মত-বিশ্লেষণ

জনপ্রিয়তাবাদ: রোগ নাকি আরোগ্য?

জন লিওইড: ইদানীং রাজনীতিতে নতুন এক ধারা সৃষ্টিকারী মতবাদ হলো পপুলিজম। বাংলায় অনেকে জনপ্রিয়তাবাদ বলেন। এর রয়েছে জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক মোড়ক, আছে স্বৈরতন্ত্রের নেতৃত্ব। দুনিয়াজুড়ে অনেক জায়গায় এটা জনপ্রিয়তাবাদী জাতীয়তাবাদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে, যা পপুলিজমের প্রাথমিক স্তর। এ স্তরটিকে কৈশোরের বালাই বলে মনে হয়। তবুও একসময় এই দশা উতরে গিয়ে ঠিকই সুশৃঙ্খল ও চিন্তাপ্রসূত পরিপক্বতায় সফল হওয়া যাবে। কিন্তু পৃথিবীর এক চূড়ান্ত পরিণতিতে এই ধারাটি দুনিয়ার পরিবর্তিত রাজনীতিকে দেখে কেবল হতাশ হবে। মনে রাখতে হবে পৃথিবীর রাজনীতিতে ইতোমধ্যে পরিবর্তন এসেছে। উদারতাবাদকে রাজনীতির অকৃতকার্য দশা বলে অনেকে সংজ্ঞায়িত করছেন। কিন্তু এখনও সে অবস্থা সৃষ্টি হয়নি। মূল ধারার রাজনীতিকরা এখন একটি যুদ্ধবলয়ের মধ্যে

অবস্থান করছে। প্রতিপক্ষ হলো তরুণ প্রতিযোগী সমাজ যারা বিজয়ের রজ্জু ধরে হালকা হাওয়া ভেসে বেড়ানো প্রজন্ম।

এসব নিয়েই একটি বই প্রকাশ পেল: ‘ন্যাশনাল পপুলিজম’। লিখেছেন রজার ইটওয়েল ও ম্যাথিউ গুডউইন। তারা উভয়েই ব্রিটিশ শিক্ষাবিদ। কোনো রাজনৈতিক হুমকির তোয়াক্কা না করে তারা বলেছেন, উদারপন্থি বিরোধী একটি রাজনৈতিক ধারা এখন গজিয়ে উঠছে। কিন্তু অন্য লেখকেরা একটু ভিন্ন ধাঁচে বিষয়টি উপস্থাপন করেন। ইয়াসচা মঙ্ক তাদের মধ্যে একজন। তিনি লিখেছেন ‘দ্য পিপল ভার্সাস ডেমোক্রেসি’। এই লেখক ও তার অনুবর্তিরা কাউকে সতর্ক করার জন্য কিংবা কাউকে সন্দেহ করার জন্য লেখেননি। তারা আসলে একটি উপলব্ধির জায়গাকে তুলে ধরেছেন। এমনকি তারা এমন এক আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছেন, যারা ‘দূরবর্তী ও জবাবদিহিমূলক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ওপর জাতির শ্রেষ্ঠত্বকে’ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চায় এবং ‘বিভিন্ন সংস্থা থেকে বিরামহীনভাবে ছড়িয়ে দেওয়া ঐক্য বিনষ্টকারী অস্থিরতার বিপরীতে স্থায়িত্ব ও সাদৃশ্যের গুরুত্ব’ পুনরায় জোরগলায় বলতে চায়।

জাতীয়তাবাদের এই লক্ষ্যগুলো উপেক্ষিত হবে না, কেননা নি¤œশ্রেণির লোকদের একটি সমর্থন এখানে থাকবে। এর কারণ দশকের পর দশক ধরে তারা ছিল প্রান্তিক ও অর্থনৈতিক বন্ধ্যাত্বের শিকার। এই সূত্রে ও তাদের ভাষায়, ‘জাতীয়তাবাদ কোনো রোগের নাম নয়, বরং এটা হলো আরোগ্য।’ এ বিষয়ে সর্বপ্রথম যারা লেখেন তাদের মধ্যে থমাস ফ্রাঙ্কের নাম চলে আসে। তিনিই প্রথম জনপ্রিয়তাবাদের উত্থান অনুসন্ধান করেন এবং ‘হোয়াট’স দ্য ম্যাটার উইথ কানসাস?’ বইটি লেখেন।

