প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

‘চনমনে থাকার জন্য কফির বিকল্প নেই’

সেকেন্ড কাপ কফি শপের এরিয়া ম্যানেজার চার্লস মিথুন। প্রতিষ্ঠানটির আদ্যোপান্ত নিয়ে কথা বলেছেন শেয়ার বিজের সঙ্গে

শেয়ার বিজ: বলতে গেলে কফি এখনও খুব একটা পরিচিত সংস্কৃতি নয় বাংলাদেশ। এটা জেনেও সেকেন্ড কাপ কফির যাত্রা। এটা কি একটু বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে গেলো না? একই সঙ্গে সেকেন্ড কাপ কফি সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দিন।

চার্লস মিথুন: প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশে কফির মার্কেট এখনও বিস্তৃত নয়। তবে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি একে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে পরিচিত করে তুলতে। আমাদের কাজ হচ্ছে, পরিচিত করে তোলা, মানুষকে কফি পানে অভ্যস্ত করে তোলা। তাই আমাদের মূল ফোকাসটা হচ্ছে ড্রিংকসে। এর বাইরে আমরা পেস্ট্রি, স্ন্যাকস ও লাইট ফুডও রাখি। এগুলো রাখার কারণ হচ্ছে, শুধু কফি পানে একঘেয়েমি আসতে পারে, বিরক্ত হতে পারেন অনেক ক্রেতা। এটাই স্বাভাবিক। সঙ্গে তাই হালকা খাবার থাকলে আরাম বোধ করবেন যে কেউ। এ পরিকল্পনা থেকে হালকা খাবার-দাবার রাখা হয়েছে। কোনো ভারি খাবার নেই এখানে।

শেয়ার বিজ: বর্তমানে আপনাদের কটি আউটলেট রয়েছে?

চার্লস মিথুন: বর্তমানে আমাদের দুটি আউটলেট রয়েছে। একটি বনানীতে। এটি আমাদের মাদার আউটলেট। আরেকটি উত্তরায়। এটি এ বছরের মার্চে চালু করেছি।

শেয়ার বিজ: নতুন আউটলেটের পরিকল্পনা কী?

চার্লস মিথুন: রাজধানীর ধানমন্ডিতে আমাদের নতুন আউটলেট খোলার কাজ প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া পুরো ঢাকায় ছোট কয়েকটি আউটলেট খোলার পরিকল্পনা করছি।

শেয়ার বিজ: নতুন একটি খাদ্যাভ্যাস এটি। এ নিয়ে ব্যবসায়িকভাবে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছেন কী?

চার্লস মিথুন: না। ব্যবসায় খুব একটা সমস্যা হচ্ছে না। আমাদের দেশের মানুষ এখনও কফিতে খুব একটা অভ্যস্ত নয়। তবে আশার বিষয়, এটি একটি ভালো পানীয়। ঢাকার মানুষ ধীরে ধীরে তা বুঝতে শুরু করেছে। গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ধানমন্ডির অনেকেই অফিসে ঢোকার আগে, লাঞ্চের পর কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় কফিটাকে বেছে নেন। একটু সময় কাটানোর জন্য কোথাও বসার জায়গা হিসেবে কফি শপকে বেছে নেওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। অর্থাৎ কফির চল বাড়ছে। আসলে অনেকে চান, ফুরফুরে ভাবটা যেন অক্ষুণœ থাকে। কফি এক্ষেত্রে বেশ সহায়ক। চনমনে থাকার জন্য কফির বিকল্প নেই।

শেয়ার বিজ: কেমন সাড়া মিলছে?

চার্লস মিথুন: খুব কম নয়। আবার আহামরিও নয়। তবে ঢাকার অন্য জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া গেলে আরও সাড়া পাওয়া যাবে বলে আমার বিশ্বাস।

 

শেয়ার বিজ: কানাডিয়ান প্রিমিয়াম কফি ব্র্যান্ড এটি। চলছেও তাদের পরামর্শ অনুযায়ী। বাংলাদেশে ব্র্যান্ডটি নিয়ে আপনাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

চার্লস মিথুন: প্রথমে রাজধানী। এরপর বিভাগীয় শহর। তারপর জেলা শহরে আউটলেট খোলার ইচ্ছে রয়েছে। আউটলেটগুলো আকারে ছোট হবে। আমরা প্রকৃত অর্থে মানুষকে কফির স্বাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে চাই। আমাদের সাব-ফ্র্যাঞ্চাইজি দেওয়ার সুযোগ আছে। আমরা সেভাবেই এগোচ্ছি। এখন পর্যন্ত ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কায় সাব-ফ্র্যাঞ্চাইজি দিতে পারবো।