মত-বিশ্লেষণ

জাহাজ ভাঙায় প্রশ্নবিদ্ধ শ্রমিক সুরক্ষা ও পরিবেশ সচেতনতা

শীর্ষস্থানে বাংলাদেশ

তৌহিদুর রহমান: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের সব প্রান্তে উদ্বেগের কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে। অনেক দেশ রয়েছে মারাত্মক ক্ষতির মুখে। বৈশ্বিক তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়ছে। বরফাচ্ছাদিত অ্যান্টার্কটিকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে। স্মরণকালের ভয়াবহ দাবানলের মুখে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। হাজার হাজার একর বনভূমি পুড়েছে, মৃত্যু হয়েছে অসংখ্য বণ্যপ্রাণীর। অন্তত ৩০ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার দাবানলে। বিশ্বের ফুঁসফুঁস হিসেবে বিবেচিত আমাজন পুড়ছে ধারাবাহিকভাবে। সাম্প্রতিক সময়ে এমন আরও অনেক পরিবেশগত বিপর্যয়ের উদাহরণ রয়েছে বিশ্বের অনেক দেশে। সবকিছুর মূলে রয়েছে পরিবেশ দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন। এর পেছনে স্বল্প আয়ের দেশগুলোর দায় রয়েছে সত্য, তবে শিল্পোন্নত দেশগুলোর দায় তার চেয়ে অনেক বেশি।

জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হওয়ার তালিকায় অনেকগুলো দেশের নাম রয়েছে। তার মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর একটি। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য পরিবেশ দূষণকে বহুলাংশে দায়ী করা হয়। সে কারণে দেশগুলো পরিবেশ রক্ষায় নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। আমাদের দেশেও নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে পদক্ষেপগুলো কতটা কাজে আসছে কিংবা তার যথাযথ বাস্তবায়ন কতটা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমাদের দেশের নিন্মাঞ্চল ডুবে যাওয়ার শঙ্কা অনেক আগে থেকেই রয়েছে। আর সে সঙ্গে আমাদের নিজেদের অনেক কর্মকাণ্ড ও পরিবেশ দূষণে বড় ভূমিকা রাখছে। অথচ সরকারের কার্যকর ভূমিকা এবং আমাদের একটু উদ্যোগী ও সচেতন হওয়া পরিবেশকে বাঁচিয়ে দিতে পারে বড় ক্ষতির হাত থেকে।

এখন আসি মূল প্রসঙ্গে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো তৈরির হার ক্রমেই বাড়ছে। বড় বড় অনেক প্রকল্প বাস্তবায়নও হচ্ছে। এ ধরনের নির্মাণযজ্ঞের জন্য বিপুল পরিমাণ লোহার রডের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু রড তৈরির প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমাদের নেই। আবার খনিজ লোহা আমদানি অনেক ব্যয়সাপেক্ষ। এ ধরনের চাহিদা পূরণে আমরা তাই একটি বিকল্প খুঁজে নিয়েছি। সেটি হচ্ছেÑপুরোনো পরিত্যক্ত জাহাজ আমদানি করে সেগুলোর লোহা দিয়ে রড তৈরি করা। চট্টগ্রামের উপকূলীয় বিশাল সমুদ্রসৈকতে জাহাজ ভাঙার ইয়ার্ডগুলো গড়ে উঠেছে। দেশে রড ছাড়াও লোহার চাহিদার সিংহভাগ পূরণ হচ্ছে পুরোনো জাহাজ ভাঙার পর প্রাপ্ত লোহা থেকে। সে হিসেবে আমাদের দেশের অর্থনীতিতে এ শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে সন্দেহ নেই। অনেক মানুষের কর্মসংস্থানও নিশ্চিত হচ্ছে।

কিন্তু এতে আসলে আত্মতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই। কারণ আর্থিক, কর্মসংস্থানসহ আরও কিছু কারণে এ শিল্পের বড় ভূমিকা রয়েছে সত্য। কিন্তু জাহাজ ভাঙা শিল্প আমাদের দেশের জন্য বড় পরিবেশগত হুমকিও তৈরি করছে। পুরোনো জাহাজগুলোয় থাকা নানা ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক, পোড়া তেল-মবিলসহ অনেক কিছুই সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকির। আরও উদ্বেগজনক ব্যাপার হলো, প্রতিবছর অনেক জাহাজ ভাঙা শ্রমিকের মৃত্যু হচ্ছে। অনেকে জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। আরও নানা ধরনের ক্ষতির ব্যাপার সামনে আসছে। এসব সমস্যার কার্যকর সমাধান এখনও মেলেনি। ফলে জাহাজ ভাঙা শিল্পে বিশাল আর্থিক লাভ হলেও কার্যত লোকসানের মাত্রাও কম নয়।

