মত-বিশ্লেষণ

গোছালোভাবে সব কাজ করার পর অবসরও যেন থাকে

কিশোর বয়সিদের বিশেষ করে তাদের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হওয়া প্রয়োজন। আপনার কিশোর বয়সি সন্তানকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার অন্যান্য উপায়গুলোর মাধ্যমে সংযুক্ত হতে সহায়তা করুন। এটি এমন কিছু যা আপনারা একসঙ্গেও করতে পারেন!

গোছালো হওয়া: কভিড আমাদের প্রতিদিনের কাজ এবং বাড়ি ও স্কুলের রুটিন কেড়ে নিয়েছে। এটি শিশু, কিশোর এবং আপনার জন্য কঠিন সময়। নতুন রুটিন তৈরি করা এক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।

নমনীয় অথচ ধারাবাহিক দৈনিক রুটিন তৈরি করুন। আপনার ও আপনার শিশুসন্তানের জন্য এমন একটি সময়সূচি তৈরি করুন যেখানে গোছালোভাবে সব কাজ করার পর অবসর সময়ও থাকে। এটি শিশুদের আরও নিরাপদ বোধ করতে এবং আরও ভালো আচরণ করতে সহায়তা করবে।

শিশু বা কিশোর বয়সিরা স্কুলের সময়সূচি তৈরির মতো তাদের দিনের রুটিন তৈরিতে পরিকল্পনা দিয়ে সহায়তা করতে পারে। এটি তৈরিতে শিশুদের সহায়তা করলে তারা আরও ভালোভাবে এটি অনুসরণ করবে।

প্রতিদিন শরীর চর্চার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করুন। এটি মানসিক চাপ কমাতে এবং বাড়িতে থাকা শিশুদের প্রচুর শক্তি জোগাতে সহায়তা করে।

আপনার শিশুকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে শিক্ষা দিন। আপনার দেশের জন্য প্রযোজ্য হলে শিশুদের বাড়ির বাইরে নিয়ে যান। লোকজনের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য আপনি চিঠি লিখতে ও ছবিও আঁকতে পারেন। এগুলো আপনার বাড়ির বাইরে টাঙিয়ে রাখুন, যাতে অন্যরা দেখতে পারে!

আপনি কীভাবে আপনার সন্তানদের সুরক্ষিত রাখছেন, সে বিষয়ে কথা বলে তাদের আবার আশ্বস্ত করতে পারেন।

তাদের পরামর্শ শুনুন এবং সেগুলোকে গুরুত্বসহ নিন। হাত ধোয়া ও স্বাস্থ্যবিধির বিষয়গুলোকে মজার করে তুলুন। হাত ধোয়ার জন্য ২০ সেকেন্ডের একটি গান বানান। এর সঙ্গে কাজ যুক্ত করুন!

নিয়মিত হাত ধোয়ার জন্য শিশুদের পয়েন্ট দিন এবং প্রশংসা করুন। আমরা কত কম সংখ্যকবার আমাদের মুখমণ্ডল স্পর্শ করে থাকতে পারি, সেটা দেখার জন্য একটি খেলা তৈরি করুন এবং সবচেয়ে কম সংখ্যকবার যে স্পর্শ করবে, তার জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখুন। একজন আরেকজনের স্পর্শের বিষয়টি গণনা করতে পারেন।

ইউনিসেফের তথ্য অবলম্বনে

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..