প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের আইপিও অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ৪২৫ কোটি টাকার প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল বিএসইসির ৮২৭তম সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পুঁজিবাজার থেকে ৪২ কোটি ৫০ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৪২৫ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

পুঁজিবাজার থেকে ব্যাংকটি অর্থ উত্তোলন করে এসএমই, সরকারি সিকিউরিটিজ ও সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। কোম্পানিটির ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া নেট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৪২ পয়সায় (সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন ব্যতীত)। সর্বশেষ বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৯১ পয়সা। আর বিগত পাঁচ বছরের ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ দশমিক ০৮ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, কমিশন গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান-বিষয়ক জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংককে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস, ২০১৫-এর ধারা ৬(১) থেকে অব্যাহতি দিয়ে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের ২৫ শতাংশ শেয়ার অভিবাসী কর্মীদের জন্য বরাদ্দ রেখে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের অবশিষ্ট অংশের ৭৫ শতাংশ এনআরবি ব্যতীত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে এবং ২৫ শতাংশ যোগ্য বিনিয়োগকারীদের মাঝে বণ্টনের সিদ্ধান্ত এরই মধ্যে গৃহীত হয়েছে। এছাড়া সিদ্ধান্ত মোতাবেক অভিবাসী কর্মীদের কর্তৃক ২৫ শতাংশ আইপিও শেয়ার সাবস্ক্রিপশন পরিপূর্ণ না হলে, আনসাবস্ক্রাইবড অংশ অন্যান্য সাধারণ বিনিয়োগকারীর মাঝে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হবে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে যথাক্রমে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।