রোগ অথবা আরোগ্য, যাই হোক না কেন এটা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে সফল হয়েছে। একই সঙ্গে চাউর করেছে নানা ধরনের প্রশ্ন। জনপ্রিয়তাবাদের কমপক্ষে কোনো একটি লক্ষ্যও যদি সফল হয়, তবে সেক্ষেত্রে কী হবে? এমনকি এটা যদি কোনো ঐক্যবিনাশী শক্তি না হয়ে নিজেই কোনো শাসকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়, তবে সেক্ষেত্রে পরিণতি কী হবে? তার থেকেও

জরুরি কথা হলো, এই জনপ্রিয়তাবাদ যদি ব্যর্থ হয় তবে কী হবে? এমনকি এই জনপ্রিয়তাবাদের এক বা একাধিক বিভিন্ন জাতীয় কাঠামোয় যে কয়েক মিলিয়ন সমর্থক রয়েছে, তারা যদি মনে করেন তারা নিজেরাই ফ্রাঙ্কের ‘আরোগ্য’ তত্ত্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, সেক্ষেত্রে কী হবে?

সফলতার অর্থ একটাইÑযদি এই ধারাটি সফলভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে। এই ধারার নীতি-কৌশলের মধ্যে রয়েছে অভিবাসন কমিয়ে আনা, অবৈধ অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের আরও সুনির্দিষ্ট উপায়ে একত্রীকরণ। এ সংখ্যালঘুরা যাবতীয় বাণিজ্য বাধা নিয়েই একসঙ্গে বসবাস করবে এবং বিশ্বায়নের প্রভাবগুলো কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা চালাবে। অন্যদিকে থাকে ব্যর্থতা। এখানে ব্যর্থতা মানে হলো একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে ঋণের ভার বাড়তে থাকা। তাছাড়া বিভিন্ন বাণিজ্যবাধা ও বিদেশি কোম্পানিগুলোর বিলগ্নির মতো ঘটতে থাকে। ফলে সৃষ্টি হয়ে বেকারত্ব। তাতে জাতীয় ব্যবসাগুলো অদক্ষ ও উচ্চ-দক্ষ অভিবাসী উভয়কেই হারিয়ে সংকটে পড়ে যায়।

তাহলে জনপ্রিয়তাবাদীদের সফলতা কোথায়? এর সফলতা মানে হলোÑহয় এরা বামপন্থাকে পদচ্যুত করবে, নইলে সেখান থেকেই তাদের অভিযাত্রা শুরু করবে। আর অবশ্যই তারা ডানপন্থার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখবে না। আসলে জনপ্রিয়তাবাদ যদি রোগগ্রস্ততা অনুভব করে, তবে তারা বামপন্থার কাছ থেকেই ভারী ভারী ‘আরোগ্য’ বটিকা ধার করতে থাকে। কার্যত এই বটিকায় থাকে বাণিজ্য ও বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ, জাতীয় শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা, জাতীয় অবকাঠামোগুলোতে থাকে রাষ্ট্র পরিচালিত বিনিয়োগ। আর এগুলোই হলো জনপ্রিয়তাবাদী দলের নীতি-কৌশল। পাশাপাশি বামপন্থা সাম্প্রতিক সময়ে যেসব কর্মসূচি গ্রহণ করে, সেসবই নিজের করে নেয়। কিছু ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা যায়। যেমন ফ্রান্সে বামপন্থাই নেতৃত্বের সারিতে। সেখানকার নেতৃত্বস্থানীয় বামপন্থি দল ‘ল্য ফ্রান্স ইনসৌমাইজ’ (অদম্য ফ্রান্স) ১১৪ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক শক্তিমত্তাকে সমর্থন করে এবং বাছাইকৃত কিছু অর্থনৈতিক খাতকে জাতীয়করণ করতে চায়। একই পরিস্থিতি আমরা যুক্তরাজ্যেও দেখতে পাচ্ছি। এখানে শ্রমিকরা উগ্র সমাজতন্ত্রকে আবার খুঁজে পেয়েছে। তারা রেল, ডাক ও পানিÑএই তিনটি খাতকে একসঙ্গে রাষ্ট্রীয়করণ করার পরিকল্পনা করছে। এই খাত তিনটিতে ধনীদের ওপর উচ্চ কর আহরণের পরিকল্পনা রয়েছে।