জাহাজ ভাঙা শিল্পের পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে দেশে দীর্ঘদিন ধরেই সরব পরিবেশবাদীরা। তারা এ ধরনের শিল্প বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া কিংবা পরিবেশগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আসছেন অনেকদিন ধরেই। জাহাজ ভাঙা শিল্প নিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। বিদেশেও এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠেছে, এখনও উঠছে। বিশেষত এ শিল্পের নাজুক শ্রমিক সুরক্ষা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হতে দেখা গেছে। সে কারণে সরকার, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন নানা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে তা যথাযথভাবে মানা হয় না বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ তথ্য সত্য হলে তা পরিবেশের জন্য ভয়াবহ খবর সন্দেহ নেই।

তবে এত আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই নিজ গতিতেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশের জাহাজ ভাঙা শিল্প। জাহাজ ভাঙায় পরিমাণের দিক থেকে আগে থেকেই শীর্ষে ছিল বাংলাদেশ। গত বছর সংখ্যার দিক থেকেও শীর্ষে উঠে এসেছে। এ পরিসংখ্যান দেশের কোনো সংস্থার রিপোর্টে আসেনি। উঠে এসেছে জাহাজ ভাঙা শিল্প ও এর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা এনজিও শিপ ব্রেকিং প্ল্যাটফর্মের প্রতিবেদনে। তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাহাজা ভাঙা শিল্পের বর্তমান অবস্থা নিয়ে ওই প্রতিবেদন তৈরি করেছে। একদিক থেকে এটি বাংলাদেশের জন্য ভালো খবর হলেও বড় উদ্বেগের দিকও রয়েছে। জাহাজ ভাঙার কারণে দেশের অর্থনীতি লাভবান হচ্ছে সত্য। তবে পরিবেশগতভাবে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে, মৃত্যু হচ্ছে অনেক শ্রমিকের।

জাহাজ ভাঙা শিল্পে বাংলাদেশের যে অবস্থান, কয়েক বছর আগেও তা ছিল না। প্রতিবেশী দেশ ভারত এবং চীন এর নিয়ন্ত্রণ করত। পাকিস্তানও এগিয়ে ছিল অনেক। তবে ওই দেশগুলোয় পরিবেশগত উদ্বেগ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে সরকার। এ ধরনের শিল্পের জন্য আইনও করা হয়েছে কঠোর। ফলে ভারত ও চীনে জাহাজ নির্মাণ শিল্প কমে এসেছে অনেক। কিন্তু ব্যতিক্রম থেকে গেছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো দেশ। পরিবেশগত বিষয়গুলো পাশ কাটিয়ে ক্রমেই এগিয়ে গেছে। ফলে বাংলাদেশে এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজ ভাঙা শিল্প গড়ে উঠেছে। আপাতত ছোট হওয়ার কোনো লক্ষণ নেই, এজন্য পরিবেশত যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা থেকেও সহসাই পরিত্রাণ মিলছে না।

এনজিও শিপ ব্রেকিং প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী প্রায় এক কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৪৫৮ টন জাহাজ ভাঙা হয়। এর ৫৮ শতাংশই বাংলাদেশের ইয়ার্ডগুলোয়। এর আগে ২০১৫, ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালেও বিশ্বব্যাপী জাহাজ ভাঙায় শীর্ষে ছিল বাংলাদেশ। এছাড়া গত বছর বিশ্বব্যাপী জাহাজ ভাঙা হয় ৬৭৬টি, যার মধ্যে বাংলাদেশেই ভাঙা হয় ২৩৬টি। অথচ ভারতে ২০০টি, তুরস্কে ১০৭টি, পাকিস্তানে ৩৫টি, চীনে ২৯টি, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ২৯টি এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে ৪০টি ভাঙা হয়। ভাঙা জাহাজগুলোর মধ্যে ৪৬৯টিই বড় আকারের অয়েল ট্যাংকার, পণ্যবাহী বাল্কার, অফশোর প্ল্যাটফর্ম, কার্গো ও যাত্রীবাহী জাহাজ। এ ধরনের জাহাজগুলোর অধিকাংশই পরিবেশ দূষণকারী পণ্য পরিবহন করে থাকে। শেষ বয়সে গিয়ে যার অধিকাংশতেই বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক জমে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এর অনেকাংশ সমুদ্রে ফেলা হয়। এছাড়া বাংলাদেশের ইয়ার্ডগুলোতেও এর সঠিক ব্যবস্থাপনা হয় না বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, জাহাজ ভাঙা ও বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১০সহ বিভিন্ন আইনের আলোকে ৬২টি শর্ত নির্ধারণ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এর মধ্যে পরিবেশ দূষণ না করা, অনাপত্তিপত্র ছাড়া ইয়ার্ডে কোনো জাহাজ ভাঙা বা না রাখা, বেশি ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাগুলোয় শ্রমিকদের যাওয়া-আসার ব্যবস্থা নিরাপদ করা, জাহাজ থেকে পাওয়া সø্যাজ অয়েল সুরক্ষিত স্টোরেজ ট্যাংকে রাখা, বিষাক্ত বর্জ্য সংরক্ষণ করা ইত্যাদি রয়েছে। এছাড়া শ্রমিকদের নিরাপত্তায় জাহাজে ওঠানামার জন্য ডেডিকেটেড ক্রেন থাকা, সেফটি ইকুইপমেন্ট থাকা প্রভৃতির কথা বলা হয়েছে। তবে পরিবেশবাদীদের অভিযোগÑএসব শর্তের অধিকাংশই মানা হচ্ছে না। মূলত আইনি কাঠামোর দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এ ধরনের কাজ হচ্ছে বলে তারা মনে করছেন।

