শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
১০ মাঘ ১৪৩২ | ৫ শাবান ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

গর্ভফুল নিচে নামলে কি চিন্তার কারণ?

Share Biz Online Share Biz Online
রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫.৬:১০ অপরাহ্ণ
বিভাগ - স্বাস্থ্য ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
গর্ভফুল নিচে নামলে কি চিন্তার কারণ?
5
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

শেয়ার বিজ ডেস্ক : যে কোনো নারীর জন্য গর্ভধারণ এবং এই সময়টা অতিক্রম করা একটা আনন্দময় মুহূর্ত। তবে এসময় মা ও শিশুর সুস্থতার জন্য বাড়তি যত্নের প্রয়োজন পড়ে। মা ও শিশুর যত্ন নিয়ে চিকিৎসকরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাধ্যমে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। গর্ভধারণ নিয়ে প্রসূতি ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সাবরিনা সুলতানা মিষ্টি, তার ফেসবুক পোস্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। যে কোনো নারীর গর্ভধারণের সময় গর্ভফুল জরায়ুর নিচের দিকে থাকা কি ভয়ের কিছু কি না তা তুলে ধরেছেন তিনি।

তিনি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, সাধারণত জরায়ুর মধ্যে বাচ্চা থাকে সামনে আর ফুল থাকে পেছনে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সম্পূর্ণটাই থাকে সামনে, আর বাচ্চা পেছনে। অর্থাৎ নিচের দিকে এবং জরায়ুমুখের পেছনের দিকে। একে বলে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া পোস্টেরিওর। প্রশ্ন হলো, এই গর্ভফুল নিচের দিকে থাকা কি ভয়ের কোনো বিষয়?

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, গর্ভফুল নিচের দিকে থাকাকে বলে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া। প্রিভিয়া মানে সামনে। সাধারণত জরায়ুর মধ্যে বাচ্চা থাকে সামনে আর ফুল থাকে পেছনে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সম্পূর্ণটাই থাকে সামনে, আর বাচ্চা পেছনে। তাই একে বলে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া।গর্ভাবস্থায় ব্লিডিংয়ের তিন ভাগের এক ভাগই হয় এই প্লাসেন্টা প্রিভিয়ার জন্য। এটা কেন হয়, তার সুস্পষ্ট কোনো কারণ পাওয়া যায়নি। তবে বিজ্ঞানীদের কিছু ধারণা এতে কাজ করে। যেমন, তারা বলতে চেয়েছেন, ভ্রুণ (নিষিক্ত ডিম্ব) যখন জরায়ুর উপর দিকে যুক্ত হতে পারে না, তখন এটা জরায়ুর নিচের দিকে পড়ে যায় এবং সেখানেই যুক্ত হয়। একে বলে ড্রপিং ডাউন থিওরি। এ রকম আরও কয়েকটা কারণ তারা বলেছেন।

যাদের এই সমস্যা হয়,
১. যারা অনেকগুলো বাচ্চা ইতিমধ্যে নিয়েছেন।
২. মায়ের বয়স ৩৫ এর বেশি।
৩. পূর্বের সিজার বা জরায়ুর কোনো অপারেশন হলে।
৪. গর্ভফুল যদি অনেক বড় বা পর্দার মতো পাতলা হয়।
৫. সিগারেট বা তামাক সেবন করলে।
৬. পূর্বে কোনো ইচ্ছাকৃত গর্ভপাত বা কিউরেটেজ করলে।

গর্ভফুল নিচের দিকে থাকলেই কি ভয়ের?
উত্তর হলো, না। সবগুলো ভয়ের নয়। এটা চার ধরনের হয়। যথা:
১. লো-লাইং (অল্প মাত্রায় নিচে)
২. মার্জিনাল (জরায়ু মুখের সাথে লেগে আছে)
৩. আংশিক সেন্ট্রাল (আংশিক মুখ কাভার করেছে)
৪. টোটাল সেন্ট্রাল (সম্পূর্ণ মুখই ঢেকে ফেলেছে)

