মত-বিশ্লেষণ

জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর ঐতিহাসিক আয়োজন

নাসরীন জাহান লিপি: দীর্ঘকালের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ ফরিদপুরের গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করে আপসহীন নেতৃত্ব, দৃঢ় মনোবল আর ত্যাগের মধ্যে দিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রধান নেতা। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বনেতৃত্বের প্রতিভূ, মানবজাতির জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর। ১৯৭১ সালে নিউজউইক পত্রিকা তাঁকে ‘রাজনীতির কবি’ অভিধায় অভিহিত করে। বিশ্ববাসীর কাছে তিনি মুক্তিকামী মানুষের নেতা। নেতৃত্বের এই অনন্যতার কারণেই ফিদেল কাস্ত্রো তাঁকে হিমালয়ের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, ‘আমি হিমালয় দেখিনি, শেখ মুজিবকে দেখেছি।’

বাঙালিকে কেউ ‘দাবায়ে রাখতে পারবে না’। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চের ভাষণে বাঙালি জাতি সম্বন্ধে অমর প্রত্যয়ন উপহার দিয়ে গেছেন, যা আজও বাঙালির মূল আত্মবিশ্বাস। স্বাধীনতার শত্রুদের আঘাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিমর্মমভাবে নিহত হতে হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে আপাতভাবে মৃত্যু ঘটেছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ গড়ে তোলার সংগ্রামের। বাংলাদেশ এশিয়ার সুইজারল্যান্ড হয়ে ওঠার সুযোগ হারিয়ে ফেলেছিল। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির সমর্থনপুষ্ট সামরিক ও স্বৈরাচারী শাসনের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়েছে সাধারণ মানুষের ভাগ্য। একেবারে ধ্বংসস্তূপ থেকে জেগে ওঠা ফিনিক্স পাখির মতো বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করেছে বাংলাদেশ। মধ্যম আয়ের দেশ হয়ে ওঠা বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের কাতারে নিজের স্থান করে নিতে পেরেছে, ২০৪১ সাল নাগাদ সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তরিত হতে পারার স্বপ্ন দেখছে কেবল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ও দর্শনের আলোয় পথ চলা অসীম সাহসী নেতা শেখ হাসিনার দৃঢ় মনোবল ও দেশপ্রেমের কষ্টিপাথরে পরীক্ষিত নেতৃত্বের গুণে।

১৯২০ সাল থেকে ২০২০ সাল ১০০ বছরের কালপরিক্রমা তেজোদীপ্ত সূর্যের মতো আলো ছড়াতে ছড়াতে মনে করিয়ে দিয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপনের আনন্দ আয়োজনের মহার্ঘ্য সুযোগের কথা। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী বাস্তবায়নের মূল লক্ষ্য হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসীম সাহসিকতা, দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ ও অসামান্য আত্মত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্ত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়া, যাতে তারা আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের কুশীলব হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।

২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন শুরু হয়েছিল জন্মশতবার্ষিকী আয়োজনের ক্ষণগণনা। বিশ্ববাসী অধীর হƒদয়ে অপেক্ষা করেছে মহান নেতার জন্মক্ষণ মুহূর্ত উদ্যাপনের জন্য। ক্ষণগণনার এ আয়োজনে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উম্মোচন করেছেন মুজিববর্ষের লোগো। সর্বত্র ব্যবহƒত মুজিববর্ষের লোগোটি আজ বঙ্গবন্ধুর প্রতি অন্তহীন ভালোবাসার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০২০ সালের ১৭ মার্চ জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী আয়োজন হওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। দেশ-বিদেশের বরেণ্য ও নন্দিত ব্যক্তি, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর প্রতিনিধিসহ আরও অনেকের অংশগ্রহণের কথা থাকলেও করোনাভাইরাস-সংক্রান্ত বৈশ্বিক মহামারি ও জনস্বাস্থ্যের বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনসমাগম এড়িয়ে উৎসব আয়োজনের নির্দেশনা প্রদান করেন। অবশেষে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সহায়তায় ধারণকৃত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ২০২০ সালের ১৭ মার্চ রাত ৮টায় সব টিভি চ্যানেল, অনলাইন ও সামাজিক মাধ্যমে একযোগে সম্প্রচারিত হয়, যা উপভোগ করেন সারা বিশ্বের কোটি দর্শক। এছাড়া জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রকাশিত হয় মূল্যবান একটি প্রকাশনা ‘কোটি মানুষের কণ্ঠস্বর’। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এই প্রকাশনার প্রধান সম্পাদনা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বপালন করেন। এই সংকলনের বিশেষ আকর্ষণ ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সুহƒদ প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জীবনের শেষ নিবন্ধ ‘নিরলস এক রাষ্ট্রনায়ক’।