দেখা যায়, প্রায়ই এসব জাহাজভাঙা ইয়ার্ডে দুর্ঘটনা ঘটে। অভিযোগ আছে, অনেক দুর্ঘটনার খবর প্রকাশও পায় না। অদক্ষ শ্রমিক নিয়োগ দেওয়ায় তাদের দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হারও বেশি। এতে ইয়ার্ডগুলোর দায় থাকায় নানা ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে আগে থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া গেলে এ ধরনের দুর্ঘটনার ঘটার পরিমাণ অনেক কমে আসত। পরিবেশ দূষণের হাত থেকেও রক্ষা পাওয়া যেত। সব মিলিয়ে জাহাজ ভাঙা শিল্পে এক ধরনের বিচ্ছৃঙ্খলা ও সমন্বয়হীনতা রয়েছে। এর থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সংশ্লিষ্টদের তৎপরতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। এজন্য বেশকিছু ধাপে সংস্কার আনার প্রয়োজন রয়েছে বলে আপাতদৃষ্টিতে মনে হয়। বিশ্লেষকদের দিক থেকে একটি বিষয় নিয়ে জোরালো কথা আসছে, তা হলো আইনি কাঠামোর দুর্বলতা। সরকারকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করতে হবে। আইনে কোনো ফাঁক-ফোকর থাকলে তা দূরীকরণের পাশাপাশি তা শক্তিশালী করতে হবে। শুধু এতেই থেমে থাকলে হবে না, তার কঠোর বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ে যেখানে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে, সেখানে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

পরিবেশের সুরক্ষা এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তায় যেসব শর্ত ঠিক করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর সেগুলোর গুরুত্ব অনেক, সন্দেহ নেই। এগুলো কোনো ইয়ার্ড অমান্য করলে তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অধিদপ্তরের কাজ করার ক্ষেত্রে জনবল সংকটের কথাও বলা হচ্ছে। যদি তাই হয়, তাহলে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল নিয়োগ করতে হবে। অধিদপ্তরের মধ্যে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এমন কোনো অভিযোগ পেলে তা খতিয়ে দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তবে সবার আগে শ্রমিক সুরক্ষায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া আবশ্যক বলে মনে করি। তাদের অবহেলা করে জাহাজ ভাঙা শিল্প চালানোর সুযোগ নেই। তাদের সব ধরনের নিরাপত্তা, জরুরি চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করে তবেই ইয়ার্ড পরিচালনার অনুমতি দিতে হবে। অনিয়ন্ত্রিত জাহাজ ভাঙা রোধে সরকারকে চার দফা নির্দেশনা দিয়ে রেখেছেন হাইকোর্টও।

দেশে বর্তমানে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, পায়রা বন্দর, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো কিছু বড় প্রকল্প চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতে আরও অনেক প্রকল্প আসবে। আবাসন ও অবকাঠামো খাতেও রডের চাহিদা বাড়ছে। সেক্ষেত্রে রডের চাহিদা পূরণে পুরোনো জাহাজ ভাঙার পরিমাণও বাড়বেÑ বর্তমান পরিস্থিতি তেমনটাই বলছে। কিন্তু সমুদ্রসৈকতে গড়ে তোলা ইয়ার্ডে পরিবেশগত ঝুঁকিও বাড়ছে। এতে অনেক শ্রমিকের মৃত্যুর পাশাপাশি তারা জটিল শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। ফলে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর এ শিল্প নিয়ে আপত্তি রয়েছে, চাপ আছে দেশের বাইরে থেকেও। এগুলো গুরুত্ব দিয়েই এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালাতে হলে সব ধরনের সুরক্ষা নিশ্চিত করলে তবেই তাদের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। পরিবেশ এবং শ্রমিকের সুরক্ষায় কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশের ভবিষ্যৎও।

গণমাধ্যমকর্মী

[email protected]

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..