনো সিলেবাস পড়ানোর মানে কী? এই শিক্ষার মূল্য কোথায়? আমরা কি আমাদের তরুণ প্রজš§কে বোকা বানাচ্ছি না?
সত্যি কথা বলতে কী, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় এমন অনেক শিক্ষক আছেন যারা আধুনিকতার ছোঁয়া থেকে শত যোজন দূরে। তারা নতুন লার্নিং পেডাগজি বা শিক্ষাদান পদ্ধতি সম্পর্কে কিছুই জানেন না, জানার আগ্রহও তাদের নেই। তারা মনে করেন, একবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়ে গেছি মানে আমার আর কিছু শেখার নেই, এখন শুধু জ্ঞান বিলি করার সময়।
এই অহংকার এবং স্থবিরতা একটি জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। একজন চিকিৎসক যদি নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি না শেখেন, তবে তার হাতে হয়তো কয়েকজন রোগীর মৃত্যু হতে পারে। কিন্তু একজন শিক্ষক যদি আধুনিক জ্ঞান এবং পদ্ধতি আয়ত্ত না করেন, তবে তিনি একটি পুরো প্রজšে§র সম্ভাবনাকে গলা টিপে হত্যা করেন। আমাদের স্বীকার করতেই হবে যে, কিছু শিক্ষক আক্ষরিক অর্থেই ‘অবসোলেট’ বা অকার্যকর হয়ে গেছেন। তাদের পড়ানোর স্টাইল, তাদের জ্ঞানের পরিধিÑসবকিছুই আজকের যুগের সঙ্গে বেমানান।
পরবর্তী প্রজšে§র বৃহত্তর স্বার্থে, দেশের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এই ধরনের অকার্যকর শিক্ষকদের শিক্ষাব্যবস্থা থেকে সরিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে। হ্যাঁ, শুনতে অত্যন্ত রূঢ় লাগলেও এটিই বাস্তব। একটি মৃতপ্রায় ডাল কেটে ফেললেই যেমন গাছে নতুন প্রাণ আসে, তেমনি এই অযোগ্যদের সরিয়ে যোগ্য, উদ্যমী এবং প্রযুক্তি-সচেতন তরুণদের জায়গা করে দিলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রাণ ফিরে পাবে। বিশ্ববিদ্যালয় তো কোনো পুনর্বাসন কেন্দ্র নয়; এটি ভবিষ্যৎ নেতা ও উদ্ভাবক তৈরির কারখানা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও শিক্ষকের নতুন অবতার: ফ্লিপড ক্লাসরুম বাস্তবায়ন করতে হলে শিক্ষকদের সবার আগে যে জিনিসটি আয়ত্ত করতে হবে, তা হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। ক্লাসে যাওয়ার আগে একজন শিক্ষককে অবশ্যই জানতে হবে কীভাবে এআই ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় কনটেন্ট তৈরি করা যায়।

