দিনের খবর সারা বাংলা

ঠাকুরগাঁওয়ে বাড়ছে শীতের তীব্রতা, বিপাকে জনজীবন

শামসুল আলম, ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁওয়ে ক্রমন্বয়ে বাড়ছে শীত ও ঘন কুয়াশা ও ঠাণ্ডার  তীব্রতা। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রতি বছরই একটু আগেই শীত চলে আসে। শীতকালে এ জেলায় প্রচুর ঠাণ্ডা পড়ে। দেশের শেষ জেলা হিসেবে হিম কর্নার জেলাও বলে অনেকেই। গত কয়েকদিন ধরে দিনে হালকা গরম থাকলেও সন্ধ্যার প্রকৃতিতে শুরু হচ্ছে শীতের হিমেল পরশের গা শিরশিরে বাতাস। রাতভর পরছে ঝিরঝির কুয়াশা।

আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে দেশের উত্তরের এ জেলায় দিন দিন বেড়েই চলছে শীত। গতকাল শুক্রবার সারা দিনেও দেখা মেলেনি সূর্যের। সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলছে কুয়াশা। কুয়াশার আড়ালে কখনও কখনও ঢাকা পড়ছে সূর্য। দেখে যেন মনে হচ্ছে কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে আছে এ ঠাকুরগাঁও জেলাটি।

সকালে জেলা শহরে ও গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে এমনি চিত্রটি চোখে পড়ে। একদিকে যেমন বাড়ছে শীত অপরদিকে শীতে করোনাভাইরাস নিয়ে চিন্তিত এই জেলার সাধারণ মানুষ।

উল্লেখ্য ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনসহ সামাজিক, রাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ নানা ব্যানারে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

এরই মধ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে শীতের আগমনে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কারিগররা। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী কার্তিক মাসে শীতের জন্ম হলেও পৌষ ও মাঘ এই দুই মাস শীত মৌসুম হিসেবে বিবেচিত হয়।

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, শীত ও কুয়াশার কারণে কাজ করতে অসুবিধা হওয়ায় অনেকটা বিপাকে পড়ছেন এ জেলার নি¤œ আয়ের মানুষ। শীতে জড়ো-সড়ো হয়ে গেছে গবাদি পশুও পাখিও। কেউ কেউ আবার খড়-কুটোতে আগুন জ্বালিয়ে করছেন শীত নিবারণের চেষ্টা। রাস্তাঘাটে কুয়াশার ফলে সড়কে-মহাসড়কে বাস-ট্রাকগুলো চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। শীতের কাপড় পরে হাঁটাচলা করছেন প্রায় সবাই। এদিকে ঠাণ্ডার প্রকোপে হাসপাতালগুলোতে রোগীর প্রকোপ বাড়ছে বলে জানা গেছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..