দিনের খবর

টাকা তুলতে ব্যাংকগুলোতে ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে কঠোর বিধিনিষেধ। এতে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তাই আজ মঙ্গলবার ব্যাংকের শেষ কার্যক্রম। সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। বেশিরভাগ ব্যাংকেই বাইরে গ্রাহকের লম্বা লাইন। ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানালেন, গ্রাহকের চাপ রয়েছে, তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যাংকের ভেতরে প্রবেশ করানো হচ্ছে বলে বাইরে গ্রাহকের লাইনটা বড় হচ্ছে।

মতিঝিলে সব কটি ব্যাংকের সামনেই সকালে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগে থেকেই লম্বা লাইন। সকাল ১০টার দিকে কয়েকজন গ্রাহকের সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা জানান, দেড় ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। তবে গ্রাহকদের বেশির ভাগের মুখে মাস্ক পরতে দেখা গেছে।

কারওয়ান বাজারেও একই চিত্র চোখে পড়ে। প্রিমিয়ার ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংকসহ প্রায় সব কটি ব্যাংকের ভেতরে ও বাইরে গ্রাহকের ভিড়। এমনকি বুথের সামনেও গ্রাহক উপস্থিতি অন্য সময়ের চেয়ে অনেক বেশি দেখা গেছে।

মোহাম্মদপুরে ব্যাংকগুলোতে ভিড় দেখা গেছে। পূবালী ব্যাংকের বাইরে ফুটপাতে গ্রাহকের লম্বা সারি চোখে পড়ে। গুলশানেও ছিল একই চিত্র। সকাল আটটা থেকেই ব্যাংকগুলোর সামনে মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। সকাল নয়টার দিকে গুলশান ১–এ সিটি ব্যাংকের বাইরে প্রায় ৪৩ জন গ্রাহককে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ব্র্যাক ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের সামনেও একই অবস্থা দেখা গেছে।

আজ সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত ব্যাংকের লেনদেন চলবে। সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউন শুরুর আগে চাপ বাড়তে পারে, এ কারণে গতকাল সোমবার রাতে ব্যাংকের লেনদেনের সময়সীমা বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক খোলা থাকবে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।

গতকাল এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণে এ সময়ে ব্যাংকগুলোর এটিএম বুথ থেকে দিনে এক লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ উত্তোলন করা যাবে। বর্তমানে বেশির ভাগ ব্যাংকের কার্ড দিয়ে দিনে ৫০ হাজার টাকা ও কিছু ব্যাংক থেকে বেশি অর্থ উত্তোলন করা যায়। নিজ ব্যাংকের বুথ ও অন্য ব্যাংকের বুথ থেকে একই সীমা প্রযোজ্য হবে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..