সুশিক্ষা

চুয়েটে শামসেন নাহার খান হলের উদ্বোধন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সম্প্রতি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী শিল্প পরিবার এ কে খান ফাউন্ডেশনের অর্থায়ন এবং চুয়েটের গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের সহযোগিতায় নতুন একটি আবাসিক ছাত্রী হল উদ্বোধন করা হয়েছে। ‘শামসেন নাহার খান হল’ নামে এ হলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম. এ. মান্নান। তিনি বলেন, ‘চুয়েট একটি সুন্দর ক্যাম্পাস, সাজানো-গোছানো। শিক্ষার চমৎকার পরিবেশ বিরাজ করছে এখানে।’

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে শামসেন নাহার খান হল প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ রেলপথ-বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়েশা খান, কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশের মোহাম্মদ মুসলিম উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান মো. জহিরুল আলম দোভাষ ও এ কে ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি সেক্রেটারি সালাহউদ্দিন কাসেম খান।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পাল। নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এটিএম শাহজাহান ও মানবিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাহিদা সুলতানার যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এ কে খান ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি এম জিয়াউদ্দিন খান, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক, শামসেন নাহার খান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফিন ও সুফিয়া কামাল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ফারজানা রহমান যূথী। অনুষ্ঠানের শুরুতে এ কে খান ও শামসেন নাহার খানের জীবনী তুলে ধরেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আশরাফুল জান্নাত ও ফাহমিদা হামিদ।

প্রায় ১৮ কোটি ব্যয়ে এক লাখ বর্গফুট আয়তনের ছয়তলাবিশিষ্ট (বেজমেন্টসহ) সবুজে ঘেরা হলটি যেন আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর একটি অপূর্ব নিদর্শন। হলটিতে ৫০০ ছাত্রীর আবাসনসুবিধা রয়েছে। হলটির নকশা করেছেন চুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক স্থপতি বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস ও স্থপতি সজীব পাল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ওয়াসিকা আয়েশা খান বলেন, বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় নারীশিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। চুয়েটের মেয়েরা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করি।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, চুয়েটের মেয়েদের আবাসিক হলে আর আসন সংকট থাকবে না। এ মহতী উদ্যোগের জন্য এ কে খান ফাউন্ডেশনের সব ট্রাস্টিসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..