ছুটির দিনে বাণিজ্যমেলায় ক্রেতাদের ভিড়

স্বাস্থ্যবিধিতে কড়াকড়ি

নিজস্ব প্রতিবেদক: পূর্বাচলে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় শুক্রবার ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপচেপড়া ভিড় ছিল। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে গেছেন। একই সঙ্গে মেলায় কঠোরভাবে মানা হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি।

শুক্রবার মেলায় দেখা গেছে, সেখানে প্রবেশ মুখেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে, যারা মাস্ক পরেননি তাদের দেয়া হচ্ছে মাস্ক।

২৬তম আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা হচ্ছে পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি)। প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে খোলা থাকছে রাত ৯টা পর্যন্ত। তবে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। মেলার প্রবেশমূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের ৪০ টাকা ও শিশুদের ২০ টাকা ধরা হয়েছে।

মেলা কর্তৃপক্ষ বলছে, এখন চলছে সরকারের বিধিনিষেধ। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানার কথা বলা রয়েছে। তাই বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এ নির্দেশনা। আনসার, স্কাউট মেলায় আগতদের স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে নজর রাখছেন। মাস্ক ছাড়া কেউ ঘোরাঘুরি করতে পারছেন না।

বিক্রেতারা বলছেন, শহর থেকে কিছুটা দূরে হওয়ায় অন্যান্য দিনগুলোতে ক্রেতাদের সংখ্যা খুব কম থাকে। ছুটির দিনে মেলা জমে বেশি। সকাল থেকেই ক্রেতাদের উপস্থিতি ভালো। বেচাবিক্রিও ভালো কিছুটা। অন্যান্য দিনের তুলনায় বিক্রি কয়েকগুণ বেশি হচ্ছে। আর মেলায় আগতদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে মেলা কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি বিক্রেতারাও অনুরোধ জানাচ্ছেন।

মেলায় ঘুরতে আসা তানভীর তন্ময় বলেন, পরিবারের সবাইকে নিয়ে এসেছি। আগে ঢাকায় হতো, তখন তো মেলায় ঢুকতে অনেক কষ্ট হতো। এখন সেখান থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। তবে কভিডের কারণে রয়েছে কিছুটা আতঙ্ক। গেটে দেখলাম মাস্ক ছাড়া ঢুকতে দিচ্ছে না, মাস্ক পরতে বলছে। আর বাণিজ্যমেলায় সবাই আসে বিভিন্ন অফারে ভালো পণ্য কিনতে, আমরাও সেজন্য এসেছি। দেখা যাক কি কেনা যায়।

হোম টেক্সটাইলের সেলসম্যান আবদুল জলিল বলেন, অন্যান্য সময় সারাদিনে যা বিক্রি হয় দুপুরের মধ্যে তার চেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে। ছুটির দিনে বিক্রি কিছুটা বেশি। সকাল থেকেই ক্রেতাদের ভিড়। আশা করি রাত পর্যন্ত ভালো বিক্রি হবে।

সার্বিক বিষয়ে বাণিজ্যমেলার পরিচালক ও বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সচিব ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘অন্যান্য দিনের তুলনায় মেলায় ক্রেতাদের সংখ্যা বেশি। তাদের স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। আমাদের ৩০ জন আনসার, ২৫ জন স্কাউট রয়েছে। এছাড়া প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ লোক মাস্ক পরার জন্য মানুষকে সচেতন করছে। মাইকিং করছি স্বাস্থ্যবিধি মানতে। যাদের সঙ্গে মাস্ক একেবারে নেই তাদের মাস্ক দিচ্ছি।’

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন   ❑ পড়েছেন  ৯১১০  জন  

সর্বশেষ..