প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

টেটলি এসিআইয়ের শেয়ার কিনে নিচ্ছে টাটা কনজ্যুমার

নিজস্ব প্রতিবেদক : অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (এসিআই) এবং টাটা কনজ্যুমার প্রডাক্টস ওভারসিজ হোল্ডিংস লিমিটেডের (টিসিপি) যৌথ উদ্যোগে ২০০২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর এক চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় টেটলি এসিআই (বাংলাদেশ) লিমিটেড। আর সম্প্রতি এসিআইয়ের কাছ থেকে টেটলি এসিআই (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ধারণকৃত সব শেয়ার কেনার প্রস্তাব দেয় টাটা কনজ্যুমার প্রডাক্টস ওভারসিজ হোল্ডিংস (টিসিপি) লিমিটেড। আর ওই প্রস্তাবের খসড়া চুক্তিটি অনুমোদন করেছে এসিআই লিমিটেডের পর্ষদ। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এসিআই লিমিটেড।

জানা গেছে, ভারতের মুম্বাইয়ে অবস্থিত টাটা কনজ্যুমার প্রডাক্টস ওভারসিস হোল্ডিংস (টিসিপি) লিমিটেড টেটলি এসিআইয়ের সব শেয়ার অর্থাৎ এসিআইয়ের মালিকানাধীন ৫০ শতাংশ শেয়ার কিনে নেবে। চুক্তি অনুযায়ী এ ৫০ শতাংশ বা ৩২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ১০ কোটি ৬১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বিক্রয়, বণ্টন এবং কারখানা ইজারা চুক্তির অধীনে কর্মক্ষমতার ওপর নির্ভর করে সর্বোচ্চ তিন কোটি ৩৮ লাখ ২০ হাজার টাকা পাবে এসিআই। এসিআই এবং টিসিপির চুক্তিও পাশাপাশি টাটা কনজ্যুমার প্রডাক্টস ওভারসিজ হোল্ডিংস লিমিটেডের (টিসিপি) মূল কোম্পানি টাটা কনজ্যুমার প্রডাক্টস ইউকে গ্রুপ লিমিটেডের সঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব সেটেলমেন্ট চুক্তির পর উল্লিখিত শেয়ার বেচাকেনা সম্পন্ন হবে।

এখানে উল্লেখ্য, এসিআই লিমিটেড ১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৭২ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৮৬১ কোটি চার লাখ টাকা। কোম্পানির সাত কোটি ২৫ লাখ ৭৬ হাজার ৭৮৮টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৩৫ দশমিক ২৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ৪১ দশমিক ৪৯ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ২৩ দশমিক ২৩ শতাংশ শেয়ার।

সর্বশেষ ২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ২৩ পয়সা এবং ৩০ জুন শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪১ টাকা ৯৮ পয়সা। এছাড়া আলোচিত হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে চার টাকা ২৪ পয়সা। এর আগে ২০২১ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে ৬৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ৫ টাকা ৫০ পয়সা এবং ৩০ জুন শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ছিল ১৬২ টাকা ৬৫ পয়সা।