এআই শিক্ষকদের চাকরি কেড়ে নেবে না, বরং যে শিক্ষকরা এআই ব্যবহার করতে জানেন না, তাদের চাকরি কেড়ে নেবে এআই-জানা শিক্ষকরা। চ্যাটজিপিটি, জেমিনি বা মিডজার্নির মতো টুলগুলো ব্যবহার করে একজন শিক্ষক খুব সহজেই তার কোর্সের কারিকুলাম ডিজাইন করতে পারেন, জটিল গাণিতিক সমস্যার ভিজ্যুয়াল রিপ্রেজেন্টেশন তৈরি করতে পারেন, কিংবা প্রতিটি শিক্ষার্থীর মেধা অনুযায়ী আলাদা আলাদা অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করে দিতে পারেন।
শিক্ষকদের বুঝতে হবে, তথ্য এখন আর তাদের একচেটিয়া সম্পত্তি নয়। ইন্টারনেট আর এআইয়ের যুগে তথ্য সবার হাতের মুঠোয়। তাই শিক্ষকের কাজ এখন তথ্য দেওয়া নয়, বরং সেই তথ্যকে কীভাবে বিশ্লেষণ করতে হয়, কীভাবে তা দিয়ে বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধান করতে হয়Ñসেই ‘ক্রিটিক্যাল থিংকিং’ তৈরি করা। আর ফ্লিপড ক্লাসরুম ঠিক এই কাজটি করার জন্যই সবচেয়ে আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে।
নীতিনির্ধারকদের জন্য গাইডলাইন: এই অচলায়তন ভাঙতে হলে শুধু আক্ষেপ করলে হবে না, দরকার সুনির্দিষ্ট এবং কাঠামোগত সংস্কার। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি), শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সিন্ডিকেট বা বোর্ড অব ট্রাস্টিজকে এখনই কঠোর ও যুগান্তকারী কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। কীভাবে এই ফ্লিপড ক্লাসরুম এবং আধুনিক পেডাগজি বাস্তবায়ন করা যায়, তার একটি রূপরেখা নিচে দেওয়া হলো:
১. বাধ্যতামূলক ন্যাশনাল পেডাগজি ট্রেনিং একাডেমি প্রতিষ্ঠা:
বিসিএস ক্যাডারদের যেমন বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্যও ঠিক তেমনি একটি বাধ্যতামূলক পেডাগজিক্যাল ট্রেনিং থাকা উচিত। চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরই কাউকে সরাসরি ক্লাসে পাঠানো যাবে না। অন্তত তিন থেকে ছয় মাসের একটি নিবিড় প্রশিক্ষণ নিতে হবে। এই প্রশিক্ষণে ফ্লিপড ক্লাসরুম পদ্ধতি, এডুকেশনাল টেকনোলজি, এআই টুলসের ব্যবহার এবং শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে হাতে-কলমে শেখাতে হবে। এই ট্রেনিংয়ের সার্টিফিকেশন ছাড়া ক্লাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে হবে।
২. শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতির আমূল সংস্কার:
বর্তমানে আমাদের দেশে শিক্ষকদের পদোন্নতি নির্ভর করে মূলত তাদের চাকরির বয়স এবং কয়টি গবেষণাপত্র প্রকাশ হলো তার ওপর। অধিকাংশ ক্ষেত্রে শ্রেণিকক্ষে তাদের পারফরম্যান্স বিবেচনা করা হয় না। এই পদ্ধতি বদলাতে হবে। পদোন্নতির ক্ষেত্রে ‘টিচিং ইনোভেশন’ বা শ্রেণিকক্ষে তিনি নতুন কী পদ্ধতি ব্যবহার করছেন, ফ্লিপড ক্লাসরুম কতটা সফলভাবে পরিচালনা করছেন এবং শিক্ষার্থীদের ফিডব্যাক কেমনÑসেগুলোকে মূল মাপকাঠি বা কেপিআই হিসেবে ধরতে হবে।
৩. অকার্যকর শিক্ষকদের জন্য এক্সিট রুট:
যেসব শিক্ষক দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের আপডেট করতে ব্যর্থ হচ্ছেন, আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না এবং শিক্ষার্থীদের ফিডব্যাকে ধারাবাহিকভাবে খারাপ করছেন, তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। তাদের প্রথমে ‘রি-টুলিং’ বা পুনঃপ্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হবে। এরপরও যদি তারা ব্যর্থ হন, তবে তাদের জন্য সম্মানজনক ‘আর্লি রিটায়ারমেন্ট’ বা বাধ্যতামূলক অবসরের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষাব্যবস্থাকে কারও আজীবন রুটি-রুজির নিশ্চিন্ত আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না, বিশেষ করে যখন তা হাজারো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে।
৪. ডিজিটাল অবকাঠামো ও এলএমএস উন্নয়ন:
ফ্লিপড ক্লাসরুমের প্রাণ হলো ডিজিটাল কনটেন্ট। তাই প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজস্ব ও শক্তিশালী লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরি করতে হবে। প্রতিটি ক্যাম্পাসে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা ক্লাস শুরুর আগেই তাদের প্রয়োজনীয় ভিডিও বা এআই কনটেন্টগুলো সহজে এক্সেস করতে পারে।
৫. সিলেবাসের বিকেন্দ্রীকরণ:
স্টেম ও ব্যবসা শিক্ষার সিলেবাস প্রতি বছর হালনাগাদ করার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থাকতে হবে। এই কমিটিতে শুধু শিক্ষকরা থাকবেন না, বরং সংশ্লিষ্ট করপোরেট বা শিল্প খাতের (ওহফঁংঃৎু) বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করতে হবে। বাস্তব দুনিয়ায় কোন দক্ষতার প্রয়োজন, তা জেনে সে অনুযায়ী ফ্লিপড ক্লাসরুমের প্রজেক্ট বা কেস-স্টাডি ডিজাইন করতে হবে।
৬. পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে শুরু করা:
প্রথম দিনেই পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে এই পদ্ধতি চাপিয়ে না দিয়ে, প্রতিটি বিভাগের কয়েকটি নির্দিষ্ট কোর্সে (বিশেষ করে প্রথম বর্ষের কোর্সগুলোয়) পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ফ্লিপড ক্লাসরুম চালু করা উচিত। এর ফলাফল, শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ করে ধাপে ধাপে তা পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে দিতে হবে।
শেষ কথা: পরিবর্তন ছাড়া বাঁচার উপায় নেই। আমরা এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে বাস করছি। এই যুগে টিকে থাকতে হলে আমাদের পুরোনো অভ্যাস, পুরোনো চিন্তা এবং সেই মান্ধাতার আমলের হলদেটে হয়ে যাওয়া লেকচার শিট ছুড়ে ফেলতে হবে।
আমাদের এমন শিক্ষক প্রয়োজন যারা ক্লাসে ঢোকার আগে এআইয়ের সাহায্যে নিজেদের শানিত করবেন, যারা শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করতে শেখাবেন এবং যারা নিজে একজন সর্বজ্ঞানী গুরু না হয়ে, শিক্ষার্থীদের সহযাত্রী হতে পছন্দ করবেন। ফ্লিপড ক্লাসরুম শুধু একটি পদ্ধতি নয়, এটি একটি মানসিকতার পরিবর্তন। এটি শিক্ষকদের বাধ্য করে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শিখতে এবং শিক্ষার্থীদের বাধ্য করে নিজেদের মস্তিষ্কের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে।
যে শিক্ষকরা পরিবর্তনের এই হাওয়ায় পাল তুলে নিজেদের এগিয়ে নিতে পারবেন, তারাই হবেন আগামীর কারিগর। আর যারা অহংকার আর অজ্ঞতায় মুখ থুবড়ে পড়ে থাকবেন, বৃহত্তর স্বার্থেই তাদের পথ থেকে সরিয়ে দিতে হবে। আজকের শ্রেণিকক্ষই নির্ধারণ করবে আগামী দশকের বাংলাদেশের অবস্থান। সেই শ্রেণিকক্ষকে আধুনিক, প্রাণবন্ত এবং ভবিষ্যৎমুখী করার এই লড়াইয়ে জয়ী হওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনো বিকল্প নেই। পরিবর্তনটা শুরু হোক আজ, এখনই।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

