সারা বাংলা

জয়পুরহাটে ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি

প্রতিনিধি, জয়পুরহাট: ঘূর্ণিঝড় ও ভারী বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টির আঘাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে জয়পুরহাটের বোরো ধানের। ঝড়ের প্রবল বাতাসে জমিতেই শুয়ে পড়া পাকা ধান ডুবে গেছে পানিতে। সে সঙ্গে শিলা বৃষ্টির আঘাতে জমিতেই ঝরে গেছে অনেক ধান। এতে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। তবে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পানি নেমে গেলে ধানের ক্ষতি হবে না এমন দাবি কৃষি বিভাগের।

জয়পুরহাটে এ বছর বোরো চাষ হয়েছে ৬৯ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমিতে। মৌসুমের শুরু থেকে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার প্রতি হেক্টরে গড়ে ছয় মেট্রিক টনেরও বেশি ধান উৎপাদনের আশা করছেন কৃষি বিভাগ। কিন্তু ধান কাটার মুহূর্তে গত সপ্তাহ  থেকে দফায় দফায় ঘূর্ণিঝড়ে জমিতে হেলে গেছে অনেক ধানগাছ। সে সঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে অধিকাংশ জমির ধানই ডুবে আছে পানিতে। ধানগাছ ডুবে থাকার ফলে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এলাকার কৃষকরা।

গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পানিতে নেমে অনেকেই ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন। মেঘলা আকাশের কারণে ধান শুকোতেও পারছেন না অনেক কৃষক। 

জেলার কালাই উপজেলার বাদাউচ্চ গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আব্দুল মালেক বলেন, ‘পানিতে ডুবে থাকলে ধানের ক্ষতি হবে। তাই এ অবস্থায় পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন।’

জয়পুরহাট সদর উপজেলার ধারকি গ্রামের কৃষক হাফিজার রহমান বলেন, ঝড়-বৃষ্টির আগে প্রতি বিঘায় ধান পাওয়া গেছে ২৪ মণ পর্যন্ত আর এখন সেখানে গড়ে পাওয়া যাচ্ছে ১০ মণ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক স. ম. মেফতাহুল বারী বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পানি আর বাড়বে না। পানিতে ডুবে থাকলেও ধানের ক্ষতি হবে না। আশা করছি, পানি তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে।’

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..