টেলিযোগাযোগ ছাড়া সব খাতেই ছিল মুনাফা তোলার প্রবণতা

প্রকাশ: জানুয়ারী ২৭, ২০২০ সময়- ০৭:০৯ অপরাহ্ন

রুবাইয়াত রিক্তা: টানা তিন দিন সূচক ইতিবাচক থাকার পর গতকাল সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে সব খাতেই ছিল বিক্রির চাপ। যার কারণে এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৭২ শতাংশ কোম্পানি দর হারিয়েছে। বেড়েছে মাত্র ১৮ শতাংশের দর। গতকাল ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৩৫ পয়েন্ট। লেনদেন কমে ৪০০ কোটি টাকার কাছাকাছি অবস্থান করছে। বিক্রির চাপ ছিল সব খাতেই। কোনো খাতই ভালো অবস্থানে ছিল না। ব্যতিক্রম ছিল টেলিযোগাযোগ খাত। এ খাতে দুই কোম্পানির দরই বেড়েছে। গ্রামীণফোনের দর বেড়েছে চার টাকা ৬০ পয়সা। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের পাওনা দাবির অংশ বিশেষ দিতে গ্রামীণফোনের সম্মত হওয়ার বিষয়টি বিনিয়োগকারীরা ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। যার কারণে বেড়েছে শেয়ারটির দর। এছাড়া বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানির সাড়ে ১২ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে তিন টাকা ১০ পয়সা। কোম্পানিটি লেনদেনে তৃতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে এবং দর বৃদ্ধিতে অষ্টম অবস্থানে ছিল।

মোট লেনদেনের ১৫ শতাংশ বা প্রায় ৫৯ কোটি টাকা লেনদেন হয় প্রকৌশল খাতে। এ খাতে ৮৪ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। এসএস স্টিলের আট কোটি ৪২ লাখ টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় ৬০ পয়সা। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে ৭৫ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। স্কয়ার ফার্মার সাড়ে ১৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় ২০ পয়সা। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে ৬৪ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। পাঁচ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়ে এমএল ডায়িং ও প্রায় তিন শতাংশ বেড়ে হা ওয়েল টেক্সটাইল দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে অবস্থান করে। প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ছয় কোটি ৯১ লাখ টাকা ও নিউ লাইন ক্লোথিংসের ছয় কোটি ৪৪ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ১০ পয়সা হারে। লাফার্জহোলসিমের ৩৫ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে দুই টাকা ২০ পয়সা। কোম্পানিটি লেনদেনের শীর্ষে এবং দর বৃদ্ধিতে পঞ্চম অবস্থানে ছিল। এর কারণে গতকাল সিমেন্ট খাতের লেনদেন ১০ শতাংশে উঠে আসে।  এছাড়া অন্য কোনো খাতে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়নি। তবে বিবিধ খাতের এসকে ট্রিমসের আট কোটি ৯৪ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় দেড় টাকা। মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে উঠে আসে। খাদ্য খাতের বিএটিবিসির ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৩৭ টাকা ৩০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে সপ্তম অবস্থানে উঠে আসে। আট দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়ে পাট খাতের নর্দার্ণ জুট দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। মিউচুয়াল ফান্ড খাতের ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড ও সিরামিক খাতের স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে অবস্থান করে।