নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে সার্বিক মূল্য-আয় অনুপাত (পিই রেশিও) উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল শনিবার বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত ১৮ থেকে ২২ জানুয়ারি সময়ে ডিএসইর পিই রেশিও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.০১ পয়েন্টে।
সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ৮.৭৭ পয়েন্ট, যা সপ্তাহ শেষে ০.২৪ পয়েন্ট বেড়ে ৯.০১ পয়েন্টে উন্নীত হয়। শতাংশের হিসাবে এক সপ্তাহে পিই রেশিও বেড়েছে প্রায় ২.৭৪ শতাংশ।
এর আগের সপ্তাহে (১১ থেকে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬) বাজারে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। ওই সময়ে পিই রেশিও সামান্য কমে যায়। সপ্তাহের শুরুতে যেখানে পিই রেশিও ছিল ৮.৮২ পয়েন্ট, সপ্তাহ শেষে তা নেমে আসে ৮.৭৭ পয়েন্টে। ফলে সে সপ্তাহে পিই রেশিও কমেছিল ০.০৫ পয়েন্ট বা ০.৫৭ শতাংশ।
খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, পুঁজিবাজারে সবচেয়ে কম পিই রেশিও রয়েছে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে, যা ৩.৪০ পয়েন্ট। এরপর জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে পিই রেশিও ৪.৩৭ পয়েন্ট এবং ব্যাংক খাতে ৬.৪১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
ওষুধ ও রসায়ন খাতে পিই রেশিও দাঁড়িয়েছে ৯.৫২ পয়েন্টে। আর্থিক খাতে এ অনুপাত ১০.২৫ পয়েন্ট, প্রকৌশল খাতে ১১.১৫ পয়েন্ট এবং টেক্সটাইল খাতে ১১.২৯ পয়েন্টে রয়েছে।
এ ছাড়া ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে পিই রেশিও ১২.২৭ পয়েন্ট, সেবা ও আবাসন খাতে ১২.৪৯ পয়েন্ট, সিমেন্ট খাতে ১২.৮১ পয়েন্ট এবং টেলিযোগাযোগ খাতে ১৩.০৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
অন্যদিকে তুলনামূলকভাবে বেশি পিই রেশিও রয়েছে আইটি খাতে ১৪.৬৮ পয়েন্ট এবং সাধারণ বিমা খাতে ১৪.৯৯ পয়েন্ট। বিবিধ খাতে এ অনুপাত ১৫.১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে পিই রেশিও ১৬.৮১ পয়েন্ট এবং পেপার ও প্রিন্টিং খাতে তা বেড়ে ২২.৩১ পয়েন্টে পৌঁছেছে।
সবচেয়ে বেশি পিই রেশিও দেখা গেছে পাট, ট্যানারি ও সিরামিক খাতে। এর মধ্যে পাট খাতে পিই রেশিও ২৫.৩৭ পয়েন্ট, ট্যানারি খাতে ৫৬.০৩ পয়েন্ট এবং সিরামিক খাতে সর্বোচ্চ ৮৩.০৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
প্রিন্ট করুন







Discussion about this post