প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

টেলিমেডিসিন কার্যক্রমে পুরস্কৃত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  

 

 আবদুল হাকিম আবির: টেলিমেডিসিন কার্যক্রমকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সফলভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কৃত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অন দি ইনফরমেশন সোসাইটি ফোরাম-২০১৭’ আয়োজনে এ কৃতিত্ব অর্জন করে প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি।

ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিনিউকেশন্স ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলেন আয়োজিত হয়েছে।

বায়োমেডিক্যাল ফিজিকস অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয় টেলিমেডিসিন প্রকল্প। আর এর সফলতার পরিপ্রেক্ষিতেই ই-হেলথ ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়নশিপ পুরস্কার লাভ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিম।

ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়নের সেক্রেটারি জেনারেল হাওলিনঝাও’র কাছ থেকে পুরস্কারের সনদ গ্রহণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টেলিমেডিসিন কার্যক্রমের পরিচালক ও বায়োমেডিক্যাল ফিজিকস অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অনারারি প্রফেসর খোন্দকার সিদ্দিক-ই রব্বানী।

উদ্ভাবিত এ টেলিমেডিসিন কার্যক্রমের বিশেষত্ব হলো, কম খরচে বিশেষায়িত রোগ নির্ণয় করে অনলাইনে রোগীর অবস্থা, ইসিজি প্রভৃতি সরাসরি দূরের ডাক্তারের কাছে পৌঁছে দিয়ে উন্নত টেলিমেডিসিন সেবা দেওয়া। উদ্ভাবিত এ প্রযুক্তিতে ব্যবহƒত সফটওয়্যারটিও তৈরি করেছেন দলের সদস্যরা।

একটি সেশনে অধ্যাপক রব্বানী টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এছাড়া প্রযুক্তিপণ্যের উৎপাদন ও বিতরণে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোয় প্রচলিত নিয়ন্ত্রণমূলক নীতিমালার বাধা দূর করার জন্য কিছু মৌলিক পরিবর্তনের পরামর্শও দেন তিনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়নের (আইটিইউ) একটি স্টাডি গ্রুপ আয়োজিত ই-স্বাস্থ্যের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণবিষয়ক অপর একটি সেশনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টেলিমেডিসিন কার্যক্রমের প্রযুক্তি ও প্রয়োগের উদ্ভাবনী দিকগুলো তুলে ধরেন।

এ প্রযুক্তি কোনো পেটেন্ট ছাড়াই তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর জন্য উš§ুক্ত থাকবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত আর্থিক সুবিধা পেলে প্রযুক্তিটির ওপর তৃতীয় বিশ্বের বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ারও ঘোষণা দেন উদ্ভাবকরা।