সারা বাংলা

চোরাচালান ছেড়ে সবজি চাষে কর্মসংস্থান

প্রতিনিধি, বেনাপোল : যশোরের শার্শা সীমান্তের রুদ্রপুর গ্রামে চোরাচালানি কারবার ছেড়ে সবজি চাষে ঝুঁকেছেন অনেকে। তারা ভারতীয় গরু টানার কাজসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান কাজে জড়িত ছিলেন। গ্রামটি সীমান্তবর্তী হওয়ায় চোরাচালানে জড়িয়ে পড়ে গ্রামের অধিকাংশ লোকজন।

মামলায় জর্জরিত গ্রামবাসীর অনেকেই এখন তাদের চোরাচালান পেশা ছেড়ে ফিরে এসেছে সবজি চাষে। সবজি চাষ করে এখন তারা স্বাবলম্বী এবং সুস্থ জীবনযাপন করছেন। বদলে নিয়েছেন তাদের জীবন।

সীমান্তের ২০০ গজের ভেতরে পাটসহ কোনো উঁচু গাছ বা ফসল লাগানো নিষেধ রয়েছে বিজিবির। তাই তারা সীমান্তের ধার ঘেঁষে এখন পটোল, উচ্ছে, বেগুন, কাঁচা, টমেটো, মরিচসহ নানা ধরনের সবজির চাষ করছেন। তবে পটোল চাষে মানুষের আগ্রহ বেশি।

রুদ্রপুর ক্যাম্পের পূর্বপাশ থেকে খালমুখ পর্যন্ত সীমান্তসংলগ্ন সারা মাঠেই পটোলের চাষ। ক্যাম্পের পশ্চিম পাশের সীমান্তসংলগ্ন সব জমিতে একই কায়দায় পটোলের চাষ চলছে। ফলে চোরাচালান ও গরু টানা কাজে আর কেউ যেতে চাইছেন না। তাদের জীবন কাটছে এখন সুস্থভাবে।

শার্শার বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক (তদন্ত) সুকদেব রায় জানান, সীমান্তে চোরাচালান ও গরু পাচার বন্ধে বিজিবির পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সীমান্তের মানুষকে সভার মাধ্যমে সচেতন করে গড়ে তোলা হচ্ছে। এখন আর কেউ গরু আনতে ভারত সীমান্তে যাচ্ছেন না।

শার্শা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা হীরক কুমার সরকার জানান, শার্শা সীমান্তে যারা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত তাদের অধিকাংশই এখন সবজি চাষে মাঠে কাজ করছেন। সবজিসহ বিভিন্ন চাষাবাদে মনোযোগী হয়েছেন।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..