পত্রিকা

ঢাকায় আইসিইউ শয্যা খালি নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কভিড শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৮০৯ জন, মারা গেছেন ৩০ জন। দেশে গত ২০ আগস্টের পর থেকে এক দিনে শনাক্ত রোগী এটাই সর্বোচ্চ আর গত ৭ জানুয়ারিতে মারা গিয়েছিলেন ৩১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার ১১ দশমিক ১৯ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, তালিকাভুক্ত করোনা ডেডিকেটেড সরকারি হাসপাতালগুলোর আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) ফাঁকা শয্যা ক্রমেই কমে আসছে। দেশের অন্যতম কভিড ডেডিকেটেড ছয়টি হাসপাতালে আইসিইউ ফাঁকা নেই।

হাসপাতালগুলোয় কভিড রোগীদের জন্য নির্ধারিত ৯৫টি আইসিইউ শয্যার মধ্যে রোগী ভর্তি আছেন ৯০ জন, শয্যা ফাঁকা রয়েছে মাত্র পাঁচটি।

অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের ১৬টি শয্যার সবক’টিতে রোগী ভর্তি, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ১০টি শয্যার সবক’টিতে রোগী ভর্তি, সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের ছয়টি বেডের মধ্যে সবক’টিতে রোগী ভর্তি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১০টি শয্যার সবক’টিতে রোগী ভর্তি, মুগদা জেনারেল হাসপাতালের ১৪টি শয্যার সবক’টিতে রোগী ভর্তি আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬টি শয্যার সবক’টিতে রোগী ভর্তি রয়েছে।

শুধু রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের ১৫টি শয্যার মধ্যে ফাঁকা রয়েছে তিনটি, রোগী আছেন ১২ জন। আর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে আটটি শয্যার মধ্যে রোগী আছেন ছয়জন, ফাঁকা রয়েছে দুটি।

অন্যদিকে অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত বেসরকারি ৯টি হাসপাতালের ১৬৮টি আইসিইউর মধ্যে রোগী ভর্তি আছেন ১২১ জন, শয্যা ফাঁকা রয়েছে মাত্র ৪৭টি। অর্থাৎ ঢাকা শহরের তালিকাভুক্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের মোট ২৬৩টি আইসিইউ শয্যার মধ্যে রোগী ভর্তি আছেন ২১১ জন, আর শয্যা ফাঁকা রয়েছে মাত্র ৫২টি।

চট্টগ্রাম মহানগরীর তালিকাভুক্ত সাতটি হাসপাতালের মধ্যে সরকারি চার হাসপাতালে আইসিইউ রয়েছে ২৫টি, তার মধ্যে রোগী ভর্তি আছেন ১৪ জন, আর শয্যা ফাঁকা রয়েছে ১১টি। বেসরকারি তিন হাসপাতালের ২০টি শয্যায় রোগী ভর্তি আছেন ১০ জন, ফাঁকা রয়েছে ১০টি।

কভিড রোগীদের জন্য সারাদেশে আইসিইউ রয়েছে ৫৪০টি। এর মধ্যে রোগী ভর্তি আছেন ২৯৮ জন, আর বেড ফাঁকা রয়েছে ২৪২টি।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..