প্রচ্ছদ প্রথম পাতা

ক্ষতিগ্রস্ত ২৭ প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৮৬ কোটি টাকা ঋণ

৮৫৬ কোটি টাকার ঘূর্ণায়মান তহবিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ক্ষতিগ্রস্ত ২৭টি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজকে প্রায় ৮৬ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সিটি ব্রোকারেজ, ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজ ও মার্কেন্টাইল ব্যাংক সিকিউরিটিজের মতো বেশ কিছু বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) দেওয়া ঋণের প্রথম কিস্তি চলতি মাসে হাতে পেলে ঘূর্ণায়মান এই তহবিল থেকে আরও বেশ কিছু ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
জানা গেছে, ঘূর্ণায়মান এই তহবিল থেকে মাত্র চার শতাংশ সুদে ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে ঋণ বিতরণ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে ব্যক্তি খাতের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের একই ধরনের ঋণ সুবিধা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে সেটা ছিল এককালীন তহবিল। এবার ৮৫৬ কোটি টাকার ঘূর্ণায়মান তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। এই তহবিল থেকে ইতোমধ্যে ৭৬০ কোটি টাকা আইসিবিকে দেওয়া হয়েছে। ত্রৈমাসিক কিস্তিতে ওই ঋণ পরিশোধ করবে আইসিবি। বাকি ৯৬ কোটি টাকার মধ্যে প্রায় ৮৬ কোটি টাকা সম্প্রতি দেওয়া হয়েছে ২৭টি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজকে। এসব প্রতিষ্ঠানকে পোর্টফোলিও উন্নয়ন করার শর্তে স্বল্প সুদে এই ঋণ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গত এপ্রিলে মার্কেট সাপোর্ট ফান্ড হিসেবে আইসিবি সরকারের কাছে প্রণোদনা তহবিলের পড়ে থাকা ৮৫৬ কোটি টাকা সফট লোন আকারে চেয়েছিল। অর্থ মন্ত্রণালয় ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা ছাড় করার ব্যাপারে সম্মতি দিয়ে অর্থ ব্যবহারের উপায় নির্ধারণের দায়িত্ব দেয় তদারক কমিটিকে। তদারক কমিটি বৈঠক করে বাজার মধ্যস্থতাকারীদের হাতেও কিছু তহবিল তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এর আগে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ঋণ সহায়তায় তিন দফায় ৯০০ কোটি টাকার একটি এককালীন তহবিল সরবরাহ করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই তহবিলের আদায়কৃত অর্থ থেকে ৮৫৬ কোটি টাকা দিয়ে নতুন করে একটি ঘূর্ণায়মান তহবিল গঠন করা হয়েছে।
২০১০ সালে পুঁজিবাজার ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য ‘পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সহায়তা তহবিল’ নামে একটি তহবিলে ওই ৯০০ কোটি টাকা জোগান দেয় সরকার। ২০১৩ সালে এ-বিষয়ক একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে তিন দফায় ওই ঋণ বিতরণ করা হয়। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের দেওয়া ওই ঋণ সুবিধায় সুদের হার ছিল পাঁচ শতাংশ।

ট্যাগ »

সর্বশেষ..