প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

শেয়ার বিজ ডেস্ক: গতকাল সকালে উত্তর কোরিয়া তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। খবর: বিবিসি।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানায়, এক ঘণ্টার মধ্যে পিয়ং ইয়ংয়ের সুনান থেকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে উত্তর কোরিয়া।

এ ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল বৈঠক করেছে। পরে দেশটির প্রেসিডেন্ট অফিস থেকে এই ঘটনাকে ‘গুরুতর উসকানিমূলক’ বলে জানানো হয়।

জাপান নিশ্চিত করেছে, বুধবার অন্তত দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে দেশটি এটাও স্বীকার করেছে, এর সংখ্যা বেশিও হতে পারে।

জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নোবুও কিশি বলেন, প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে এবং সর্বোচ্চ ৫৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছেছিল। দ্বিতীয়টি ৭৫০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে এবং ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছেছিল।

এ ঘটনাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ উল্লেখ করে জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এটি জাপান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা হুমকিতে ফেলবে।

এ ক্ষেপণাস্ত্র তিনটির মধ্যে একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কয়েক ঘণ্টা আগে ওই অঞ্চল সফরে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সফরকালে উত্তর কোরিয়াকে নিরস্ত্র করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এশিয়ায় প্রথম সফরে তিনি জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঁচ দিন কাটান। বাইডেনের সফরকালে উত্তর কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাতে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা আশঙ্কা করেছিলেন।

চলতি বছর শুরুর প্রথম দিন থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে আসছে উত্তর কোরিয়া। কভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব শুরু হলেও দেশটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা থেকে পিছিয়ে আসেনি। এমনকি গত ১২ মে প্রথম কভিড রোগী শনাক্তের দিনও দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জন উন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করান। অথচ মহামারির প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে দেশটি। এমনকি দেশটির আড়াই কোটি নাগরিকের কেউ কভিড

টিকা নেননি।