জনপ্রিয়তাবাদ ডানপন্থার সঙ্গ নিচ্ছে নাকি বামপন্থার, তা দেখার বিষয় নয়। তবে এটা খালি চোখেই বোঝা যাচ্ছে, তারা একটি কর্তৃত্ববাদী শক্তিতে পরিণত হচ্ছে। প্রাক-বিশ্বায়ন দলগুলোর সঙ্গে যুদ্ধ করছে। এমনকি তারা বাম ঘরানার দলগুলোর সঙ্গে দ্বন্দ্ব বাধিয়ে চলেছে। এক্ষেত্রে ইউএস ডেমোক্র্যাটস, জার্মান ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটস ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর রিপাবলিকুই এন মার্চির নাম চলে আসে। ম্যাখোঁর দলটি এই ধ্রুব পৃথিবীর সঙ্গেই চলছে। তারা এলোপাতাড়িভাবে পরিবর্তিত হওয়া পৃথিবীকে মানিয়ে নিচ্ছে। এই জনপ্রিয়তাবাদ এখন তাদের কাছে একটি সুযোগ। কিন্তু লাখ লাখ মানুষ এখন নিজেদের চেতনাহীন নির্জীব হিসেবে অনুভব করছে। অনুভূতিটি সর্বদা বেড়েই চলেছে। তারা ভাবছে, তারা এখন পরিস্থিতির শিকার হয়ে রয়েছে। হাতে কিছুই করার ক্ষমতা নেই।

পৃথিবীতে রাজনৈতিক ইস্যুগুলোর মধ্যে জনপ্রিয়তাবাদী সরকার এখন আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছে। তাদের খুব ভালোভাবে দেখা যাচ্ছে। তবে সামনের দিনগুলোতে তাদের আরও ভালোভাবেই দেখা যাবে। অন্তত পৃথিবীজুড়ে না হোক কিছু অংশজুড়ে তাদের দেখা যাবে। তবে তাদের নীতিকে যৌক্তিকভাবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠতে হবে, যদিও কোনো সরকারই পুরোপুরি সফল হয় না। আংশিক সফলতাও বিবেচনায় আসে। যাহোক তাদের এই নীতি যদি লাগাতার তর্কের মধ্যেই আটকে থাকে, তবে সেখানে সফলতার সম্ভাবনা খুবই কমে যাবে। এটা সম্ভব। বলা চলে এটা ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠা পেয়ে গেছে। দেখা গেছে, বিভিন্ন দেশের প্রথম সারির রাজনৈতিক দল যখন এই নীতিকে গ্রহণ করে নিয়েছে বা অভিযোজিত হয়েছে, তখনই বলা চলে এক্ষেত্রে কোনো না কোনোভাবে সফল হওয়া সম্ভব হবে। দেখা গেছে এই দলগুলো প্রবাসীদের ঝেঁটিয়ে দেওয়া এবং নিজেরা একাট্টা হওয়ার নীতি গ্রহণ করে একটি সমর্থন লাভ করেছে। এই নীতিতে ডান-বাম উভয়েরই নীতিবিরুদ্ধ হওয়ার পরও তারা সফল হয়েছে।

জনপ্রিয়তাবাদীরা ব্যর্থ হলে একটি মহাবিপর্যয় নেমে আসতে পারে। বর্তমান প্রেক্ষাপট হিসেবে আমরা ইতালির দিকে তাকাতে পারি। সেখানে লেগা-৫ স্টার জোট সরকার সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে। আর এখন তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্মুখীন হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন দুই দশমিক চার শতাংশ ঘাটতির বিপরীতে ইতালির সিদ্ধান্তের অনেক বেশি বড় একটি বাজেট গ্রহণের ব্যাপারে জোরাজুরি করছে। মাত্তিও সিলভানি এই লিগার নেতৃত্বে রয়েছেন। তাকে ইতালির একজন কার্যকরী নেতা বলে মানা হচ্ছে। ভাবা হচ্ছে এই সম্মুখ লড়াইয়ের জন্য তিনিই যোগ্য। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কঠোরতার বিরুদ্ধে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত বাজেটের প্রতিরক্ষা দেওয়ার

