দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

খাত ঘুরে দাঁড়ানোয় বাজার ইতিবাচক

ব্যাংক ও আর্থিক

রুবাইয়াত রিক্তা: অবশেষে ডিসেম্বর ক্লোজিংয়ে ব্যাংক ও আর্থিক খাত ঘুরে দাঁড়ানোয় বাজারে ইতিবাচক গতি দেখা গেছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন প্রায় ১০০ কোটি টাকা বেড়ে ৫২১ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। প্রধান সূচক ২৭ পয়েন্ট ইতিবাচক হলেও কমেছে ডিএসইর শরিয়াহ্ ও ডিএস৩০ সূচক। এ দুই সূচকে অন্তর্ভুক্ত বেশিরভাগ কোম্পানির দরপতনের কারণে এ দুই সূচক নেতিবাচক অবস্থানে চলে যায়। তবে সূচকের আরও বড় উত্থানে বাধা দিয়েছে গ্রামীণফোনের ছয় টাকা ২০ পয়সা দরপতন। এছাড়া অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, ইউনাইটেড পাওয়ার, রেনাটার বড় দরপতনও সূচকের বড় উত্থানকে বাধাগ্রস্ত করে। 

ডিএসইতে মোট লেনদেনের ১৬ শতাংশ ছিল ব্যাংক খাতের দখলে। গতকাল এ খাতে লেনদেন বেড়েছে পাঁচ শতাংশ। একমাত্র শাহ্জালাল ব্যাংক দরপতনে ছিল। পূবালী ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের দর অপরিবর্তিত থাকে। বাকিগুলোর দর বেড়েছে। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের প্রায় ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৯০ পয়সা। প্রিমিয়ার ব্যাংকের আট কোটি ৮২ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৬০ পয়সা। আর্থিক খাতে পাঁচ শতাংশ বেড়ে লেনদেন হয় ১২ শতাংশ। এ খাতে ৮২ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের সাড়ে ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা ২০ পয়সা। লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের সোয়া ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ১০ পয়সা। ১০ শতাংশ বেড়ে দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে প্রিমিয়ার লিজিং। এছাড়া বিডি ফাইন্যান্সের দর ৯ দশমিক ৯০ শতাংশ, ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ৯ দশমিক শূন্য ৯, ফাস ফাইন্যান্সের আট দশমিক ৮২, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের দর আট দশমিক ৭৭ শতাংশ বেড়ে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় স্থান করে নেয়। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে ৫১ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ১০ শতাংশ বেড়ে জাহিন স্পিনিং দর বৃদ্ধির শীর্ষে এবং আট শতাংশ বেড়ে ফ্যামিলি টেক্সটাইল শীর্ষ দশে উঠে আসে। বিমা খাতে ১১ শতাংশ লেনদেন হলেও ৪৯ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। ৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেড়ে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স দর বৃদ্ধিতে চতুর্থ অবস্থানে উঠে আসে। কোম্পানিটির সাড়ে ১৩ কোটি টাকা লেনদেন হয়। ১০ শতাংশ করে লেনদেন হলেও প্রকৌশল ও ওষুধ খাতে অধিকাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। এদিন মিউচুয়াল ফান্ডের চাহিদা বেশি থাকায় এ খাতে ৬৫ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে উঠে আসে। সিমেন্ট খাতের লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের ২৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে অবস্থান করে। দর বেড়েছে ৮০ পয়সা। চামড়াশিল্প খাতের ফরচুন শুজের সোয়া ১৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দরপতন হয় ৭০ পয়সা। বিবিধ খাতের বেক্সিমকোর সাড়ে আট কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৯০ পয়সা। বাকি খাতগুলোয় দরপতনে আধিক্য ছিল। শতভাগ নেতিবাচক ছিল টেলিযোগাযোগ, কাগজ ও মুদ্রণ খাত।  

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..