মত-বিশ্লেষণ

ক্ষমতায়নের ধারায় দুর্যোগ ও মহামারিতে অগ্রসেনা বাংলাদেশের নারী

শম্পা প্রদীপ্তি: নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়টি বর্তমান সময়ের প্রাসঙ্গিক উপাত্ত। এর আভিধানিক অর্থ ক্ষমতা প্রদান করা বা কাউকে ক্ষমতার অধিকারী করা। বস্তুত ক্ষমতায়নের প্রশ্নটি আসে সক্ষমতা বিবেচনা থেকে। নারী জন্মগতভাবেই কিন্তু সক্ষম। নারীর এই সক্ষমতা অতীতের প্রমাণিত সত্য। প্রাচীনকালের মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীই ছিল পরিবারের চালিকাশক্তি। উপার্জনের মাধ্যমে সংসার নির্বাহে রায়টা ছিল তার ওপরেই। পুরুষের কাজ ছিল ঘরে বসে অলস সময় কাটানো, কিংবা বড়জোর শিশুসন্তানের দিকে নজর রাখা। তবে পুরুষের মধ্যে কখনোই কর্তৃত্ব প্রবণতার কমতি ছিল না। নারীর প্রতি খবরদারির প্রবণতা মানবসভ্যতার অতীতকাল থেকে আজ অবধি একইভাবে চলে আসছে। তবে বাঙালি নারীর মহাক্রান্তিকালে হাতেগোনা কজন মনীষী পাশে দাঁড়িয়েছেন। রাজা রামমোহন রায় ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাদের মধ্যে অন্যতম। এই সহমরণ বা সতীদাহের মতো ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় রামমোহন সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের যেমন বাঁচিয়েছেন, তেমনি বালিকা নারীকে বৈধব্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে আবির্ভূত হয়েছিলেন বিদ্যাসাগর। বিদ্যাসাগর বুঝেছিলেন শিক্ষাই হলো নারীমুক্তির মুখ্য পথ। তাই অজ্ঞানতার আঁধার থেকে নারীকে শিক্ষার আলোয় প্রদীপ্ত করতে তার অবদান স্মরণীয়। তবে তা ছিল কেবল তাদের স্বগোত্রীয় নারী সমাজের জন্যই। তখনও মুসলিম নারী চার দেয়ালে বন্দি থেকে নিছক বেঁচে থাকার চেষ্টা করে চলেছে। মুসলিম নারীর এমন হতদ্দশা দেখে কোনো মহাপুরুষ এগিয়ে আসেননি, এসেছিলেন একজন মহীয়সী নারী। ঊনবিংশ শতাব্দীর সেই আলোর পাখিটি বেগম রোকেয়া। অবশ্য তার সেই এগিয়ে আসার সাহস জুগিয়েছেন একজন উদার পুরুষ। তিনি তার স্বামী সাখাওয়াত হোসেন। বিয়ের অল্প কিছুদিন পরই বৈধব্য বরণ করতে হয় রোকেয়াকে। স্বামীর ঔদার্যে অর্জিত শিক্ষা ও সাহসই ছিল তার সঞ্চয়। আর ছিল স্বামীর রেখে যাওয়া কিছু অর্থ। এ নিয়েই তিনি নেমে পড়েন বাঙালি মুসলিম নারীকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার মাধ্যমে সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী করার কাজে। অনেক বাধা আর নিন্দার কাঁটা পা আটকে দিলেও তিনি তা সরিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যান। তার সেই আলোর আশ্রয়ে অনেক অবাঙালি এবং ভিন্ন সম্প্রদায়ের নারীও এসে স্বস্তি পেতে চেয়েছে। বিশেষ করে আজ বাঙালি নারীর যে ক্ষমতায়নের গৌরবময় অবস্থান, তাতে রোকেয়ার অবদান অনস্বীকার্য। বস্তুত শিক্ষাই যেকোনো মানুষকে ক্ষমতায়নের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। পুরুষশাসিত সমাজে যোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সক্ষমতা থেকেই নারীসমাজ আজ শীর্ষ আসনটি দখলে সফল হয়েছে। রোকেয়ার সেই কল্পিত নারীস্থানের ভাবনাটি নিছক রূপকথা ছিল না। তা ছিল দূরদর্শী ভাবনার অপূর্ব প্রকাশ। সেই সত্যটি আজ বাস্তব নিবন্ধের মতো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আমার বর্তমান রচনার বিষয় পেছনে ফেরা নয়, প্রাসঙ্গিকভাবেই কিছু কথা বলতে হলো। এ লেখাটির উদ্দেশ্য, বাংলাদেশের নারীর কর্মযজ্ঞের একটি অনুচিত্র আঁকা। আপদে-বিপদে, যুদ্ধে, দুর্যোগে, মারি ও মড়কে প্রাজ্ঞ নারীর আত্মনিবেদনের প্রাসঙ্গিক সত্যটি সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরার প্রয়াস। তবে বর্তমান মহামারি-আক্রান্ত বিশ্ব পরিস্থিতির আলোকে বাংলাদেশের কল্যাণময়ী নারীর ভূমিকাই এই লেখার মুখ্য অনুষঙ্গ।