এর পর থেকে জন্মশতবার্ষিকীর প্রতিটি আয়োজন জনসমাগম এড়িয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে একইভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা গ্রহণ করায় প্রতিটি আয়োজন আরও বেশিসংখ্যক দর্শককে সম্পৃক্ত করতে পেরেছে। সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে সব আয়োজনের খবর প্রচারিত হয়েছে বছরজুড়ে। এর ফলে মুজিববর্ষের লোগো ও মুজিববর্ষের থিম সংগীত বিপুলভাবে পরিচিতি পেয়েছে, জনপ্রিয় হয়েছে।

কভিড-উদ্ভূত প্রতিকূল পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুজিববর্ষের সময়কাল বর্ধিত করেছে। আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর আনন্দ আয়োজনের সঙ্গে মুজিববর্ষের মিলিত আয়োজন আমাদের জন্য আগামীতে এক অনুপ্রেরণার নাম হয়ে থাকবে। কেননা বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু অভিন্ন সত্তা। আর তাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ১০ দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানমালা আয়োজনের সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। কভিড-১৯ জনিত বিদ্যমান পরিস্থিতিতে এসব অনুষ্ঠান টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে সম্প্রচার করা হবে।

এ অনুষ্ঠানমালার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘মুজিব চিরন্তন’। শত বছরের পরিক্রমা শেষে মহাকালের তর্জনী চিরকাল আলোকশিখা হয়ে পথ দেখাবে, এই বিষয় সামনে রেখে ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার প্রত্যেক দিন থাকছে পৃথক থিমভিত্তিক অডিও-ভিজুয়াল, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকীর দিনের থিম হচ্ছে, ‘ভেঙেছ দুয়ার এসেছো জ্যোতির্ময়।’ এই দিনটি জাতীয় শিশু দিবসও। শত শিশুর কণ্ঠে জাতীয় সংগীত এবং দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশনা, বঙ্গবন্ধুকে লেখা শিশুদের চিঠির প্রতীকী উপস্থাপনা দিবসটিকে আরও রঙিন করে তুলবে। মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি, কানাডার রাষ্ট্রপতি ও ভুটানের রাজা বক্তব্য দেবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

১৮ মার্চ আয়োজিত অনুষ্ঠানের থিম ‘মহাকালের তর্জনী’। ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের সঙ্গে অর্কেস্ট্রা মিউজিক, থিয়েট্রিক্যাল পারফরম্যান্স, বিভিন্ন সময়ে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সৃষ্ট গানের পরিবেশনাসহ নানা আয়োজন থাকছে এই দিনে। পরের দিন ১৯ মার্চের থিম ‘যতকাল রবে পদ্মা-যমুনা’। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, তাঁর দীর্ঘ জেলজীবন ও রাজনৈতিক জীবনের নানা বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে নির্মিত অডিওভিজুয়াল উপস্থাপনার পাশাপাশি বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানে বিদেশি আলোচক হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহামেদ বিন জায়েদ আল নাহ্ইয়ানের উপস্থিতির সম্ভাবনা রয়েছে। ২০ মার্চের থিম হচ্ছে ‘তারুণ্যের আলোকশিখা’। এদিনের আলোচনা অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মেদ বিন সালমানের অংশগ্রহণ করার সম্ভাবনা আছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর পছন্দের গানসমূহ, তারুণ্যের উদ্দীপনাকে উজ্জীবিত করতে থিম্যাটিক কোরিওগ্রাফিসহ থাকছে আরও অনেক কিছু। 

