সুস্বাস্থ্য

চর্ব্য-চোষ্য-লেহ্য-পেয়: দিনে একটি পেয়ারা

স্বাদ ও গুণে উৎকৃষ্ট ফল পেয়ারা। দৈনিক একটি পেয়ারা আমাদের অনেক শারীরিক সমস্যা থেকে দূরে রাখতে পারে। ফলটির পুষ্টিগুণ দেখে নিন

কমলার চেয়ে চারগুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে এ ফলে

লাইকোপেন, কুয়েরসেটিন, ভিটামিন ‘সি’ ও অন্য পলিফেনল প্রভৃতি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে পেয়ারায়। এসব উপাদান দেহকে রেডিক্যালমুক্ত রাখে। ফলে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়

ডায়াবেটিস রোগীর জন্য আদর্শ ফল পেয়ারা। এতে কম মাত্রার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স রয়েছে। এছাড়া পেয়ারা পাতার চা ডায়াবেটিসের জন্য বিশেষ উপকারী

দেহে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে। এসব উপাদান রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে সুস্থ থাকে হƒদ্যন্ত্র

অন্য অনেক ফলের তুলনায় পেয়ারায় আঁশের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। এ কারণে হজম শক্তি বাড়ে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়

পেয়ারায় ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। চোখের যতেœ ভীষণ উপকারী ভিটামিনটি

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত পেয়ারা খেতে পারেন

ফলিক এসিড রয়েছে পেয়ারায়। ফলিক এসিড কিংবা ভিটামিন বি-৯ গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক ও স্নায়ুরুজ্জু গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। গর্ভ ধারণের এক মাস আগে থেকে প্রতিদিন অন্তত ৪০০ গ্রাম ফলিক এসিড গ্রহণ করলে অনাগত শিশুর জš§গত ত্রুটির আশঙ্কা অনেক কমে

ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে পেয়ারা। ফলে দাঁত ও মাড়ির জীবাণু, ইনফেকশন দূর হয়। মুখের আলসার উপশম করে

এর ম্যাগনেসিয়াম মাংসপেশি ও স্নায়ু শিথিল করে। ফলে দূর হয় শারীরিক ও মানসিক চাপ

মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে

পেয়ারা। তাই ওজন কমানোর জন্য নিয়মিত প্রতিদিন একটি করে পেয়ারা খেতে পারেন

কপার রয়েছে পেয়ারায়। উপাদানটি থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে

ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যারোটিন ও লাইকোপেন ত্বকের বলিরেখা দূর করে

 

 

 

 

 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..