সারা বাংলা

ট্রাক ধর্মঘটে অচল বেনাপোল স্থলবন্দর

প্রতিনিধি, বেনাপোল : পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ধর্মঘটে বেনাপোল স্থলবন্দরে কোনো পণ্য খালাস ও বোঝাই হয়নি। দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যসহ পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক থাকলেও ভারত থেকে আমদানি পণ্য বন্দরে খালাস করা সম্ভব হয়নি।

নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের প্রতিবাদে যশোরে পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয় গত রোববার বেলা ১১টায়। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায়। এখনও দেশের অনেক স্থানে চলছে ধর্মঘট। পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ধর্মঘটে দেশের স্থল ও নৌবন্দরগুলোয় অচলাবস্থার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাস চলাচল বন্ধ থাকার কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন গাজী জানান, ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ধর্মঘটের কারণে বেনাপোল স্থলবন্দরে পণ্য পরিবহনের জন্য ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছে। ১৭ হাজার টাকার ভাড়া এখন ২৭ হাজার টাকা দিলেও পণ্য পরিবহনের জন্য  ট্রাক পাওয়া যাচ্ছে না।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটের কারণে বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ব্যাহত হচ্ছে। আমদানি-রপ্তানিকারকরা ঠিক সময়ে পণ্য ডেলিভারি নিতে পারছেন না। এতে সরকার প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০ কোটি টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমা বলেন, গত সাত দিনে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় দুই হাজার ৮০০ পণ্যবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে। একই সময়ে বেনাপোল বন্দর থেকে তিন হাজার ৩০০ ট্রাক আমদানিকৃত পণ্য খালাস হয়েছে। গত এক সপ্তাহে বেনাপোল কাস্টম হাউসের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯০ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৬২ কোটি টাকা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..