আজকের পত্রিকা দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা ফিচার সর্বশেষ সংবাদ

কোয়ারেন্টানের জন্য রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট দিতে প্রস্তুত ব্যবসায়ী যশোদা

নিজস্ব প্রতিবেদক: সারাবিশ্ব করোনা ভাইরাসের সাথে লড়ছে। উন্নত রাষ্ট্র এ ভাইরাস মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে। বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে এ রোগ বিস্তার লাভ করছে। বাংলাদেশে এ ভাইরাস মোকাবেলায় চিকিৎসাসহ বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অনেকেই এ ভাইরাস প্রতিরোধে এগিয়ে আসছে। এর মধ্যে রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট লিমিটেডকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ব্যবসায়ী ও সিআইপি ড. যশোদা জীবন দেবনাথ। সম্প্রতি দেশের প্রথম সারির এ ব্যবসায়ী সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে এ সংক্রান্ত এক স্ট্যাটাসে এ ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

শতাধিক কামরারকে বিনামূল্যে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করার জন্য সরকারকে প্রস্তাব দিয়ে এগিয়ে এলেন এ ব্যবসায়ী। এছাড়া ফরিদপুরের পৈত্রিক ভিটায় স্থাপিত বাসস্থানও কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করার প্রস্তাব দিয়েছেন। যশোদা বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড ও শ্যামপুর সুগার মিলের পরিচালক। প্রটেকশন ওয়ান প্রাইভেট লিমিটেড এর চেয়ারম্যান। প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পৃথক স্ট্যাটাসে তিনি এ প্রস্তাব দেন।

২৪ মার্চ দেয়া স্ট্যাটাসে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি-গাজীপুর আমাদের রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট লি. নামে একটি রিসোর্ট আছে। সেখানে ১০০টির উপরে সুসজ্জিত রুম আছে। সরকার যদি ইচ্ছা পোষণ করেন বিনামূল‍্যে আমরা কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের জন্য রিসোর্ট দিতে প্রস্তত।’

২৫ মার্চ দেয়া স্ট্যাটাসে বলেন, ‘ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি-আমার বাবার পৈত্রিক সম্পত্তি দান করেছিলাম একটি সরকারি স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য পাশাপাশি ফরিদপুরের গণ মানুষের শ্রদ্ধেয় নেতা এমপি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এর নির্দেশ ক্রমে একটি পুলিশ ফারি করেছিলাম, যা এখন খালি পরে আছে এবং আমার গ্রামের বাড়িতে আমার মায়ের থাকার একটি ঘর ও রয়েছে যার সবটাই ফরিদপুর বাসীর এই ক্রান্তিকালে কোয়ারেন্টানের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করতে চাই। বন্ধুরা, শুধু আমার মাকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিও…।’

গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর রিসোর্ট এন্ড ভিলেজ একটি ইকো রিসোর্ট, যেটি তৈরি হয় ২০০৯ সালে। এটির অবস্থান গাজীপুর জেলার রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে শালবনের ভেতরে। প্রায় ৮০ বিঘা জমি নিয়ে যৌথ মালিকানায় গড়ে তোলা হয়েছে রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট। বনের স্বাভাবিক সৌন্দর্য্যকে অক্ষুন্ন রাখতে এখানে পরিকল্পিতভাবে আরো বনায়ন করা হয়েছে। রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্টে ৫৭ টি কটেজের মধ্যে ১৪টি ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে, যাতে মোট ১০০টির অধিক সুসজ্জিত রুম আছে।

এছাড়াও রয়েছে বেশ কয়েকটি মাটির ঘর। এখানে আগত অতিথিরা চাইলে রিসোর্টের লেকে মাছ ধরা, নৌকা ও সাইকেল চালানো কিংবা শাক-সবজি ও ফার্ম ঘুরে দেখতে পারেন। রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্টে আরো রয়েছে একটি সুইমিং পুল ও ক্যাফেটেরিয়া। রয়েছে ২০০ লোক ধারন ক্ষমতার মিলনায়তন। মানবসৃষ্ট কাঠামো ও প্রাকৃতিক পরিবেশের এক অপরুপ মেলবন্ধন রয়েছে রাজেন্দ্রপুর রিসোর্ট এন্ড ভিলেজে।

###

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..