এই দৃঢ় অবস্থান ইউরোপীয় পার্লামেন্টারি নির্বাচনে সুবিধা দেবে।

কিন্তু ইতালির ভেতরে ও বাইরের মোটামুটি সব অর্থনীতিবিদই একটি আসন্ন বিপর্যয় দেখতে পাচ্ছেন। আর তাই সরকার এই পরিকল্পনা ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে, অথবা তার ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরুদ্ধে লড়াই করে ক্ষতির সম্মুখীন হবে। বেশিরভাগ ইতালিয়ানের মধ্যে যারা জোটের একটি দলকে বা জোটের মধ্যেই অন্য কোনো দলকে ভোট দিয়েছিলেন, তাদের স্বল্প চাকরিজীবনের আকাক্সক্ষা করতে বলা হয়েছিল। বলা হয়েছিল তারা যেন কম আয়ের চিন্তা করেন, যাতে একেবারেই নি¤œ আয়ের মানুষেরা একটু সুবিধা পায়। তাছাড়া ফ্ল্যাট ট্যাক্সের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। আসলে এখানে তাদের আকাক্সক্ষায় কিছুটা ছেদ পড়বে। সরকারের পতন ও এর প্রতিস্থাপিত কোনো ‘মূল ধারার’ প্রশাসন বিব্রতকর ইতালিয়ানদের ছুটি দিয়ে দেবে। এই ইতালিয়ানরা কাউকে না কাউকে দোষারোপ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তারা আগের জনপ্রিয়তাবাদী সরকার দ্বারাই পরিচালিত হয়। এমনকি তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে কাজ করা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কাজ করে। তাদের জাতীয় ‘বিশ্বাসঘাতক’ও বলা হয়ে থাকে।

এ রকম ঘটনা সেখানেই ঘটবে যেখানে জনপ্রিয়তাবাদীরা ক্ষমতা গ্রহণ করে এবং তারপরই ক্ষমতা হারায়। যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাটরা ৬ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ৪৩৫টির বেশি আসনের মধ্যে ২৩টি আসন পেয়েও হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের নিয়ন্ত্রণ লাভ করতে পারে। সম্ভাবনা খুবই কম, তবে একেবারেই অসম্ভব নয় যে তারা ১০০টি সিনেট আসন দখল করতে পারে। তাহলে কি রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে যাচ্ছে। আর এটা যদি ঘটে তবে ট্রাম্পের মোটর গতি হারাবে।

জনপ্রিয়তাবাদ তাহলে জিতবে নাকি হারবেÑএ প্রশ্ন যথা তথা, একটি বিষয় নিশ্চিত যে যারা রাষ্ট্র শাসন করে, সেই সরকারের নামই যদি অফিস থেকে বিতাড়িত হয়ে যায় তবে একটি বিপর্যয় অবসম্ভাবী। যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটরা মূলত এখন ট্রাম্পের প্রচণ্ড ঘৃণা নিয়েই চালিত হচ্ছে। কংগ্রেসকে টেনে নামাতে হলে এটাই যথেষ্ট নয়। এমনকি একটি সভ্য রাজনীতি জাগাতে হলেও এটা যথেষ্ট হতে পারে না। জনপ্রিয়তাবাদী নেতারা সব সময় মুখোমুখি, সংঘাতপূর্ণ ও নির্মম। কিন্তু এই নেতাদের যারা অনুসারী তাদেরও নেতার প্রতি ভয়ে তটস্থ থাকা অপরিহার্য। তাদের নেতাদের বিরক্তির বিষয়গুলো মাথায় রেখে চলতে হয় এবং যেসব বিশ্বাস নেতারা ছড়িয়ে বেড়ান, সেগুলোকেই অন্তরে বহন করে চলতে হয়। তার বিকল্প থাকে না। তবে এই রাজনীতি যদি পরবর্তী প্রজন্ম পর্যন্ত দীর্ঘায়িত না হয়, তবে এ জীবনেই নিজেদের যাপিত জীবনকে ফ্রেমে আটকিয়ে চলতে হবে।

সহ-প্রতিষ্ঠাতা রয়টার্স ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব জার্নালিজম, ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড

রয়টার্স থেকে

ভাষান্তর মিজানুর রহমান শেলী

সর্বশেষ..