বিশ্বজুড়ে আজ অতিমারি কভিড-১৯ বা করোনার ভয়াল মৃত্যুছায়া। পাশ্চাত্য বিশ্বের মহাক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোতেই এর নির্বাধ প্রভাব যখন অত্যন্ত তীব্র, তখন অপেক্ষাকৃত কমজোর এবং আধাগরিব-গরিব দেশগুলোর পরিণতি কী হতে পারে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মোট ১৮৮টি দেশ ও অঞ্চল ধুঁকছে এই মৃত্যুজ্বরে।

আজ মৃত্যুই যেন আক্রান্ত মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ করছে। গতকাল বেলা ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ভয়াল করোনায় পৃথিবীতে মৃত্যু ঘটেছে ২১ লাখ ১৮ হাজার ৩৭০ জনের। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৯ কোটি ৮৮ লাখ ৩২ হাজার ৪৪০। তবে আশার কথা, আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের বেশি সুস্থ হয়ে উঠছেন। এতে ভাবতে পারি, করোনা নিঃসন্দেহে নিরাময়যোগ্য রোগ। এর জন্য দরকার সামাজিক দূরত্ব মেনে স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী চলা।

অন্যদিকে ক্ষমতাধর পরাশক্তি দেশগুলো এক অপরের ঘাড়ে এই বীভৎস করোনার প্রাদুর্ভাব ও বিস্তারের দায় চাপাতে ব্যস্ত। বস্তুত ক্ষতির ভাগটা তাদেরই বেশি। চীনের উহান থেকে এর যাত্রা শুরু হলেও যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জার্মানি, স্পেন, ব্রিটেন ও বেলজিয়ামের মতো সক্ষম রাষ্ট্রগুলোও আজ মৃত্যু ও করোনার বিস্তারের আশঙ্কায় জেরবার। পার্শ্ববর্তী ভারতের অবস্থাও নাজুক। মোটকথা ধনী-গরিব, পূর্ব-পশ্চিম, ধর্ম-অধর্ম ও ভালো-মন্দ বিবেচনা করার কোনো প্রয়োজন অনুভব করছে না অত্যন্ত সংক্রামক ব্যাধি কোভিড-১৯।

