কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত স্থগিত করল দেশবন্ধু পলিমার

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্দিষ্ট সময়ে ব্যাংকের কাছে বন্ধক রাখা জমি ছাড়িয়ে আনতে না পারায় আপাতত জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো দেশবন্ধু পলিমার। এ সিদ্ধান্তটি স্থগিত করেছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। গতকাল সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের এমন তথ্য জানিয়েছে।

কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নরসিংদীর পলাশ উপজেলার কাওয়াদি এলাকায় নিজস্ব ১০৩ শতাংশ জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দেশবন্ধু পলিমার। তাদের সিস্টার কোম্পানি দেশবন্ধু প্যাকেজিংয়ের কাছে জমিটি বিক্রির কথা ছিল। বিষয়টি গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত দেশবন্ধু পলিমারের অতিরিক্ত সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হয়েছিল।

এতে শর্ত ছিল, ব্যাংকের সব দায়দেনা পরিশোধ সাপেক্ষে জমিটি বিক্রি করা হবে। এ জন্য কোম্পানিটি ঋণ নিষ্পত্তি ও বন্ধক মুক্তির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করেছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে ওই বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পারেনি দেশবন্ধু পলিমার। তাই কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে এসেছে। আপাতত জমি বিক্রির প্রক্রিয়াটি স্থগিত থাকবে।

২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের (উদ্যোক্তা বা পরিচালক ব্যতীত) জন্য পাঁচ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১০ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৪৭ পয়সা। আর ৩০ জুন ২০২০ তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৪৮ পয়সা, আগের বছর একই সময় ছিল ১০ টাকা ৭২ পয়সা।

কোম্পানিটি ২০১১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘বি’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ৩০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৬১ কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ দুই কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির মোট ছয় কোটি ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ১৫০টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৩৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আট দশমিক ১৬ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫৮ দশমিক ৩০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর শূন্য দশমিক ৯৫ শতাংশ বা ১০ পয়সা কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ১০ টাকা ৪০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল ১০ টাকা ৪০ পয়সা। দিনভর কোম্পানিটির এক লাখ ৫৮ হাজার ৩৮০টি শেয়ার মোট ৯৮ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ওই দিনভর শেয়ারদর সর্বনিম্ন ১০ টাকা ৪০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১০ টাকা ৬০ পয়সায় ওঠানামা করে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..