সারা বাংলা

চট্টগ্রাম-মাস্কাট রুটে সালাম এয়ারের ফ্লাইট শুরু আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম : ফ্লাইট দুবাই ও এয়ার এরাবিয়ার পর চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি ওমানের মাস্কাট রুটে ফ্লাইট চালু করছে ওমানের সালাম এয়ারলাইনস। আজ মাস্কাটের স্থানীয় সময় বেলা ১টা ৫৫ মিনিটে নতুন রুটের প্রথম ফ্লাইট নিয়ে উড়াল দেবেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আহমেদ। আর বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ শাহ আমানতে অবতরণ করবে ফ্লাইট। এরপর রাত সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম থেকে যাত্রী নিয়ে ফের মাস্কাটের উদ্দেশে রওনা দেবে ‘এয়ারবাস ৩২০’ উড়োজাহাজটি।
বাংলাদেশে নিযুক্ত হেড অব অপারেশন ম্যানেজার ইশতিয়াক হাফিজ শেয়ার বিজকে বলেন, একটি আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ সংস্থার সিইও’র ফ্লাইট চালিয়ে নতুন গন্তব্যে আসাকে এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রির জন্য বড় মাইলফলক। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামের মাস্কাটগামী যাত্রীদের সুবিধার্থে সরাসরি ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন সালাম এয়ার। এক বছরের বেশি সময় হলো ঢাকা থেকে মাস্কাট রুটে সালাম এয়ারলাইনসের প্রতিদিন একটি ফ্লাইট চলাচল করছে। চট্টগ্রাম থেকেও প্রতিদিন একটি ফ্লাইট চালুর অনুমোদন পেয়েছি আমরা। প্রাথমিক পর্যায়ে সপ্তাহে চারদিন চালু করছি। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রতিদিন চালু করব।’ রোব, সোম, বৃহস্পতি ও শুক্রবার সালাম এয়ার চট্টগ্রাম-মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করবে। নগরের আগ্রাবাদ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কাছেই প্রতিষ্ঠানটির চট্টগ্রাম কার্যালয় খোলা হয়েছে।
বর্তমানে সালাম এয়ারলাইনÑদুবাই, দোহা, জেদ্দা, করাচি, মুলতান, কাঠমান্ডু, ঢাকা, রিয়াদ, কুয়েত, আবুধাবি, তেহরান, ইস্তাম্বুলসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে চট্টগ্রাম-মাস্কাট রুটে রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, বেসরকারি রিজেন্ট এয়ারওয়েজ প্রতিদিন এবং ইউএস বাংলা সপ্তাহে চারদিন চলাচল করছে।দরকার। মানুষের সুস্থভাবে বেঁচে থাকা এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনের স্বার্থে জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা আবশ্যক। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজšে§র বেঁচে থাকার জন্য জীববৈচিত্র্যের প্রয়োজন। শুধু কয়েকটি আলোচিত প্রজাতি রক্ষা করলেই জীববৈচিত্র্য রক্ষা হয় না। জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হলে প্রয়োজন সব ধরনের জীব প্রজাতির ব্যাপারে সমান গুরুত্ব দেওয়া। এই কাজটি অচিরে শুরু করবে চসিক। তাই চট্টগ্রাম নগরে একটি জীববৈচিত্র্য সংগ্রহশালা (জাদুঘর) প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
চসিকের প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা সভায় সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বায়োডাইভারসিটি রিসার্চ গ্রুপ অব বাংলাদেশের (বিআরজিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. বদরুল আমিন ভূইয়া জীববৈচিত্র্যের জরিপ তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কামাল হোসাইন এবং চবির প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. ইসমাঈল মিয়া বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিআরজিবির সদস্য, জাইকা এবং ডিএফআইডির পরিবেশবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা প্রফেসর নোমান আহমদ সিদ্দিকী, ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী বিজ্ঞানী ড. শহিদুর রহমান এবং চট্টগ্রাম
কলেজের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের উম্মে হাবিবা রীমা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক ড. বদরুল আমিন ভুঁইয়া বলেন, শুল্কবহর ওয়ার্ডে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর চসিকের সঙ্গে বিআরজিবির এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির পর থেকে জীববৈচিত্র্য সার্ভে এবং কনজারভেশন কাজ শুরু করে বিআরজিবি। সম্প্রতি এই জরিপ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

সর্বশেষ..