প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

টোঙ্গার পর জাপানে সুনামি, মাত্রা মৃদু

শেয়ার বিজ ডেস্ক: প্রশান্ত মহাসাগরের নিচে হুঙ্গা-টোঙ্গা-হুঙ্গা হা’আপাই আগ্নেয়গিরি থেকে গত শনিবার অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। আট মিনিট চলে অগ্ন্যুৎপাত। এর শকওয়েভ ছড়িয়ে পড়ে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরজুড়ে। সুনামি সতর্কতা জারি হয় কাছের দ্বীপরাষ্ট্র টোঙ্গা, ফিজি ও অস্ট্রেলিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে। সতর্ক অবস্থায় ছিল নিউজিল্যান্ড সরকার। এবার গতকাল জাপানেও মৃদু সুনামি হয়েছে। খবর: বিবিসি।

টোঙ্গার অগ্ন্যুৎপাতের কারণে জাপানে সুনামি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশটির শিকোকু দ্বীপের দক্ষিণ উপকূলের কোচি প্রশাসনিক অঞ্চলে এই মৃদু সুনামি আঘাত হানে। এতে কয়েকটি নৌকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তাই গতকাল প্যাসিফিক সুনামি সতর্কতা কেন্দ্র থেকে সতর্কতা আরও জোরদার করা হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি নর্থ আইল্যান্ডের উত্তর ও পূর্বাঞ্চল উপকূলের বাসিন্দাদের অপ্রত্যাশিত ঢেউয়ের বিষয়ে সতর্ক করেছে।

এর আগে সুনামি সতর্কতার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানে উপকূলীয় এলাকার লোকদের সরে যেতে বলা হয়েছিল। নিউজিল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব অকল্যান্ডের আগ্নেয়গিরিবিশারদ অধ্যাপক শেন ক্রোনিন

বলেন, ৩০ বছরের মধ্যে টোঙ্গায় সবচেয়ে বড় অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা এটি।

এখন পর্যন্ত বড় আকারের সুনামি আঘাতের ঘটনা শুধু টোঙ্গাতেই ঘটেছে। গ্যাস, ধোঁয়া ও ছাই অন্তত ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত ওপরে ওঠে বলে জানিয়েছে টোঙ্গার ভূতত্ত্ব বিভাগ। স্থানীয়রা উঁচু স্থানে অবস্থান নেন। আগ্নেয়গিরির ছাই এসে পড়েছে রাজধানী নুকু’আলোফায়। শহরটি আগ্নেয়গিরি থেকে ৬৫ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।

দেশটিতে সুনামিতে কেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা জানা যায়নি। তবে সুনামি ও অগ্ন্যুৎপাতে এখনও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরড্রেন বলেন, নিউজিল্যান্ড শিগগির ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে টোঙ্গাতে বিমান পাঠাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন টোঙ্গার পরিস্থিতিতে উদ্বেগ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমরা সহায়তা পাঠানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছি।