শেষ পাতা

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৯৩ জনের মৃত্যু

স্বাস্থ্য অধিদফতর

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) কাছে ডেঙ্গু সন্দেহে ২৪২ মৃত রোগীর তথ্য এসেছে। এর মধ্যে ১৫১টি মৃত্যু পর্যালোচনা করে ৯৩টি ডেঙ্গুজনিত মৃত্যু বলে নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। গতকাল সকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার বিষয়টি জানান।
তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৩৮, ফেব্রুয়ারিতে ১৮, মার্চে ১৭, এপ্রিলে ৫৮, মে মাসে ১৯৩, জুনে এক হাজার ৮৮৪, জুলাইয়ে ১৬ হাজার ২৫৩, আগস্টে ৫২ হাজার ৬৩৬ এবং সেপ্টেম্বরে ১৬ হাজার ৮৫৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। আর অক্টোবরের ৯ তারিখ পর্যন্ত হাসপাতালে গেছেন দুই হাজার ৮৪৬ ডেঙ্গুরোগী। ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা ২০১৯ সালেই সর্বোচ্চ। এর মধ্যে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টি বেড়ে যাওয়ায় ডেঙ্গুর হার বেড়েছে, কেননা বৃষ্টির পানিতেই মশার লার্ভা প্রজননে সক্ষম হতে পারে। এক্ষেত্রে মশার লার্ভা নিধন কার্যক্রমে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। অন্যথায় বৃষ্টি বাড়লে মশা বাড়ার কথা নয়।
হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৯১ হাজার ৫৩ জন। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৮৯ হাজার ২৩১ জন। আক্রান্তদের ৯৮ ভাগ রোগীই ছাড়পত্র পেয়েছেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব প্রথম ধরা পড়ে ২০০০ সালে। তবে এ বছর কেবল আগস্ট মাসেই ১৯ বছরের চেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এদিকে সরকারি হিসাবে ২০০০ সালে সারা দেশে পাঁচ হাজার ৫৫১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন, মৃত্যু হয় ৯৩ জনের। আর মৃত্যুর সংখ্যা ২০০০ সালের সঙ্গে চলতি বছর যৌথভাবে ১৯ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

 

 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..