প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

জাবির উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনে আমির-নূরুল অজিত বিজয়ী 

প্রতিনিধি, জাবি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) শুক্রবার অনুষ্ঠিত উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। সিনেট সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে অধ্যাপক আমির হোসেন, অধ্যাপক নূরুল আলম ও অধ্যাপক ড. অজিত কুমার মজুমদার বিজয়ী হয়েছেন। ভোটগ্রহণ শেষে শুক্রবার রাতে রিটার্নিং অফিসার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ ফল ঘোষণা করেন। নির্বাচনে মোট ৯৩ জন সিনেট সদস্যের মধ্যে ৭৬ জন ভোট প্রদান করেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আমির হোসেন ৪৮ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছেন।

দ্বিতীয় অবস্থানে বর্তমান সাময়িক উপাচার্য পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নূরুল আলম ৪৬ ভোট পেয়েছেন এবং ৩২ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন গণিত ও পদার্থবিষয়ক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. অজিত কুমার মজুমদার। এছাড়া অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ প্যানেলের অধ্যাপক সূফি মোস্তাফিজুর রহমান ২৩টি ও অধ্যাপক পৃথ্বিলা নাজনীন নীলিমা ১৫টি ভোট পেয়েছেন।

উপাচার্যের নেতৃত্বে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’-এর অধ্যাপক লায়েক সাজ্জাদ এন্দেল্লাহ ১৯টি ভোট পেয়েছেন। সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলামপন্থি ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’ প্যানেল থেকে অধ্যাপক আবদুল্লাহ হেল কাফি ২০টি এবং অধ্যাপক তপন কুমার সাহা সাতটি ভোট পেয়েছেন।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক আমির হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। প্রথম মনোনীত হওয়ায় আমি আনন্দিত। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে সবচেয়ে বড় সমস্যা শৃঙ্খলা। আমার প্রথম কাজ হবে একাডেমিক এবং সব ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বিধান করা। সরকার আমাকে উপাচার্যের দায়িত্ব দিলে আমি অবশ্যই ছাত্রবান্ধব উপাচার্য হব। আমি মনে করি বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় স্টেকহোল্ডার ছাত্ররা। যতটুকু সামর্থ্য আছে সে অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করব। ছাত্রদের প্রতিনিধি নির্বাচনে সময়মতো জাকসু নির্বাচন দেব।’

বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. নূরুল আলম বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। সঠিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফলাফলে আমরা খুশি। এখন পরবর্তী ধাপের জন্য আমরা অপেক্ষা করব।’

ফলাফল ঘোষণা শেষে রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ বলেন, ‘নির্বাচন বিধি অনুযায়ী ভোটগ্রহণ ও ভোটের ক্রমানুসারে তিনজনের প্যানেল ঘোষণা করা হলো। এটা আচার্যের কাছ পাঠানো হবে। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী উপাচার্য নিয়োগ দেবেন।’