ট্রাকস্ট্যান্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস!

Next Post

সন্তানকে উদ্বুদ্ধ করবেন কীভাবে?

Related Posts

দেশজুড়ে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী
জাতীয়

দেশজুড়ে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাই প্রকৃত স্বায়ত্তশাসন
শিক্ষা

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাই প্রকৃত স্বায়ত্তশাসন

২০৩০ সালের উচ্চশিক্ষার রূপরেখা ও মেটা-ইউনিভার্সিটি
শিক্ষা

২০৩০ সালের উচ্চশিক্ষার রূপরেখা ও মেটা-ইউনিভার্সিটি

Next Post

সন্তানকে উদ্বুদ্ধ করবেন কীভাবে?

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

ওয়ালটনের ডিস্ট্রিবিউটর অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ অনুষ্ঠিত, ১৬৮ পরিবেশক সম্মাননা পেল

ওয়ালটনের ডিস্ট্রিবিউটর অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ অনুষ্ঠিত, ১৬৮ পরিবেশক সম্মাননা পেল

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড–ভিসার ক্যাম্পেইন: কার্ড ব্যবহারেই বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড–ভিসার ক্যাম্পেইন: কার্ড ব্যবহারেই বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ

পুলিশের পোশাক আবার বদলাচ্ছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব

পুলিশের পোশাক আবার বদলাচ্ছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব

ডিএসই সূচক ঊর্ধ্বমুখী, ডিএসইএক্সে উল্লেখযোগ্য উত্থান

ডিএসইতে ৯০০ কোটির ঘরে লেনদেন, বেড়েছে সব সূচক

ইউনিলিভার কনজিউমারের প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস কমেছে ১২.১৫%

ইউনিলিভার কনজিউমারের প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস কমেছে ১২.১৫%




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET