প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

ডিএসইতে বেড়েছে পিই রেশিও

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়েছে। আগের সপ্তাহের চেয়ে পিই রেশিও বেড়েছে দশমিক ৫০ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৪০ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৫ দশমিক ২১ পয়েন্টে। এর আগের সপ্তাহে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১৪ দশমিক ৭১ পয়েন্ট।

বিশ্লেষকদের মতে, পিই রেশিও যতোদিন ১৫-র ঘরে থাকে, ততোদিন বিনিয়োগ নিরাপদ থাকে।

সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক ট্রেইলিং পিই রেশিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৮ দশমিক ৫ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ২৯ দশমিক ৭ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ২২ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ২২ দশমিক ৬ পয়েন্টে, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ২৮ দশমিক ৮ পয়েন্টে, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১৩ দশমিক ৫ পয়েন্টে, সাধারণ বিমা খাতে ১৫ দশমিক ৪ পয়েন্টে, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ২৮ দশমিক ৭ পয়েন্টে।

এছাড়া পাট খাতের পিই রেশিও মাইনাস ১৫ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ৩১ দশমিক ৩ পয়েন্টে, এনবিএফআই খাতে ২৯ দশমিক ১ পয়েন্ট, কাগজ খাতে মাইনাস ১১৮ দশমিক ১ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৮ দশমিক ৫ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন খাতে ২৪ দশমিক ৬ পয়েন্টে, চামড়া খাতের ২৩ দশমিক ৬ পয়েন্টে, টেলিযোগাযোগ খাতে ১৮ দশমিক ৫ পয়েন্টে, বস্ত্র খাতে ২৩ দশমিক ৭ পয়েন্টে এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ২৭ দশমিক ৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এদিকে বিদায়ী বছরের শেষ সপ্তাহেও ডিএসইর সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত বেড়েছিল। আগের সপ্তাহের চেয়ে পিই রেশিও বেড়েছে দশমিক ৩৫ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৫১ শতাংশ। সে সপ্তাহে ডিএসইতে পিই রেশিও অবস্থান করেছে ১৪ দশমিক ২৯ পয়েন্টে। এর আগের সপ্তাহে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১৩ দশমিক ৯৪ পয়েন্ট।

সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক ট্রেইলিং পিই রেশিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করে ৮ দশমিক ১ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ২৯ দশমিক ৩ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ২১ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ২১ পয়েন্টে, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ২৮ দশমিক ৩ পয়েন্টে, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১২ দশমিক ৫ পয়েন্টে, সাধারণ বিমা খাতে ১৩ দশমিক ৭ পয়েন্টে, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ২৭ দশমিক ৯ পয়েন্টে।

এছাড়া পাট খাতের পিই রেশিও মাইনাস ১৩ দশমিক ৩ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ২৮ দশমিক ৮ পয়েন্টে, এনবিএফআই খাতে ২৩ দশমিক ৪ পয়েন্টে, কাগজ খাতের মাইনাস ১১৪ দশমিক ২ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৭ দশমিক ৬ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন খাতের ২৩ দশমিক ৮ পয়েন্টে, চামড়া খাতের ২৩ দশমিক ১ পয়েন্টে, টেলিযোগাযোগ খাতের ১৮ পয়েন্টে, বস্ত্র খাতের ২১ দশমিক ৭ পয়েন্টে এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ২৫ দশমিক ৮ পয়েন্টে ছিল।