সারা বাংলা

কোরবানির ছাগল নিয়ে বিপাকে খামারিরা

তাপস কুমার, নাটোর: নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার হাটে ভালো দাম না পেয়ে কোরবানির জন্য পালন করা শত ছাগল নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন খামারিরা। কোরবানির হাটে ক্রেতা কম থাকায় তেমন বিক্রি নেই বলে জানিয়েছেন তারা।

জানা গেছে, ঈদুল আজহা সামনে রেখে নলডাঙ্গার পৌরসভাসহ মোট পাঁচটি স্থানে অস্থায়ীভাবে পশুর হাটের অনুমোদন দিয়েছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসন।

হাটগুলো বসেছে নলডাঙ্গা পৌরসভা, মোমিনপুর,পাটুল, খাজুরা ও মাধনগরে।

বিক্রি নেই বলে চিন্তার ভাঁজ দেখা গেছে ব্যাপারীদের মাঝেও। ব্যাপারী রুস্তম আলী, জাহাঙ্গীর ও আলম হোসেন জানান, হাটে প্রচুর কোরবানি পশুর আমদানি থাকলেও ক্রেতার সংখ্যা কম। যারা আসছেন তারা ব্যাপারীদের কেনা দামও বলছেন না।

পশু খামারি আলিমদ্দিন জানান, ক্রেতারা যে দাম বলছেন তাতে লাভের পরিমাণ খুব সীমিত। এতে ছাগল লালন-পালনের দাম কোনোমতে উঠবে।

অপর দিকে ক্রেতারা বলছেন, কোরবানির জন্য যে দামে পশু কিনেছেন তাতে তারা সন্তুষ্ট। দাম নাগালের মধ্যে রয়েছে।

এদিকে নলডাঙ্গা পশুর হাটের ইজরাদার কাজী সোহেল রানা জানান, দুই লাখ টাকায় হাট ডেকে নিয়েছিলেন তিনি। সেইসঙ্গে রয়েছে হাট পরিচালনার খরচ। কিন্তু লাভ তো দূরের কথা আসল উঠবে কি না, সে বিষয়ে সংশয়ে রয়েছেন তিনি। হাটে দুই হাজারের বেশি পশু উঠলেও কেনা-বেচা হয়েছে শতকরা ২০ থেকে ২২ ভাগ।

আজ মঙ্গলবার কোরবানির শেষ হাট। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনের সব নির্দশনা মেনে হাট পরিচালনা করছেন বলে জানিয়েছেন ইজারাদার।

পৌর মেয়র মনিরুজ্জামান মনির জানান, সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অস্থায়ীভাবে পৌরসভায় একটি পশুর হাটের অনুমতি দেয়া হয়েছে এবং ঈদ উপলক্ষে ক্রেতা-বিক্রেতা সমাগমের কথা ভেবে স্থান পরিবর্তন করে নলডাঙ্গা উচ্চবিদ্যালয় খেলার মাঠে এ হাটের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে উপজেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে অস্থায়ীভাবে পাঁচটি হাটের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কোনো অনিয়ম হলে হাটের ইজারা বাতিল করা হবে বলে তিনি জানান।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..