করোনা এমন এক অস্পৃশ্য রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে যে আক্রান্তকে চরম অবহেলা পোহাতে হয়। স্বজনরাও এই রোগী থেকে আলাদা হয়ে থাকেন। এমনকি মৃত্যুর পর শেষকৃত্য সম্পাদনেও চরম অযতœ পোহাতে হয় শবদেহটিকে। এমন দুঃসময়ে শুধু কাছে এসে দাঁড়ায় মহান মানবতা। সেই মানবতার পরমাত্মা হয়ে ওঠে নারী। যখন বিধিবদ্ধ কারণে রোগীর ছায়া থেকে দূরে থাকতে হয় স্নেহময়ী জননী, কন্য-জায়া-ভগ্নিদেরও, সেখানে অনাত্মীয়-অস্বজন হয়েও মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে এক অনাবিল মমতার টানে রোগীকে সুস্থ করে তোলার প্রাণান্ত চেষ্টা করে যান চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবীরা। বিশেষ করে নারী চিকিৎসকেরা মাতৃময়ী সত্তার আবেগে রোগীর নিরাময় ভাবনায় কাছে থেকে দায়িত্ব পালন করে যান। বিশেষ করে নারী রোগী সেরে ওঠার ক্ষেত্রে তাদের নিঃসংকোচ কর্মযজ্ঞ সুফল বয়ে আনে। ফলে মোট মৃত্যুর হিসেবে নারীমৃত্যুর হার অনেক কম। এদিকে সবচেয়ে মমতাময়ী ভূমিকা রাখেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের যোগ্যশিষ্যা মানবতার আলোর মেয়ে সেবিকারা। তাদের নিরন্তর সংস্রবময় জননীসুলভ সেবা মৃত্যুপথযাত্রী রোগীর অন্তর স্বস্তির স্বর্গীয় আবেশে ভরিয়ে তোলে। আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অগণিত বার্তা ভেসে আসছে, যেখানে নারী চিকিৎসক আর সেবিকাদের আত্মত্যাগের কাহিনি ফুটে উঠেছে। তারা শুধু সেবা নয়, মানুষকে এ রোগ থেকে বাঁচার নির্দেশনার পাশাপাশি সাহস জুগিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে বিদেশে চিকিৎসা ও সেবা পেশায় থাকা বাঙালি নারীদের আত্মনিবেদনের অপূর্ব মহিমাগাথা শুনে আমাদের আনন্দাশ্রু এসে যায়। পাশাপাশি গৃহ থেকেও প্রিয়জন নারী হাসপাতালে দায়িত্বপালনরত স্বজনকে কাজে প্রেরণাও দিয়ে চলেছেন। এমন অনেক খবর ও চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে উঠছে।

শুধু স্বাস্থ্যকর্মীরাই নয়, এই মারণ-মহামারিতে মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে দায়িত্বপালন করছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী, মহামারিকবলিত রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি না মানা মানুষদের ঘরে ফেরানোর কাজে নিরন্তর পথে পথে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ, মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে সংবাদ সংগ্রহে ব্যস্ত থাকা সাংবাদিক সমাজ, আনসার-গ্রামরক্ষী সদস্যবৃন্দ, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখার কারিগর লাখো গার্মেন্ট কর্মী, শিল্পে ও মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি এবং জনপ্রতিনিধিরা। কর্মক্ষেত্রে অসংখ্য নারীও দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। প্রশাসন, আইন ও বিচার, শিক্ষা, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, অর্থ, রাজনীতিসহ প্রতিটি শাখায় নারীর উজ্জ্বল উপস্থিতি প্রমাণ করে বাঙালি নারীর আলোর পথিকৃৎ রোকেয়ার স্বপ্নের পাখিরা আজ আপন ডানায় ভর করে উড়তে শিখেছে। প্রতিনিয়ত সংবাদ শিরোনামে মহামারি-সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপালনে উল্লিখিত পেশায় নিয়োজিতদের মানবিকতার চিত্র ভেসে আসার পাশাপাশি আমাদের কষ্টকর বেদনায় স্নাত করে কর্তব্যপালনে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তাদের কারও কারও মৃত্যুবরণের খবর। এসব করোনাযোদ্ধার মধ্যে অনেক নারীরাও রয়েছেন। আত্মদানকারী সেসব স্বাস্থ্যকর্মী, সেনা, পুলিশ ও সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত মহামারি যোদ্ধাসহ সব পেশাজীবী মৃত্যুঞ্জয়ী আত্মার প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা।

আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে নিয়ে আমরা গর্বিত এবং গৌরব অনুভব করি বাংলার দায়িত্বপরায়ণ নারীদের আত্মত্যাগ ও মহানুভবতার এবং সেইসঙ্গে আমরা বাংলাদেশের নিরন্তর শুভ কামনা জানাই আমাদের মমতাময়ী যোগ্য প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে। তার যোগ্য রাষ্ট্রপরিচালনা, দূরদর্শী উন্নয়নভাবনা, দেশপ্রেম, সততা, অসাম্প্রদায়িক মনোভঙ্গি, জনকল্যাণমুখী রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং নারীবান্ধব উন্নয়নচিন্তার ফলেই পুরুষের পাশাপাশি সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নারীর অবস্থান আজ বিরাজ করছে দেশীয় পরিমণ্ডল অতিক্রম করে বিশ্বজুড়ে দেশে দেশে। যদি মাত্র এক দশক পেছনের ছবির সঙ্গে বর্তমান বাংলাদেশকে বিচার করি, তাহলে দেখি কী এক হতশ্রী শূন্যতা থেকে এক আলোকিত পূর্ণতার দিকে আমরা এগিয়ে চলেছি। আজ বাংলাদেশের নারী প্রশাসন অর্থ, বিচার, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, চিকিৎসা ও রাজনীতির শীর্ষ শিখর ছুঁয়ে আছে। নারীর ক্ষমতায়নের প্রকৃষ্ট উদাহরণ আর কী হতে পারে! সবই সম্ভব হয়ে উঠেছে উন্নয়ন ও শান্তির বিশ্বনেত্রী মানবতার জননী বঙ্গবন্ধুকন্যার পরিকল্পিত নীতির কারণে।

