ছাত্র অধিকার পরিষদের ২০ নেতাকর্মীর জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: গতকাল রোববার বেলা সাড়ে ৩টায় মহানগর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারক কেএম ইমরুল কায়েসের আদালতে  ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের কারাবন্দি ২০ জন নেতাকর্মীদের জামিনের শুনানি হয়। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্যে কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ডাকসুর সাবেক ভিপি নূরুল হক নূর।

আসামিদের পক্ষে মামলা শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, অ্যাডভোকেট এমাদুল বশীর ও অ্যাডভোকেট খাদেমুল ইসলাম।

গত ২৫ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন উপলক্ষে ছাত্র অধিকার পরিষদের ৫৬ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে মতিঝিল থানায় ৪২(৩)২১ মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়। জেল খেটে অনেকে জামিন পেলেও আদালত এ ২০ জনের জামিন নামঞ্জুর করেন।

তাই গতকাল ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নাগরিক হিসেবে মামলার জামিনের শুনানিতে আদালতের অনুমতি নিয়ে কথা বলতে চাইলে তাকে কথা বলার অনুমতি দেয়া হয়।

শুনানি শেষে আদালতের বাইরে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ছাত্র অধিকার পরিষদের বিচার কার্যক্রম আমার কোর্টে থাকার কথা ছিল এবং আমি ছিলাম। হ্যাঁ আমি কথা বলার সুযোগ পেয়েছি কারণ আমি সেখানে বসেছিলাম। বিচারক বলেছিলেন আমি পার্টি কিনা। উনাদের একটা অভ্যাস লইয়ার ছাড়া কাউকে কথা বলার সুযোগ দেয় না। তবে আমি চাইছিলাম, জজ সাহেবের কাছ যেন নাগরিক হিসেবে দুই মিনিট কথা বলার সুযোগ দেন।’

তিনি বলেন, ‘কথা বলা আমাদের নাগরিক অধিকার, তারা (ছাত্ররা) সেটাই করেছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘আইনের শাসন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছি, আমরা কথা রাখতে পেরেছি। বিচারকের দায়িত্ব আমাকে কথা বলতে দেয়া। তিনি কথা বলতে দিয়েছেন এবং শুনেছেন, বাকি কি করবেন জানি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্ররা স্লোগান দিয়েছে বা গালি দেয়ায় ছয় মাস জেলে থাকতে হবে? এটা কি বিচার, এ জাতীয় বিচার ব্যবস্থা জঙ্গিবাদ।’

এ সময় পাশে থাকা আইনজীবী বলেন, আদালত ২০ জনেরই জামিন মঞ্জুর করেছেন।

বিষয় ➧

সর্বশেষ..