সুশিক্ষা

টোকিওতে উচ্চশিক্ষা ও অন্যান্য

রাজধানীর একটি হোটেলে ৭ মার্চ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জাপানের টোকিও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (টিআইইউ) পড়ালেখার সুযোগ ও বৃত্তি সম্পর্কে অবহিত করার জন্য একটি

প্রি-ডিপারচার ব্রিফিং সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বিনা খরচে এ সেমিনারে অংশ নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অভিভাবকরাও। বাংলাদেশ থেকে ২২ শিক্ষার্থী এপ্রিল সেশনে টিআইইউতে যাচ্ছেন।

টিআইইউ ইংরেজি ভাষায় ই-ট্র্যাক প্রোগ্রামের আওতায় বিজনেস ইকোনমিকস, ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস ও ডিজিটাল বিজনেস অ্যান্ড ইনোভেশনসে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ দিচ্ছে।

টিআইইউতে পরবর্তী সেশনের আবেদনের সময়সীমা ২৪ মার্চ। তাই শিক্ষার্থীদের আবেদনের জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে এখনই।

এ সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার বিষয়, আবেদনের প্রক্রিয়া, বৃত্তির সুযোগ, কর্মসংস্থান ও স্নাতকোত্তরের পর অভিবাসনের নানা দিক নিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে ধরা হয়।

টোকিও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (টিআইইউ) ১৯৬৫ সালে ব্যবসা ও বাণিজ্যিক বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর এটি কলেজ থেকে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়। এখানে বর্তমানে পাঁচটি স্নাতক স্কুল ও চারটি স্নাতকোত্তর স্কুল রয়েছে। এখানে উল্লেখ্য, ই-ট্র্যাক প্রোগ্রামের ক্লাসগুলো শিক্ষকদের সঙ্গে ছাত্রদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিকাশ ঘটায়।

টিআইইউ শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনের উইলমেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত এবং সময়ের পরিক্রমায় বিশ্বের আরও অনেক বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। শিক্ষাদীক্ষায় আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন মানুষ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে এ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। তাই শিক্ষামূলক দর্শনের ওপর অনুশীলনমুখী কারিকুলামের প্রসার ঘটিয়ে চলেছে। শিক্ষার্থীদের ৩০ থেকে শতভাগ মেধাভিত্তিক বৃত্তিও দেয় টিআইইউ।

টিআইইউতে পড়ালেখা করছেন প্রায় ছয় হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে বিশ্বের ৬০ দেশের আন্তর্র্জাতিক শিক্ষার্থী রয়েছেন প্রায় এক হাজার ২০০ জন। শিক্ষার্থীরা তাদের জীবনযাত্রার ব্যয়ভারের জন্য জাসসো বৃত্তিও পান। টিআইইউ বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রথম বছর জাপানে যাওয়ার নিমিত্তে একটি নিরাপদ পরিবেশে আবাসনের ব্যবস্থা করে। ডরমেটরিগুলো ক্যাম্পাসের বেশ কাছেই অবস্থিত। ক্যাম্পাসের ভেতরে শিক্ষার্থীদের জন্য হালাল খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে রয়েছে বেশ কয়েকটি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্লাব।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..