শেষ পাতা

চীন থেকে সুতার বদলে এলো বালি-মাটি

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস

নিজস্ব প্রতিবেদন, চট্টগ্রাম: এনজেড এক্সেসরিজ লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান বন্ডের আওতায় চীন থেকে ২৫ টন সুতা আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলেছিল। কিন্তু সুতার পরিবর্তে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে এক কনটেইনার বালি ও মাটি। গতকাল বিকালে চট্টগ্রাম বন্দরে এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ধরা পড়ে কাস্টম হাউস কর্মকর্তাদের হাতে। ধারণা করা হচ্ছে, এমন জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ পাচার করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে চীন থেকে থরস্বিন্ড নামের একটি জাহাজ আসে। ওই জাহাজে এনজেড এক্সেসরিজ লিমিটেড চীনের সিঞ্জটাই ইয়ামেইজহি টেক্সটাইল কো. লিমিটেড থেকে ২৫ টনের এক কনটেইনার সুতা আসার কথা ছিল। কিন্তু কাস্টমসের কাছে গোপন সংবাদ ছিল যে, চালানটিতে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য রয়েছে। তার ভিত্তিতে গতকাল চালানটি জব্দ করা হয়। তারপর কায়িক পরীক্ষায় ওই কনটেইনারে সুতার পরিবর্তে বালি-মাটি পাওয়া যায়। তবে বৃষ্টির কারণে গতকাল কন্টেইনারটির শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করা হয়নি। আজ সকালে বাকিটা পরীক্ষা করা হবে।
আমদানিকারক এ চালানের বিপরীতে আমদানি মূল্য দেখিয়েছে ২৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। যার বিপরীতে শুল্ক আসে ১৬ লাখ ১৬ হাজার ৮৯৮ টাকা। আর চালানের জন্য এক্সিম ব্যাংক থেকে এলসি করা হয়েছিল। কনটেইনারটি খালাসের দায়িত্বে ছিল আগ্রাবাদের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কালকিনি কমার্শিয়াল এজেন্সিজ লিমিটেড।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর শাখার দায়িত্বে থাকা উপকমিশনার নূর উদ্দিন মিলন শেয়ার বিজকে বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি মানি লন্ডারিং (অর্থ পাচার)। তবে ব্যাংকে আমদানি ঋণপত্রের বিপরীতে টাকা পরিশোধ হয়েছে কি না, আমদানিকারকের অতীত রেকর্ড, রফতানিকারকের ভুল বা প্রতারণা প্রভৃতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সর্বশেষ..