২১ মার্চে ‘ধ্বংসস্তূপে জীবনের গান’ শিরোনামে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানে জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ বিন আল-হোসেইন অংশ নেবেন। এদিন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে জারি-সারি-পালা গান ও ব্যান্ড সংগীত ছাড়াও একটি বিশেষ নাটকের পরিবেশনা থাকবে। এর পরের দিন, ২২ মার্চ ‘বাংলার মাটি আমার মাটি’ থিমে বঙ্গবন্ধুর বাংলার মাটির প্রতি যে ভালোবাসা, তার প্রকাশ ঘটবে। নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারি, ওআইসির সেক্রেটারি জেনারেল ড. ইউসুফ আল ওথাইমিনের বক্তব্য শুনতে পাব আমরা। ২৩ মার্চের থিম হচ্ছে ‘নারীমুক্তি, সাম্য ও স্বাধীনতা’।  নারীর ক্ষমতায়নে বঙ্গবন্ধুর দর্শন এবং এর ওপর ভিত্তি করে বর্তমান বাংলাদেশ নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ সাফল্য অর্জন করেছে। এ বিষয়ে বিদেশি আলোচক হিসেবে কুয়েতের আমির শেখ নওয়াফ আল-আহমাদ আল জাবের আল সাবা এবং ইউনেস্কোর সাবেক মহাপরিচালক ইরিনা বকুভা বক্তব্য রাখবেন বলে বলে আশা করা হচ্ছে। ২৪ মার্চ ‘শান্তি-মুক্তি ও মানবতার অগ্রদূত’ থিম নিয়ে আয়োজনের আলোচনা অংশে বিশ্বশান্তিতে অবদানের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জুলিও কুরি পুরস্কার লাভ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধ, তাঁর অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ, মানবিকতা, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বশান্তিতে বঙ্গবন্ধুর অবদান, জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ প্রদান প্রভৃতি বিষয়কে বেছে নেয়া হয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে বক্তব্য রাখবেন।

২৫ মার্চ ‘গণহত্যার কালরাত্রি ও আলোকের অভিযাত্রা’ শিরোনামে সেই কালরাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর করা পৃথিবীর নৃশংসতম গণহত্যা, জাতির পিতার স্বাধীনতা ঘোষণা এবং দখলদার বাহিনী কর্তৃক তাঁকে গ্রেপ্তার করা প্রভৃতি বিষয়ের ওপর আলোকপাত করা হবে। তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান, জাপানের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ বন্ধু তাকাশি হায়াকাওয়ার ছেলে ওসামু হায়াকাওয়া বক্তব্য রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ২৬ মার্চের থিম ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর ও অগ্রগতির সুবর্ণরেখা’। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই দিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে থাকছে ‘পিতা দিয়েছে স্বাধীন  স্বদেশ, কন্যা দিয়েছে আলো’ শিরোনামে থিম্যাটিক পরিবেশনা এবং উপমহাদেশের  অন্যতম সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধা জানিয়ে নতুনভাবে সৃজিত রাগ ‘মৈত্রী (গড়রঃৎবব)’ উপহার ও পরিবেশনা।

১০ দিনের আয়োজনে বিদেশি শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছে ভারত, জাপান, সুইজারল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, নেপাল, চীন, কম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া ও আসিয়ানভুক্ত দেশসমূহ। এই আয়োজনে জাতির পিতার স্মৃতি ও তাঁর মহিমাময় কর্মের প্রতি কৃতজ্ঞতা, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার অর্ঘ্য প্রদানের মধ্য দিয়ে ‘মুজিব চিরন্তন’ প্রতিপাদ্যে সূচিত হবে মহান মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদের আত্মদান, লাখো মায়ের আত্মত্যাগ এবং জাতির পিতার ডাকে মরণপণ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশের স্বাধীনতার সূর্যকে ছিনিয়ে আনা অসম সাহসী মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের জয়গাথার অক্ষয় ইতিহাস। এই আয়োজনের অসাধারণ সাফল্য কামনা করছে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মানুষ।

পিআইডি ফিচার

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..