পুঁজিবাজার

ডিএসইতে অতিরিক্ত জনবল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জেই (ডিএসই) প্রয়োজনের অতিরিক্ত জনবল রয়েছে। যার সখ্যা ৭০-৮০ জন। ডিএসইতে যে বিভাগে দরকার, সেখানে নিয়োগ না দিয়ে অন্য বিভাগে অপ্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এগুলো বেশি করা হয়েছে অ্যাসিসটেন্ট (সহকারী) পর্যায়ে। ডিএসইর গতকালের পর্ষদ সভায় এ বিষয়টি ওঠে এসেছে। সংশ্লিষ্টসূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।

এজন্য সভায় প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জনবল নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে ম্যানেজমেন্টকে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য ৩ কার্যদিবস সময় বেধে দিয়েছে ডিএসইর পর্ষদ। যা আগামি পর্ষদ সভায় (১৬ জুলাই) উপস্থাপন করা হবে। এর আলোকে অতিরিক্ত জনবলের বিষয়ে সমাধানের জন্য পর্ষদ সিদ্ধান্ত নেবে।

জানা যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) প্রতিষ্ঠার পরে দীর্ঘ সময় পার করলেও এখনো এফডিআর এর সুদের উপর ভর করে চলে। উচ্চ বেতনে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হলেও ব্যবসায় কোন উন্নতি হচ্ছে না। যাতে ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের সুবিধা পাচ্ছেন না শেয়ারহোল্ডাররা।

ডিএসইর ৫৪ বছরের দীর্ঘ পথচলায় পরিচালনা পর্ষদ ও ম্যানেজমেন্টের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। উচ্চ বেতনে ম্যানেজমেন্টের লোকজন নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডারদের ভাগ্যে পরিবর্তন হয়নি।

২০১২-১৩ অর্থবছর পর্যন্ত দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ছিল। তবে ২০১৩ সালের ২১ ডিমিউচ্যুয়ালাইজড হওয়ার মাধ্যমে লাভজনক প্রতিতষ্ঠানে রুপান্তর হয়। এরপর ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জকে লভ্যাংশ বিতরন করতে হচ্ছে। যে কারনেই এখন ডিএসইর অতিরিক্ত জনবল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ৭টি স্তরে ভাগ করে ৬টি স্তর থেকে বেতন কাটার পক্ষ নিয়ে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে।
উল্লেখ্য ডিএসইর ৩৫৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীরর পেছনে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ব্যয় হয়েছে ৩৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..