প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

জিপিএইচ ইস্পাতের ১৬তম এজিএম অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের প্রতিষ্ঠান জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড ২০১৫-১৬ সালের সমাপ্ত বছরের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন দেয়। সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন, সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষা প্রতিবেদন এবং পরিচালনা পর্ষদের প্রতিবেদন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়।

গত মঙ্গলবার বন্দরশহর এস এস খালেদ রোডের চট্টগ্রাম ক্লাবে জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড ১০ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মো. আলমগীর কবির। আরও উপস্থিত ছিলেন  ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো আলমাস শিমুল, মো. আবদুল আহাদ, মো. আজিজুল হক, স্বতন্ত্র পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালেহ্ জহুর, মো. বেলায়েত হোসেন, নির্বাহী পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক এফসিএমএ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম এফসিএ এবং কোম্পানি সচিব আরাফাত কামাল এফসিএ।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, জিপিএইচ’র দীর্ঘদিনের শ্রমলব্ধ প্রচেষ্টার ফসল হিসাবে ২০১৬-এর জানুয়ারির দিকে চট্টগ্রামের কুমিরায় প্ল্যান্ট সম্প্রসারণের জন্য প্রাইমেটাল্স টেকনোলোজিস অব  অস্ট্রিয়া জিএমবিএইচ-এর সঙ্গে অত্যাধুনিক স্টেট অব আর্ট লং-স্টিল প্রযুক্তি ও  প্রয়োজনীয় মেশিনারি সরবরাহের জন্য চুক্তি সই করে। এ বছরে  ইউসিবির নেতৃত্বে দেশের ১২টি ব্যাংকের সঙ্গে ১৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সিন্ডিকেটেড টার্ম ঋণ চুক্তি করে, যা বাংলাদেশের এ পর্যন্ত বৃহত্তম সিন্ডিকেটেড টার্ম ঋণ চুক্তি। এটি দেশের প্রাইভেট সেক্টরে সর্বোচ্চ ইক্যুইটি নিশ্চিত করেছে। পরবর্তী সময় ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কন্সট্রাকশন ম্যানেজমেন্টের জন্য ভারতের বিশ্বখ্যাত এমএন দস্তুর লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি সই করা হয়। এ প্রকল্পের ফলে সংশ্লিষ্ট খাতে আমদানি বিকল্পতা সৃষ্টি, পরিবেশবান্ধব, কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়, ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ ও ৫০ শতাংশ গ্যাস সাশ্রয় করবে। ডিএসইতে গতকাল বধুবার এ শেয়ারের দর বাড়ে চার দশমিক ২৬ শতাংশ বা এক টাকা ৪০ পয়সা। দিনভর শেয়ারদর ৩৩ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৩৫ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেনে হয় ৩৪ টাকা ৩০ পয়সায়। লেনদেন শেষে সমাপনী দর ছিল ৩৪ টাকা ৫০ পয়সা, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ৩৩ টাকা ১০ পয়সা।

২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন এক হাজার কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৩১১ কোটি ৮৫ লাখ। মোট শেয়ারের মধ্যে ৫৬ দশমিক শূন্য তিন শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালক, ১২ দশমকি ৬৩ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং ৩১ দশমকি ৩৪ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত এক বছরে সবনিম্ন দর ছিল ২৬ টাকা ও সর্বোচ্চ দর ৫৭ টাকা ৭০ পয়সা।