প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

কেয়া কসমেটিকসের ৩৩৪ কোটি টাকা লেনদেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সমাপ্ত সপ্তাহের ৩৩৪ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করেছে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির মোট ১৮ কোটি ৫৬ লাখ ৯০ হাজার ৬৩৪টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যার বাজারদর ৩৩৪ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা মোট লেনদেনের পাঁচ দশমিক ৯০ শতাংশ। শেয়ারদর আগের সপ্তাহের চেয়ে ১০ দশমিক ৯০ শতাংশ বেড়েছে।

সর্বশেষ কার্যদিবসে কোম্পানির শেয়ারদর এক দশমিক ১০ শতাংশ বা ২০ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ ১৮ টাকা ৪০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ১৮ টাকা ২০ পয়সা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১৮ টাকা ৪০ পয়সায় হাতবদল হয়। ওই দিন তিন কোটি ৩৯ লাখ ৫৭ হাজার ১৫২টি শেয়ার মোট পাঁচ হাজার ৫৩৭ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৬০ কোটি ৭০ লাখ ১৩ হাজার টাকা। গত এক বছরে শেয়ারদর ৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১৮ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে হাতবদল হয়।

‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটি ২০০১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের ১৮ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৮৭ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৫ টাকা ৭৭ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ১৩২ কোটি ৫৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

২০১৫ সালের সমাপ্ত বছরে ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছরের সমান। ওই সময় ইপিএস হয়েছিল ২৯ পয়সা এবং এনএভি ১৬ টাকা ৬৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা ৫১ পয়সা ও ২১ টাকা ৯ পয়সা। ওই বছর কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ১৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, যা আগের বছরে ছিল ২৭ কোটি এক লাখ টাকা।

সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাতে ১১ দশমিক ৪৫ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে নয় দশমিক এক। এক হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৮৩৫ কোটি আট লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ২৮০ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’ ১৬) ইপিএস হয়েছে ৬৩ পয়সা এবং কর-পররর্তী মুনাফা করেছে ৪৪ কোটি ৫৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৪৯ পয়সা এবং কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ৪০ কোটি ৭০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট ৮৩ কোটি ৫০ লাখ ৮৮ হাজার ৮৮৩টি শেয়ার রয়েছে।

ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৬২ দশমিক ৭৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক পাঁচ দশমিক ৭৫ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৩১ দশমিক ৪৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

১৬১ কোটি ৮৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে গত সপ্তাহে লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো।  কোম্পানিটির মোট চার কোটি ৬৩ লাখ পাঁচ হাজার ৭৭৭টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যা মোট লেনদেনের দুই দশমিক ৪৫ শতাংশ। শেয়ারদর আগের সপ্তাহের চেয়ে এক দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়েছে।

তৃতীয় স্থানে থাকা ফু-ওয়াং ফুড লিমিটেড ১২০ কোটি ৮১ লাখ পাঁচ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করেছে। কোম্পানিটির মোট পাঁচ কোটি ২২ লাখ ৪৯ হাজার ৪৯৬টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যা মোট লেনদেনের দুই দশমিক ১৩ শতাংশ। শেয়ারদর আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৮ দশমিক ১০ শতাংশ বেড়েছে।