এই মহামারিতেও তিনি দিবারাত্রি নিরলসভাবে ভিডিওকলে যুক্ত থেকেছেন দেশবাসীর খবর জানতে এবং তড়িৎগতিতে অসহায়দের দোরগোড়ায় ত্রাণ ও সেবা পৌঁছে দেয়াসহ স্বাস্থ্যসেবার যথোপযোগী ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়ে চলেছেন। জেলা-উপজেলা এমনকি প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের প্রতিও তার সজাগ দৃষ্টি সর্বক্ষণ। গার্মেন্ট শিল্পকে সচল রাখতে বিপুল আর্থিক প্রণোদনা, কৃষকের দুর্দশা মোচনে আর্থিক সহায়তা, স্বাস্থ্যকর্মীদের ঝুঁকিপূর্ণ মানবিক দায়িত্বপালনে প্রেরণা দিতে বিশেষ ভাতা, সর্বোপরি সাধারণ খেটেখাওয়া, অসহায় ও বিত্তহীন শ্রেণিকে খাদ্য, অর্থ, চিকিৎসাসেবা, বাসস্থানসহ যাবতীয় সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন এবং ঘোষণা দিয়েছেন যতদিন মহামারি না যায় ততদিন পর্যন্ত এই ত্রাণ বিতরণ চলবে। বিশ্বের বলশালী দেশগুলো যখন করোনার কবলে দিকহারা, ঠেকাতে পারছে না এই মহাদৈত্যকে, আর্থিক ক্ষতির প্রকোপে পড়ে মহামারির জন্য আর কাউকে ঘরে বসিয়ে রাখার পক্ষে মত দিতে অপারগ, খুলে দিচ্ছে উৎপাদনযন্ত্র, বাজার, অফিস-আদালতসহ যাবতীয় রাষ্ট্রীয় কর্মক্ষেত্র এবং জীবিকামাধ্যম; তখন আমাদের এই বিপুল জনসংখ্যা অধ্যুষিত উন্নয়নমুখী দেশটিকেও এগিয়ে নেয়ার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী মানবিক দিকটি চিন্তা করে ধীরগতিতে সিদ্ধান্ত নিতে আগ্রহী। সবার আগে জীবন। এই জীবন রক্ষা পেলে দেশ রক্ষা পাবে। এই নীতিতে বিশ্বাসী প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব পরিস্থিতির আলোকে যথোপযুক্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে জনমানুষের জীবিকার পথ ও রাষ্ট্রযন্ত্রের স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনতে চান। আমরা আশাবাদী স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে আমাদের নৈমিত্তিক জীবনের স্বাভাবিক কর্মধারা অব্যাহত রাখা সম্ভব এবং এই প্রক্রিয়ায় শিগগিরই আমরা পরিপূর্ণ নতুন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারব।

সবশেষে বলব, ‘বিশ্ব অবাক তাকিয়ে রয়’ কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের এই অভিব্যক্তির রূপায়ণ আমরা দেখতে পাই এদেশের বিস্ময়কর উন্নয়নচিত্র দেখে। তিনিই বাংলাদেশের নারীদের আলোকিত অনুপ্রেরণা। আমরা আশাবাদী তার নির্দেশিত পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে আলোর চূড়ান্ত ঠিকানায় এবং এই মহামারি করোনাকে আমরা অচিরেই অতিক্রম করব। জয় করব আগামীর যাবতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ। যাবতীয় অন্ধকার সরিয়ে বারবার জেগে উঠব নতুন বিস্ময়ে, নতুন অহমে ও বিশ্বাসে।

পিআইডি নিবন্ধ

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..