দিনের খবর প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

চার কার্যদিবস ধরে একই গতিতে বাজার

রুবাইয়াত রিক্তা: চলতি সপ্তাহজুড়ে বড় পতনের কবলে পুঁজিবাজার। চলতি সপ্তাহে চার কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। আর এ চার দিনেই বাজার পতনের হার একই ছিল। প্রথম কার্যদিবস রোববার প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৫৯ পয়েন্ট। লেনদেন হয় ২৯২ কোটি টাকা। গত সোমবার কমেছে ৬৮ পয়েন্ট। লেনদেন হয় ৩৭৫ কোটি টাকা। মঙ্গলবার সূচক কমেছে ৫০ পয়েন্ট। লেনদেন হয় ৩২৭ কোটি টাকা। গতকাল লেনদেন নেমে আসে ২৮০ কোটি টাকায়। সূচক কমল ৫৩ পয়েন্ট। গত চার দিনে সূচক নামল ২৩০ পয়েন্ট। ২০১০ সালের ধসের পরও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের গড় লেনদেন ২০০ বা ৩০০ কোটিতে নামেনি। অথচ চলতি বছরজুড়ে ডিএসইর লেনদেন ২০০-৩০০ কোটির ঘরে ঘুরপাক খাচ্ছে। অথচ এ ১০ বছরে অনেক নতুন কোম্পানি বাজারে এসেছে। কিন্তু বাজারের গতি না বেড়ে ১০ বছরের বেশি পিছিয়ে গেছে।

১২ শতাংশ করে লেনদেন হয় প্রকৌশল ও ব্যাংক খাতে। প্রকৌশল খাতে ৭৪ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। ওয়েস্টার্ন মেরিনের পাঁচ কোটি ২০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ১০ পয়সা। দুই দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়ে ইয়াকিন পলিমার দর বৃদ্ধিতে অষ্টম অবস্থানে উঠে আসে। ব্যাংক খাতে ৫৩ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। ব্র্যাক ব্যাংকের ১২ কোটি ২৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা ৯০ পয়সা। প্রতিষ্ঠানটি দর বৃদ্ধিতে চতুর্থ অবস্থানে ছিল। সিটি ব্যাংকের দর দুই দশমিক ৮৫ শতাংশ বেড়ে দর বৃদ্ধিতে ষষ্ঠ অবস্থানে উঠে আসে। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে ৮৪ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। স্কয়ার ফার্মার আট কোটি ২৮ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় ছয় টাকা ৪০ পয়সা। বীকন ফার্মার ছয় কোটি ১৬ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় ৫০ পয়সা। বিমা খাতে লেনদেন হয় ১০ শতাংশ। এ খাতের পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের চার কোটি ৭০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় ৮০ পয়সা। পৌনে তিন শতাংশ বেড়ে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। বস্ত্র খাতে ৭১ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে ম্যাকসন্স স্পিনিং। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে একমাত্র ইউনাইটেড পাওয়ার ছাড়া বাকি সব কোম্পানি দরপতনে ছিল। দুই দশমিক ৭৯ শতাংশ বেড়ে ইউনাইটেড পাওয়ার দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। এছাড়া দেড় টাকা দরপতনে থাকা খুলনা পাওয়ারের ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। সিমেন্ট খাতের লাফার্জহোলসিমের প্রায় ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় এক টাকা ৮০ পয়সা। তিন টাকা ৯০ পয়সা বেড়ে এডিএন টেলিকম দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। লেনদেন হয় ১৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের ১২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ২৮ টাকা ৯০ পয়সা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..