মত-বিশ্লেষণ

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া নিশ্চিত করতে হবে

শিশু এবং পরিবারগুলো কীভাবে কভিড-১৯ সংক্রমণ থেকে নিজেদের এবং তাদের কমিউনিটিকে সুরক্ষিত রাখতে পারবে সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যাতে তারা পায়, তা নিশ্চিত করছে ইউনিসেফ।

২০২০ সালের বসন্তে কভিড-১৯-এর হুমকি সুস্পষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউনিসেফ ও তার সহযোগীরা ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে যোগাযোগ ও কমিউনিটির সম্পৃক্ততা, স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি, সুরক্ষা ও ওয়াশ পরিষেবা প্রদানসহ গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সর্বোচ্চ মাত্রায় অব্যাহত রাখতে এবং রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি শিশু এবং তাদের পরিবারগুলোর জন্য ঝুঁকি কমিয়ে আনতে বেশকিছু প্রতিরোধ ও পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

শিশু এবং পরিবারগুলো কীভাবে কভিড সংক্রমণ থেকে নিজেদের এবং তাদের কমিউনিটিকে সুরক্ষিত রাখতে পারবে সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যাতে তারা, পায় তা নিশ্চিত করছে ইউনিসেফ।

এই রোগের লক্ষণগুলো কী, কীভাবে এই রোগের সংক্রমণ রোধ করা যায় এবং কোথায় স্বাস্থ্যসেবার সন্ধান করতে হবেÑএ সংক্রান্ত বিষয়গুলো যাতে শিশু ও পরিবারগুলো বুঝতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য ২০০ ধর্মীয় নেতা ও স্বেচ্ছাসেবকসহ প্রশিক্ষিত ৬৫০ জনের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে ইউনিসেফ ও তার সহযোগী সংগঠনগুলো।

ইউনিসেফের সহযোগীরা রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিগুলোয় কভিড সম্পর্কিত তথ্য ছড়িয়ে দিতে রোহিঙ্গা, বার্মিজ ও বাংলা ভাষায় রেডিওতে অনুষ্ঠান প্রচার, ভিডিও, মোবাইল বার্তা ও লিফলেট ব্যবহার করে।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় কমিউনিটির ১ হাজার ১৪৬টি ইসলামিক কেন্দ্র কক্সবাজারের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে মসজিদভিত্তিক বার্তা প্রদানের মাধ্যমে পুরো জেলায় ১৯ লাখ মানুষকে সম্পৃক্ত করছে। শরণার্থী শিবিরগুলোয় মসজিদভিত্তিক বার্তা প্রদানের মাধ্যমে ৮ লাখ ৬০ হাজার মানুষের কাছে তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া কভিড মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপের অংশ হিসেবে শিক্ষাকেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষকরা পারিবারিক পর্যায়ে মা-বাবা ও যতœদানকারীদের সঙ্গে ছোট ছোট সচেতনতামূলক সেশনের সময় স্বাস্থ্যবিধি ও হাত ধোয়ার বার্তাগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরছেন।

আটটি শরণার্থী শিবিরে অবস্থানরত ২ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা, যাদের অর্ধেকের বেশিই শিশু, তারা যাতে পর্যাপ্ত নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও সাবান পায় তা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে ইউনিসেফ শিবিরগুলোয় নিয়মিত স্বাস্থ্যবিধি কার্যক্রম জোরদার করছে।

ইউনিসেফের তথ্য অবলম্বনে

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..