এই চার প্রকারের মধ্যে প্রথম দুই প্রকার হলে ভয়ের কিছু নেই, তবে সাবধানে থাকতে হবে৷ কিন্তু পরের দুই প্রকার হলে অবশ্যই সাবধানে থাকতে হবে। কারণ, ভয়টা এখানেই।

এর কারণ হলো, যখনই বাচ্চা বড় হতে শুরু করে এটা ওই ফুলের উপর চাপ দেয়, তখনই ব্লিডিং শুরু হয়। এটা কখন হবে, কী করলে হবে, কী করলে হবে না, নিশ্চিত করে কিছুই বলা যায় না। অদ্ভুত একটা ব্যাপার। মা ভয় পেয়ে যায়।

প্লাসেন্টা বা ফুলটা যেহেতু লোয়ার ইউটেরাইন সেগমেন্ট বা জরায়ুর নিচের দিকে থাকে এবং জরায়ুর নিচে অংশটা লম্বা হতে থাকে, কিন্তু প্লাসেন্টা সে তুলনায় বড় হয় না, তখনই সেখানে থাকা রক্তনালি ছিড়ে গিয়ে ব্লিডিং হয়৷

এই ব্লিডিং কি হবেই, নাকি প্রতিরোধের কোনো উপায় আছে?

সাধারণত প্রতিরোধযোগ্য না। তবে আঘাত যেন না লাগে সেটা নিশ্চিত করতে হবে৷ এ ক্ষেত্রে পুরো গর্ভাবস্থায় দৈহিক মিলন করা যাবে না।

এটা কি ভাল হবার কোনোই আশা নেই?
আছে। শতকরা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল উপরের দিকে উঠে যায়। ৩৭ সপ্তাহের দিকে দেখা যায়, এটা উপরের দিকে উঠে গিয়েছে।

একমাত্র উপসর্গ হলো মাসিকের রাস্তায় ব্লিডিং। যেটা হয় হঠাৎ, স্বতঃস্ফূর্ত, ব্যথাহীন এবং বারে বারে। রাতে ঘুমের মধ্যে সাধারণত বেশি ঘটে।

বারবার ব্লিডিং হতে থাকলে যে সমস্যাটি হয়, তা হলো স্বতঃস্ফূর্ত লেবার শুরু হয়ে যায়। জরায়ু মুখ খোলা শুরু করে এবং বাচ্চা নিচের দিকে নামতে শুরু করে। এমন হলে তখন মা ব্যথা অনুভব করেন।

লেবার শুরু হয়ে গেলে সত্যিই তা ভয়ের। কারণ, তখন বাচ্চা হয়ে গেলেও তা হয় খুবই প্রিম্যাচিউর বা অপরিপক্ক। এ সব বাচ্চাদের সেরেব্রাল পালসি বা অটিস্টিক হবার ঝুঁকি থাকে। বাচ্চাকে আইসিউতে নেয়া লাগতে পারে। অপর দিকে মায়েরও ব্লিডিং কন্ট্রোল করা মুশকিল হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে জরায়ু কেটে ফেলে দেয়ার ঘটনা ঘটে।

গর্ভফুল নিচে থাকলে স্বামীর করণীয়
১. নির্দিষ্ট দক্ষ গাইনাকোলোজিস্টের তত্ত্বাবধানে থাকা।
২. এম্বুলেন্সের নম্বর রাখা এবং দিন-রাত যে কোনো সময়ে যেন পাওয়া যায়, তা নিশ্চিত করা।
৩. রক্তদাতা প্রস্তুত রাখা।
৪. কিছু অর্থ সঞ্চয় রাখা।
৫. হাসপাতালে বেশ কয়েকবার যেতে হতে পারে, তার জন্য প্রস্তুত থাকা।
৬. সিজারের জন্য মানসিক প্রস্তুতি রাখা।
৭. সরকারি বা বেসরকারি যেখানেই হোক, একাধিক বিশেষজ্ঞ গাইনি সার্জনের সমন্বয়ে অপারেশন করার ব্যবস্থা। এতে লাভ আছে। মায়ের জরায়ু রক্ষা করা যায়।
৮. শিশু বিশেষজ্ঞকে বলে রাখা, যেন জন্মের পরপরই বাচ্চাকে একটু দেখে দেন।

