প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে বাটা শু

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরের ঘোষিত চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে বাটা শু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানির চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস ট্রান্সফার নেটওয়ার্কের (বিইএফটিআই) মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়েছে।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি ১০৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর আগে তারা ২২৫ শতাংশ নগদ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা করে। তাই ২০১৬ সালে কোম্পানিটি মোট ৩৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৬ টাকা ২৪ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ২৫৯ টাকা ৯৮ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ১০৪ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার টাকা।

ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (ইসিআরএল) ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় অনুযায়ী কোম্পানিটি রেটিং পেয়েছে ‘এএএ’। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ এবং ২৯ এপ্রিল ২০১৭ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের দায়ের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।

কোম্পানিটি ১৯৮৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দশমিক ৪৪ শতাংশ বা পাঁচ টাকা বেড়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ এক হাজার ১৫০ টাকা ১০ পয়সায়  হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল এক হাজার ১৪৬ টাকা ৩০ পয়সা। দিনজুড়ে ২৪৭টি শেয়ার মোট ১৪ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর দুই লাখ ৮৩ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ এক হাজার ১৪১ টাকা ১০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ১৫০ টাকা ১০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর এক হাজার ১০৫ টাকা থেকে এক হাজার ২২৮ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠানামা করে।

২০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে কোম্পানিটি ৩২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। আলোচ্য সময় ইপিএস ছিল ৬০ টাকা ৮০ পয়সা এবং এনএভি ২১৬ টাকা ৭৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ৫১ টাকা ২২ পয়সা ও ১৮৭ টাকা ৯৪ পয়সা। ওই সময়ে কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ৮৩ কোটি ১৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ৭০ কোটি ছয় লাখ ৭০ হাজার টাকা।

চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইপিএস হয়েছে ১২ টাকা ৫৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১১ টাকা ৬০ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে ৯৫ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ২৭২ টাকা ৫৩ পয়সা। এটি  আগের বছর ছিল ২২৮ টাকা ৩৫ পয়সা। কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ১৭ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

কোম্পানির মোট এক কোটি ৩৬ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার রয়েছে। মোট শেয়ারের মধ্যে ৭০ শতাংশ উদ্যোক্তা ও পরিচালক, ১৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক, দুই দশমিক ৮৩ শতাংশ বিদেশি ও ১০ দশমিক ২০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে।