দিনের খবর শেষ পাতা

গণপরিবহন চালু হওয়ায় দর্শনার্থী বেড়েছে গ্রন্থমেলায়

নিজস্ব প্রতিবেদক: কভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সরকারের দেয়া সাত দিনের লকডাউনের তৃতীয় দিনে গণপরিবহন চালু হওয়ায় গ্রন্থমেলায় দর্শনার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। এতে নিস্তব্ধ গ্রন্থমেলা গতকাল কিছুটা প্রাণ ফিরে পেয়েছে। স্টল ও প্যাভিলিয়নে দেখা গেছে দর্শনার্থীর আনাগোনা। ব্যস্ততা দেখা গেছে বিক্রয়কর্মীদের মাঝেও। বইপ্রেমীরা স্টল ও প্যাভিলিয়ন ঘুরে পছন্দের বই কিনছেন।

তবে ক্রেতাদের আনাগোনায় প্রকাশকদের মাঝে একটু স্বস্তি দেখা গেলেও, প্রত্যাশা অনুযায়ী ক্রেতা না থাকায় তারা হতাশ। এছাড়া তীব্র গরমে অস্বস্তিতে ছিলেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। গ্রন্থমেলা বেলা ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত করার দাবি জানিয়েছেন অনেকে।

ইউনিভার্সাল প্রকাশনীর এক বিক্রয় কর্মী জনান, দুপুর সাড়ে ১২টায় মেলা শুরু হলেও পাঠকরা আসেন ৩টা থেকে থেকে ৫টার মধ্যে। এ অবস্থায় আমাদের প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। আমাদের কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

অনুপ্রাণন প্রকাশনীর বিক্রয়কর্মী ইফফাত আরা বলেন, ‘গত দুদিনের চেয়ে আজ স্টলে কিছু পাঠক এসেছেন। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী অনেক কম। দর্শনার্থীরা আশা শুরু করেন বিকাল ৫টার দিকে, কিন্তু মেলা তখন বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া লকডাউনের মাঝে আমাদের অনেক কষ্ট করে প্রকাশনীতে আসতে হয়। মেলা ১২টায় শুরু হওয়ায় দুপুরের তীব্র রোদে অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়তে হয়। বিকাল থেকে মেলা শুরু হলে আমাদের কষ্ট হতো না।’

দ্য ইউনিভার্সাল পাবলিশিং একাডেমির প্রকাশক ও সৃজনশীল সাহিত্য উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি শিহাব উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘এবারের গ্রন্থমেলা প্রকাশকদের জন্য অত্যন্ত দুঃখের। আমরা কোনোমতে প্যাভিলিয়ন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। মেলা শেষে আমাদের ব্যয় উঠবে কি না সন্দেহ। তার মাঝে গত দুদিন লকডাউন থাকায় বেচাকেনা হয়নি। তবে আজ গণপরিবহন চালু থাকায় কিছুটা বেচাকেনা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মেলার এখন যে সময় এটা পাঠক ও প্রকাশকদের অনুকূলে না। এই সময় মানুষ এত গরমের মধ্যে দিয়ে আসতে চায় না। মেলা যদি আগের মতো ৩টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে করা হয়, তাহলে আমাদের জন্য সুবিধা হয়, পাঠকদের জন্যও আমি মনে করি সুবিধা হবে। বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত হলে ওই সময় ক্রেতারা ভিড় জমান, তখন আমাদেরও কিছু বেচাকেনা হয়।’

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
ট্যাগ ➧

সর্বশেষ..