এই সমস্যার জটিলতা কি কি?
সঠিকভাবে চিকিৎসা না নিলে বা আনুষাঙ্গিক ব্যবস্থা না নিলে মা এবং বাচ্চার বেশ কিছু ক্ষতি হয়ে যায়।

১. ব্লিডিং হতে হতে মা শকে (জীবন বিপন্ন) চলে যেতে পারে এবং মৃত্যু ঘটতে পারে।
২. সময়ের আগেই লেবার শুরু হওয়া।
৩. বাচ্চার পজিশন উল্টো হয়ে থাকা।
৪. জন্মের সময় প্রচুর রক্তক্ষরণ। এতেই গ্রাম-গঞ্জে অনেক মায়ের মৃত্যু হয়। কারণ গ্রামের ধাত্রীরা জানেনও না এই রোগ সম্পর্কে।
৫. জরায়ু ফেলে দিতে হতে পারে, যা মানসিকভাবে মা এবং তার পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
৬. পরবর্তী গর্ভের সময়ও একই রোগ হওয়া। শুধু তাই নয়, পরিস্থিতি আরেকটু জটিল হয়ে যায়।

বাচ্চার ক্ষতি
১. কম ওজনের শিশু জন্মানো।
২. অপরিপক্ক শিশু।
৩. জন্মগত ত্রুটি। স্বাভাবিকের তুলনায় তিন গুণ বেশি ঝুঁকি থাকে।
৪. জন্মের পরপর শ্বাসকষ্ট।
৫. মায়ের পেটেই মৃত্যু ঘটতে পারে।

অবশ্যই একজন দক্ষ গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসা করাতে হবে। তার পরামর্শ মতো চলতে হবে। পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। বাম কাতে শোবার চেষ্টা করতে হবে। এতে বাচ্চা রক্ত ভালভাবে পাবে এবং মায়েরও শ্বাসকষ্ট হবে না। অল্প পরিমাণে ঘনঘন খেতে হবে। তিন বেলার জায়গায় পাঁচ বা ছয় বেলা খেতে হবে। প্রতিবার খাওয়ার সময় বাচ্চার নড়াচড়া গুনতে হবে। গর্ভফুল নিচে থাকলে অবশ্যই সাবধানে থাকতে হবে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সমস্ত পরামর্শগুলো মেনে চলতে হবে। দুই থেকে তিন মাসের ধকল সামলাতে হতে পারে, সেভাবে শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক প্রস্তুতি রাখতে হবে।

এস এস/

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

দেশের সর্ববৃহৎ ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ প্লান্ট এখন ওয়ালটনে

Next Post

ওয়ার্ম আপ ছাড়া ব্যায়াম কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?

Related Posts

পত্রিকা

ফের কার্যাদেশ পেল আল-মদিনা ফার্মা

স্বাস্থ্য

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

জাতীয়

১৩ বছর পর পিপিপি থেকে বাদ খুলনার ২৫০ শয্যার হাসপাতাল

Next Post
ওয়ার্ম আপ ছাড়া ব্যায়াম কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?

ওয়ার্ম আপ ছাড়া ব্যায়াম কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

শীতের শেষ পিঠা মেলার আয়োজন হোটেল সারিনা ঢাকায়

শীতের শেষ পিঠা মেলার আয়োজন হোটেল সারিনা ঢাকায়

ইউক্রেনের কিয়েভ ও খারকিভে ব্যাপক হামলা রাশিয়ার

ইউক্রেনের কিয়েভ ও খারকিভে ব্যাপক হামলা রাশিয়ার

স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ‘বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন–২০২৬’ অনুষ্ঠিত হলো

স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ‘বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন–২০২৬’ অনুষ্ঠিত হলো

স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন ২০২৬

স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন ২০২৬

ইউসিবি কর্মীদের সন্তানের জন্য স্কলাস্টিকায় বিশেষ ছাড়

ইউসিবি কর্মীদের সন্তানের জন্য স্কলাস্টিকায় বিশেষ ছাড়




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩
৪৫৬৭৮৯১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET